শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিবেশ সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমাতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
পরিবেশ সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমাতে হবে

প্রকাশ ঘোষ বিধান

পরিবেশ সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমানো এখন সময়ের দাবি। ক্রমাগত ব্যক্তিগত গাড়ি বৃদ্ধির ফলে তীব্র যানজটের পাশাপাশি বায়ুদূষণও চরম মাত্রায় পৌঁছাচ্ছে। পরিবেশের এই বিপর্যয় ও নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

সড়কে গাড়ির সংখ্যা কমলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমে। ঘন ঘন হর্ন ও গাড়ির কালো ধোঁয়া কমে যাওয়ায় শহরের বায়ুর মান উন্নত হয় এবং শব্দদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জীবাশ্ম জ্বালানির অপচয় রোধ হয়, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

পরিবেশ রক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো অত্যন্ত জরুরি। বাসযোগ্য ও সুস্থ নগরী গড়তে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ন্ত্রণ ও গণপরিবহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তিগত গাড়ি কমালে ক্ষতিকর কার্বন নিঃসরণ কমে এবং বায়ু পরিষ্কার থাকে। গাড়ির হর্ন ও ইঞ্জিন থেকে সৃষ্ট শব্দ দূষণ কমে। অল্প দূরত্বে হাঁটাচলা বা সাইকেল চালালে শারীরিক কসরত হয় এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সড়কে ব্যক্তিগত বাহন কমলে তীব্র যানজট কমে এবং যাতায়াত সহজ হয়।

২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস। যা প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে নাগরিকদের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করে বরং সাইকেল, হাঁটা বা গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পালিত হয়। পরিবেশ দূষণ হ্রাস, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী এই সচেতনতা তৈরি করা হয়। ৭০-এর দশকে ইউরোপে প্রথম এই ধারণার সূচনা হলেও, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সে এটি জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়। পরবর্তীতে ২০০০ সালে ইউরোপীয় কমিশন এটিকে একটি স্বতন্ত্র দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং এটি আন্তর্জাতিক রূপ পায়। বাংলাদেশে প্রথম ২০০৬ সাল থেকে বেসরকারি উদ্যোগে এই দিবসটি পালন করা শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সাল থেকে সরকারিভাবেসহ বিভিন্ন অংশীজনদের সাথে নিয়ে দিবসটি নিয়মিত উদযাপন করা হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য এই দিবসটি একটি বড় অনুস্মারক হিসেবে কাজ করে।

জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি চালানোর ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড এবং অন্যান্য ক্ষতিকর ধোঁয়া বায়ুর গুণমান মারাত্মকভাবে নষ্ট করে। গাড়ি কমলে বাতাসে এসব বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ কমে যায়।

অতিরিক্ত ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের ফলে শহরের বায়ু দূষণ ও তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এই দিনে নাগরিকদের ব্যক্তিগত গাড়ি বাদ দিয়ে পায়ে হেঁটে, সাইকেলে বা গণপরিবহনে যাতায়াতে উৎসাহিত করা হয়। পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন এবং হাঁটা বা সাইকেল চালানোর সুবিধা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।

ব্যক্তিগত গাড়ি রাস্তায় বেশি জায়গা দখল করে কিন্তু বহন করে কম যাত্রী। এর ফলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। গণপরিবহন বা হাঁটার অভ্যাস বাড়ালে সড়কের ওপর চাপ কমে। ছোট দূরত্বের পথগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি বর্জন করে হাঁটা বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস তৈরি করলে হৃদরোগ, স্থূলতা এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। যানজট এবং উচ্চ হর্নের কারণে সৃষ্ট মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা থেকে নাগরিকরা মুক্তি পান।

বিশ্বের বহু দেশেই এবং অধিকাংশ রাজধানীতে গাড়িমুক্ত হাঁটার সড়ক যেমন আছে, তেমনি থাকে ফুটপাত। স্বল্প দূরত্বে হাঁটার সুযোগ নগরে চলাচলে স্বস্তি যেমন বাড়ায়, তেমনি তা স্বাস্থ্যকরও। আমাদের দেশে সড়ক অনুপাতে ফুটপাতের পরিমাণ খুবই কম। আবার যেটুকু আছে, সেটুকুও অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার কারণে দখল করে রাখে। সে জন্য ফুটপাত ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।

শহরের ফুটপাতগুলোকে দখলমুক্ত ও ছায়াযুক্ত করা এবং সাইকেল চলাচলের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। শহরগুলোকে গাড়ির আধিপত্য থেকে মুক্ত করে মানুষের উপযোগী ও বাসযোগ্য করে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়। মানুষের ব্যক্তিগত গাড়ির প্রতি ঝোঁক কমানোর জন্য নিরাপদ, আরামদায়ক ও সময়সাশ্রয়ী গণপরিবহন নিশ্চিত করা।

একটি বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে আমাদের প্রতিদিনের যাতায়াতে সচেতন হতে হবে। ছোট দূরত্বে ব্যক্তিগত গাড়ির বিকল্প খোঁজার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর গড়তে ব্যক্তিগত গাড়ির বিকল্প হিসেবে মানসম্মত গণপরিবহন ব্যবস্থা এবং হেঁটে বা সাইকেলে চলাচলে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

একটি পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত ও সুস্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত হওয়া। নগর রক্ষা, নিজের স্বাস্থ্য উন্নত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে আমাদের এখনই ব্যক্তিগত গাড়ির বিলাসী ব্যবহার বর্জন করে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

গুড়পুকুরপাড়ে মনসা পূজা, মেলার অপেক্ষায় সাতক্ষীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
গুড়পুকুরপাড়ে মনসা পূজা, মেলার অপেক্ষায় সাতক্ষীরা

oplus_0

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনসা পূজা। ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) শহরের পলাশপোল এলাকার মনসাতলায় এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই পূজাস্থলে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভক্তরা ফুল, ফল ও বিভিন্ন উপাচার নিবেদন করে প্রার্থনা করেন।

