শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

যাত্রা থেকে চলচ্চিত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
যাত্রা থেকে চলচ্চিত্র

এম শফিকুল ইসলাম

দুর্দান্ত প্রত্যাপে তাঁরা অভিনয় করতেন যাত্রা মঞ্চে জনপ্রিয়তাও পেয়েছিলেন যাত্রালোকে। পরে এক সময় এলেন চলচ্চিত্রে। এখানেও বেশ সুনাম কুড়ালেন। যদিও এমন শিল্পীর সংখ্যা খুব বেশি নয়। যার তারা থেকে চলচ্চিত্রে আসা কয়েকজন শিল্পীর কথা তুলে ধরছি আজকের সাহিত্য পাতার প্রকাশনীতে। যাত্রাশিল্পের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও যাত্রা গবেষক এম. এ মজিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিনেতা আনোয়ার হোসেন পঞ্চাশের দশকে জীবনে প্রথম যাত্রা মঞ্চে অভিনয় করেন ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা চরিত্র’। এ চরিত্রে অভিনয় করে এতটাই জনপ্রিয়তা লাভ করেন যে শেষ পর্যন্ত তিনি মুকুটহীন নবাব খ্যাতিতে ভূষিত হন। এরপর অসংখ্যবার তিনি নবাব চরিত্রে অভিনয় করে গেছেন। এছাড়াও আরও কয়েকটি যাত্রাপালায় অভিনয় করেন তিনি। পরে খান আতিউর রহমান পরিচালিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছবিতে ‘নবাব চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন।

 

১৯৫৯ সালে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ননী দাস নির্দেশিত ‘এক টুকরো জমি’ নাটকে এবং ১৯৬১ সালে মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন এবং চলচ্চিত্রের অভিনয়ে থিতু হন। অভিনেত্রী আনোয়ারা প্রথম জীবনে কয়েকটি যাত্রাপালায় অভিনয় করলেও সংখ্যায় তা বেশি ছিল না। আনোয়ারা নবাব সিরাজউদ্দৌলা যাত্রা পালায় আলেয়ার চরিত্রে অভিনয় করেন এবং সুখ্যাতি পান। পরে খান আতিউর রহমান পরিচালিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছবিতে আলেয়া চরিত্রে অভিনয় করেই প্রশংসিত হন। ১৯৬১ সালে আনোয়ারা ফজলুল হকের ‘আজান’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিনয় করেন। অভিনেতা আমির সিরাজী সত্তরের দশক থেকে যাত্রাপালায় অভিনয়ের মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন।

 

চলচ্চিত্রের নতুন মুখের সন্ধানের বিজ্ঞাপন দেখে তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকায় আসেন এবং এই প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ইবনে মিজানের ‘পাতাল বিজয়’। আমির সিরাজীর মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা মতিন রহমানের ‘রাধা কৃষ্ণ’। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সাত শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। শর্বরী দাসগুপ্ত একজন বলিষ্ঠ যার দ্বারা ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তাঁর প্রকৃত নাম রিনা রানি। ১৯৭০ সালে তিনি এ যাত্রা দল গীতাশ্রী অপেরায় অভিনয় জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো হলো-কেয়ামত, মনে পড়ে তোমাকে, বাবা কেন চাকর প্রভৃতি।

 

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে শর্বরী দাশগুপ্ত ২০১৭ সালের জিয়া গোল্ড মেডেল পদকে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে অঞ্জু ঘোষ ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ভোলানাথ অপেরার যাত্রার নৃত্য পরিবেশন করতেন ও গান গাইতেন। ১৯৮২ সালে এফ কবীর চৌধুরী পরিচালিত ‘সওদাগর’ সিনেমার মাধ্যমে অঞ্জুর চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। চলচ্চিত্রের অভিনয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। ১৯৯৬ সালে অঞ্জু কলকাতায় পাড়ি জামান। সেখানে চলচ্চিত্র ও যাত্রাপালায় নিয়মিত অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনেতা সিরাজ হায়দার একাধারে একজন মঞ্চ যাত্রা ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ছিলেন। ১৯৬২ সালে নবম শ্রেণীতে পরকালীন ‘টিপু সুলতান’ শিরোনামে নাটকে প্রথমবার অভিনয় করেন। আশির দশকের নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘সুখের সংসার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় সিরাজ হায়দারের।

