বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়

গরমকালে অনেকেই চুলকানি, র‌্যাশ বা ঘামাচির সমস্যায় ভোগেন। এই সময়ে আরো একটি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ‘নিকেল অ্যালার্জি’। আংটি, চুড়ি বা ঘড়ি অথবা ধাতব কিছু থেকে এক রকম চর্মরোগ হতে দেখা যায়। এতে ত্বকে জ্বালা, চুলকানি বাড়ে। কারো ত্বকে বড় বড় ফোস্কা পড়ে। ত্বকের রংও বদলে যায়।
ত্বক চিকিৎসকেরা বলেন, গরমের সময়ে হিট র‌্যাশ ও কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের সমস্যা বাড়ে। এর থেকে রেহাই পেতে ঘরোয়া কিছু টোটকাই কাজে আসতে পারে।

গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়-

> গরমে গোসলের বিকল্প নেই। দুই থেকে তিনবার গোসল করুন। এতে ত্বক ঠান্ডা থাকবে। গোসলের সময় খুব বেশি সুগন্ধযুক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না। হালকা বডিওয়াশ ব্যবহার করা ভালো। এতে ত্বকে পিএইচ ব্যালান্স বজায় থাকবে। প্রতিবার গোসলের পর অন্তর্বাসসহ পোশাক বদলে ফেলুন।

> গরমের সময় টাইট বা ফিটিং পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন। শরীরে যেন বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সেজন্য ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। টাইট পোশাক পরলেই ত্বকে সংক্রমণ দেখা দেবে। মনে রাখবেন, ত্বকের যেসব স্থানে বেশি ঘাম হয়; সেসব স্থানগুলো যাতে পরিষ্কার ও খোলামেলা থাকে। তাহলেই র্যাশ বা ফুসকুড়ি উঠবে না।

> গোসলের আগে প্রতিবার ত্বকের আক্রান্ত স্থানে বরফের সেঁক নিতে পারেন। এতে জ্বালা-পোড়াভাব ও চুলকানি কমবে। একটি তোয়ালের মধ্যে কিছু বরফ নিয়ে পুরো শরীরে কিছু সময়ের জন্য সেঁক নিতে পারেন।

> চন্দন ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ রোধে জাদুকরী ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, চন্দন কাঠের গুঁড়োয় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যানালজেসিক আছে। যা ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ রোধ করে। পাশাপাশি আক্রান্ত স্থানের জ্বালা-পোড়াভাব কমায়। চন্দনের গুঁড়ো সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখ, গলাসহ আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করতে পারেন।

> বেকিং সোডা ব্যবহারে ত্বকের চুলকানি বা প্রদাহ মুহূর্তেই কমে। এটি ত্বকের সংক্রমণ রোধে দুর্দান্ত একটি ঘরোয়া প্রতিষেধক। পানির সঙ্গে কয়েক টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল করুন। এভাবে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর শরীরে পরিষ্কার পানি ঢেলে গোসল সম্পন্ন করুন।

> অ্যালোভেরার নির্যাস ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-সেপটিক উপাদান আছে। যা ত্বক ঠান্ডা করে সংক্রমণ কমায়। ত্বকের অস্বস্তি দূর করতে আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরার রস ব্যবহার করতে পারেন।

সূত্র: আনন্দবাজার

Ads small one

কেশবপুরে জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে জমি দখলের চেষ্টা, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান (৪২) বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় এই অভিযোগ করেন। তিনি সাগরদাঁড়ী গ্রামের মৃত ছফেদ আলী মোড়লের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৪৫ নম্বর সাগরদাঁড়ী মৌজার ১৪ দশমিক ৭৫ শতক জমির বৈধ মালিক জিয়াউর রহমান। এর মধ্যে ১০ শতক জমি তিনি পৈতৃক সূত্রে এবং আদালতের দেওয়ানি মামলার রায়ের মাধ্যমে পেয়েছেন। বাকি ৪ দশমিক ৭৫ শতক জমি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দলিলমূলে ক্রয় করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মোস্তফা মুন্সি (৪৫), পলাশ মুন্সি (৪২), আনছার গাজী (৫৫) ও জসিম মুন্সিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন ওই জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।