মনসা পূজাকে কেন্দ্র করেই দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরায় বসে আসছে ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলা। একসময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা এ মেলায় আসতেন। নানা পণ্যের দোকানের পাশাপাশি মেলাটি পরিণত হতো মানুষের মিলনমেলায়। তবে ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বোমা হামলার পর দীর্ঘ সময় মেলার আয়োজন বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে আবার শুরু হলেও আগের সেই জৌলুস আর ফিরে আসেনি। গত বছরও মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে হলেও সাতক্ষীরার এই ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন আবারও চালু করা হোক। তাঁদের মতে, গুড়পুকুর মেলা শুধু একটি আয়োজন নয়, এটি সাতক্ষীরার ইতিহাস ও লোকজ সংস্কৃতির অংশ।

১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল গুড়পুকুর মনসাতলায় বটবৃক্ষের নিচে মনসা ও বিশ্বকর্মা পূজা শুরু হয়। একই সাথে দুটি পূজাকে কেন্দ্র করে এলাকাটি মহা মিলনমেলায় পরিণত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পলাশপোল গুড়পুকুর পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক গৌর দত্ত, সদস্যসচিব তপন হালদার, পলাশপোল মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার বসু, পুরোহিত পরিতোষ চক্রবর্তী, সহকারী পুরোহিত তাপস চক্রবর্তীসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা।

সাধারণত প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর কন্যা সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিনে বিশ্বকর্মা পূজা পালিত হয়। হিন্দু ধর্মের অন্যান্য পূজা চাঁদের গতির ওপর নির্ভর করে হলেও, বিশ্বকর্মা পূজা নির্ধারিত হয় সূর্যের গতির ওপর। কন্যা সংক্রান্তির দিন সূর্য সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি ভাদ্র সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিন। সাধারণত বাংলা পঞ্জিকার প্রথম পাঁচ মাস মিলিয়ে ১৫৬ দিন হয়, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর পড়ে। তাই প্রায় প্রতি বছরই এই দিনে দেবশিল্পীর আরাধনা করা হয়। তবে কোনো বছর মাসের দিনের তারতম্য হলে এটি ১৮ সেপ্টেম্বরও হতে পারে।

হিন্দু ধর্মালম্বীদের মতে, দেবশিল্পী ভগবান বিশ্বকর্মা হলেন মহাবিশ্বের প্রথম স্থপতি বা প্রকৌশলী। তিনি দেবতাদের নানা অস্ত্র, প্রাসাদ ও পুরীর জগন্নাথ মূর্তি নির্মাণ করেছিলেন। কারিগর, শিল্পী, শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা তাঁদের কাজের যন্ত্রাংশ, গাড়ি ও যন্ত্রপাতি পূজা করে জ্ঞান, দক্ষতা ও সমৃদ্ধি প্রার্থনা করেন।

সুন্দরবনে ফের বনদস্যু আতঙ্ক, জেলেদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে ফের বনদস্যু আতঙ্ক, জেলেদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়

এমএ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সুন্দরবনের দুয়ার খোলার পর আবারও বনদস্যুদের তৎপরতা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জেলে ও বনজীবীদের মধ্যে।

একদিকে দস্যুদের কয়েকটি বাহিনীর সদস্য অস্ত্রসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করছে, অন্যদিকে নতুন করে বিভিন্ন দস্যু দলের তৎপরতা এবং জেলেদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গত ১ সেপ্টেম্বর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনে জেলে ও বনজীবীদের প্রবেশ শুরু হয়। কিন্তু বনে যাওয়ার আগেই বিভিন্ন দস্যু বাহিনীকে নৌকাপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি চাঁদা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ জেলেদের। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা দেরি হলে গহিন বনের নদী-খালে হামলা, মারধর, জিম্মি ও মুক্তিপণ দাবির শিকার হতে হচ্ছে তাঁদের।

সম্প্রতি ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কাজল-মুন্না বাহিনীর হাতে এক জেলে অপহৃত হন। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর শ্যামনগর থানা-পুলিশ একই বাহিনীর তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং দুই জিম্মি জেলে ও ৭৪ হাজার টাকা উদ্ধার করে। অপরদিকে, ১০ সেপ্টেম্বর ‘নানা ভাই বাহিনী’র প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ জন দস্যু কোস্ট গার্ডের কাছে বিপুল অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন।

ধারদেনা করে বনে আসা জেলেরা জানান, মাছ পাওয়ার আগেই দস্যুদের টাকা দিতে হচ্ছে। এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দস্যু দমন ও অপহৃতদের উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান চলছে। স্থানীয়রা দস্যুদের পাশাপাশি তাঁদের পেছন থাকা অর্থদাতা ও মদদদাতাদের চিহ্নিত করে আইনি আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

 

 

তালায় মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়ে ৫ বছরের শিশু আলভী হাসপাতালে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
তালায় মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়ে ৫ বছরের শিশু আলভী হাসপাতালে

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: তালার খেরসা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের প্রভাষক আসাদুজ্জামানের পাঁচ বছরের ছেলে আলভী রহমান ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মসজিদে মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়ে গ্লাসের আঘাতে মারাত্মক আহত হয়েছে।

নামাজ শেষে দ্রুত বাইরে বের হওয়ার সময় মসজিদের গ্লাসের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গ্লাস ভেঙে আলভীর পায়ের রগ কেটে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়।

মুসল্লিরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তালা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. বিপুল কান্তি ম-লের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাতে অ্যাম্বুলেন্সযোগে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।