 

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন, মঞ্চ ও যাত্রাপালায় অভিনয় করেছেন। প্রখ্যাত যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস এবং জ্যোৎনা বিশ্বাসের কন্যা অরুনা বিশ্বাস। তিনিও যাত্রাপালায় বাবা মার মতো অভিনয় করেন। এছাড়া মঞ্চ নাটকের ও তাঁর সফলতা ছিল। ১৯৮৬ সালের নায়করাজ রাজ্জাক পরিচালিত অরুনা বিশ্বাসের প্রথম সিনেমা ‘চাপা ডাঙ্গার বউ’। তার বিপরীতে ছিলেন বাপ্পারাজ। এরপর ‘দুর্নাম সম্মান ‘কৈফিয়ত, হাঙ্গর নদী গ্রেনেডসহ আরো বহু সিনেমায় অভিনয় করেন।

 

অরুনা বিশ্বাস অভিনেতা সুজনের প্রকৃত নাম পঙ্কজ বৈদ্য। তার জন্মস্থান চট্টগ্রাম। তিনি সত্তরের দশক থেকে চট্টগ্রামে যাত্রাপালা এবং মঞ্চ নাটকের জনপ্রিয়তার সঙ্গে অভিনয় করতেন। আশির দশকে তিনি চলচ্চিত্রে আসেন। প্রথমে পাশ্বচরিত্রে অভিনয় করতেন। নায়ক হিসাবে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হচ্ছে সিবি জামান পরিচালিত উজান ভাটি। তিনি প্রায় দুই ডজন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। সম্প্রতি স্যাটেলাইট চ্যানেল সমূহের কল্যাণে বাংলাদেশের নাটক ও যাত্রার উন্নতির হাওয়া বইছে। নাটক যাত্রার ক্ষেত্র যথেষ্ট প্রসার লাভ করছে। সারাদেশে অসংখ্য নাট্যগোষ্ঠী ও যাত্রা অপেরা গড়ে উঠেছে নিয়মিত মঞ্চস্থ ও চিত্রিত হচ্ছে। রেডিও টিভিতে নাটক যাত্রাপালা প্রচারিত হচ্ছে। বাংলা একাডেমী প্রতিবছর নাট্যকার ও পালাকারকে পুরস্কৃত করছে।

 

এছাড়া শিল্পকলা একাডেমী নাট্য উৎসবের আয়োজন করছে। দিন দিন নাটক ও যাত্রার দর্শক সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বর্তমান সময়ের নাট্যচর্চার আশিব্যঞ্জক অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। বাংলার লোকনাট্য ও লোক যাত্রা পালা মানুষের বিবেক জাগ্রত করার এক অনন্য শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে।

লেখক : সাংবাদিক ও নাট্যকার

 

Ads small one

আশাশুনির কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলে রাতের আঁধারে মাছ চুরি, ঘের মালিকদের উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলে রাতের আঁধারে মাছ চুরি, ঘের মালিকদের উদ্বেগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলের বিভিন্ন চিংড়ি ঘের থেকে রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে।

১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা একাধিক ঘেরে প্রবেশ করে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে ঘের মালিক আব্দুল মান্নান ও মাসুদ রেজাসহ অন্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দা রাখেদুল ইসলাম ও মাহমুদ আলী খান জানান, প্রতি বছরই এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকায় রাতের পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

গুড়পুকুরপাড়ে মনসা পূজা, মেলার অপেক্ষায় সাতক্ষীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
গুড়পুকুরপাড়ে মনসা পূজা, মেলার অপেক্ষায় সাতক্ষীরা

oplus_0

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনসা পূজা। ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) শহরের পলাশপোল এলাকার মনসাতলায় এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই পূজাস্থলে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভক্তরা ফুল, ফল ও বিভিন্ন উপাচার নিবেদন করে প্রার্থনা করেন।

মনসা পূজাকে কেন্দ্র করেই দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরায় বসে আসছে ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলা। একসময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা এ মেলায় আসতেন। নানা পণ্যের দোকানের পাশাপাশি মেলাটি পরিণত হতো মানুষের মিলনমেলায়। তবে ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বোমা হামলার পর দীর্ঘ সময় মেলার আয়োজন বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে আবার শুরু হলেও আগের সেই জৌলুস আর ফিরে আসেনি। গত বছরও মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে হলেও সাতক্ষীরার এই ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন আবারও চালু করা হোক। তাঁদের মতে, গুড়পুকুর মেলা শুধু একটি আয়োজন নয়, এটি সাতক্ষীরার ইতিহাস ও লোকজ সংস্কৃতির অংশ।