জিয়াউর রহমানের অভিযোগ, বিবাদীরা প্রভাব খাটিয়ে গত তিন বছর ধরে জমিটি নিজেদের দখলে রেখেছেন। তিনি জমিতে যেতে চাইলে বিবাদীরা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তাকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সর্বশেষ গত ১৯ মে সকালে তিনি নিজের জমিতে গিয়ে আগাছা পরিষ্কার ও বেড়া মেরামতের কাজ শুরু করলে অভিযুক্তরা বাধা দেন এবং তাকে ধাক্কা দিয়ে জমি থেকে বের করে দেন।
কেশবপুর থানা সূত্র জানায়, “অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অবশ্য অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিবাদী মোস্তফা মুন্সি দাবি করেন, “ওই জমিতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটি কোম্পানির কাছ থেকে লিজ নিয়ে বিভিন্ন ফসল ও সবজি চাষ করে আসছি। উল্টো আমাদের অনেকগুলো গাছ কেটে নষ্ট করা হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনা চাঁদা দাবি বা হুমকির অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”

 

 

 

 

 

লোকসান ঠেকাতে লবণের অনুদান চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাতক্ষীরার চামড়া ব্যবসায়ীদের আবেদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
লোকসান ঠেকাতে লবণের অনুদান চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাতক্ষীরার চামড়া ব্যবসায়ীদের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য অনুদান হিসেবে লবণ বরাদ্দ চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে সাতক্ষীরা জেলা চামড়া অ্যাসোসিয়েশন। গত ১৮ মে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বরাবর এই আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মতিয়ার রহমান।

ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহায় সাতক্ষীরা জেলা চামড়া অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে গত কয়েক বছর ধরে চামড়া সংরক্ষণ, লবণ ও শ্রমিকের বাড়তি খরচের কারণে তারা ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়েছেন। ক্রমাগত এই লোকসানের ফলে অনেক ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়ে এখন দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম।

আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, লবণের চড়া দামের কারণে চামড়া সংরক্ষণ করতে গিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হিমশিম খেতে হয়। অনেক সময় লবণের অভাবে সঠিক সময়ে প্রক্রিয়াজাত না করায় বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হয়ে যায়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কেনাবেচা নিশ্চিত করতে অনুদান হিসেবে সরকারিভাবে লবণ বরাদ্দ দেওয়া জরুরি।

সাতক্ষীরা জেলা চামড়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মতিয়ার রহমান বলেন, “লবণের দাম ও সংরক্ষণের খরচ বাড়ায় আমরা চরম পুঁজিসংকটে আছি। সরকার অনুদান হিসেবে লবণ বরাদ্দ দিলে চামড়া নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং ব্যবসায়ীরাও বাঁচবেন।”

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত এই লবণের অনুদান বরাদ্দ দেওয়া হলে সাতক্ষীরা অঞ্চলে কোরবানির চামড়া শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।

 

 

 

 

সাতক্ষীরায় হাটে চোরাই গরু বিক্রি করতে গিয়ে আটক ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় হাটে চোরাই গরু বিক্রি করতে গিয়ে আটক ২

জিএম আমিনুল হক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে চোরাই গরু বিক্রি করতে গিয়ে হাট কমিটির হাতে দুই যুবক আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল মাঠে বসা কোরবানির পশুর হাটে এ ঘটনা ঘটে। পরে আটককৃতদের চোরাই গরু ও একটি ইজিবাইকসহ পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার বরজো পাটুরি গ্রামের আদর আলী গাজীর ছেলে মো. রাজু হোসেন (২৫) এবং গরু বহনকারী ইজিবাইকচালক ও সদর উপজেলার পরানদহা সানারডাঙ্গা এলাকার আব্দুল মান্নান গাজীর ছেলে মো. শাকিল হোসেন (২২)। হাট কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজু হোসেন হাটে একটি গরু ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

 

বিক্রির পর নিয়ম অনুযায়ী হাটের হাসিল বা ‘পাশ’ কাটতে গেলে রাজুর কথাবার্তায় অসংলগ্নতা প্রকাশ পায়। এতে হাট কমিটির সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রাজু স্বীকার করেন যে, গরুটি তিনি সদর উপজেলার লাবসা বা খেজুরডাঙ্গা এলাকার একটি মাঠ থেকে চুরি করে এনেছেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো হাট এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা রাজু এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত ইজিবাইকের চালক শাকিলকে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেন।
ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, “চোরাই গরু বিক্রির অপরাধে দুজনকে আটক করা হয়েছে। গরু ও চুরির কাজে ব্যবহৃত ইজিবাইকটি জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আটক দুই যুবক এবং উদ্ধার হওয়া চোরাই গরুটি ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির হেফাজতে ছিল। এই ঘটনায় থানায় একটি চুরির মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।