১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল গুড়পুকুর মনসাতলায় বটবৃক্ষের নিচে মনসা ও বিশ্বকর্মা পূজা শুরু হয়। একই সাথে দুটি পূজাকে কেন্দ্র করে এলাকাটি মহা মিলনমেলায় পরিণত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পলাশপোল গুড়পুকুর পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক গৌর দত্ত, সদস্যসচিব তপন হালদার, পলাশপোল মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার বসু, পুরোহিত পরিতোষ চক্রবর্তী, সহকারী পুরোহিত তাপস চক্রবর্তীসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা।

সাধারণত প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর কন্যা সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিনে বিশ্বকর্মা পূজা পালিত হয়। হিন্দু ধর্মের অন্যান্য পূজা চাঁদের গতির ওপর নির্ভর করে হলেও, বিশ্বকর্মা পূজা নির্ধারিত হয় সূর্যের গতির ওপর। কন্যা সংক্রান্তির দিন সূর্য সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি ভাদ্র সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিন। সাধারণত বাংলা পঞ্জিকার প্রথম পাঁচ মাস মিলিয়ে ১৫৬ দিন হয়, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর পড়ে। তাই প্রায় প্রতি বছরই এই দিনে দেবশিল্পীর আরাধনা করা হয়। তবে কোনো বছর মাসের দিনের তারতম্য হলে এটি ১৮ সেপ্টেম্বরও হতে পারে।

হিন্দু ধর্মালম্বীদের মতে, দেবশিল্পী ভগবান বিশ্বকর্মা হলেন মহাবিশ্বের প্রথম স্থপতি বা প্রকৌশলী। তিনি দেবতাদের নানা অস্ত্র, প্রাসাদ ও পুরীর জগন্নাথ মূর্তি নির্মাণ করেছিলেন। কারিগর, শিল্পী, শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা তাঁদের কাজের যন্ত্রাংশ, গাড়ি ও যন্ত্রপাতি পূজা করে জ্ঞান, দক্ষতা ও সমৃদ্ধি প্রার্থনা করেন।

সুন্দরবনে ফের বনদস্যু আতঙ্ক, জেলেদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে ফের বনদস্যু আতঙ্ক, জেলেদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়

এমএ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সুন্দরবনের দুয়ার খোলার পর আবারও বনদস্যুদের তৎপরতা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জেলে ও বনজীবীদের মধ্যে।

একদিকে দস্যুদের কয়েকটি বাহিনীর সদস্য অস্ত্রসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করছে, অন্যদিকে নতুন করে বিভিন্ন দস্যু দলের তৎপরতা এবং জেলেদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গত ১ সেপ্টেম্বর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনে জেলে ও বনজীবীদের প্রবেশ শুরু হয়। কিন্তু বনে যাওয়ার আগেই বিভিন্ন দস্যু বাহিনীকে নৌকাপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি চাঁদা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ জেলেদের। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা দেরি হলে গহিন বনের নদী-খালে হামলা, মারধর, জিম্মি ও মুক্তিপণ দাবির শিকার হতে হচ্ছে তাঁদের।

সম্প্রতি ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কাজল-মুন্না বাহিনীর হাতে এক জেলে অপহৃত হন। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর শ্যামনগর থানা-পুলিশ একই বাহিনীর তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং দুই জিম্মি জেলে ও ৭৪ হাজার টাকা উদ্ধার করে। অপরদিকে, ১০ সেপ্টেম্বর ‘নানা ভাই বাহিনী’র প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ জন দস্যু কোস্ট গার্ডের কাছে বিপুল অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন।

ধারদেনা করে বনে আসা জেলেরা জানান, মাছ পাওয়ার আগেই দস্যুদের টাকা দিতে হচ্ছে। এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দস্যু দমন ও অপহৃতদের উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান চলছে। স্থানীয়রা দস্যুদের পাশাপাশি তাঁদের পেছন থাকা অর্থদাতা ও মদদদাতাদের চিহ্নিত করে আইনি আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।