শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির হস্তক্ষেপে নীলডুমুরে দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসা
এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর এলাকায় রুবেল গং ও মহরম গংয়ের মধ্যে সৃষ্ট মারামারি ও বিরোধ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে মীমাংসা করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েক দিন আগে নীলডুমুর এলাকায় রুবেল গং ও মহরম গংয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে শ্যামনগর থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়।
বিরোধটি যাতে আরও জটিল আকার ধারণ না করে এবং স্থানীয়ভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে, সে লক্ষ্যে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উভয় পক্ষের লোকজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধটি মীমাংসা করা হয়।
মীমাংসা বৈঠকে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয় এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা পুনরায় না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ বিরোধ নিষ্পত্তিতে সম্মত হয় বলে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, বিরোধটি দীর্ঘায়িত না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় পর্যায়ে সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উদ্যোগ নেওয়ায় বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রশংসা করেন তারা।
মীমাংসা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম দুলু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ নাজমুল হক, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জিএম রুস্তম আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম হবি হেলাল উদ্দিন, ওহিদুজ্জামান, মোল্লা রেজাউল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, হোসেন আলী, আব্দুল হাই সরদার, ফাতেমা বেগম, আসাদুজ্জামান, উজ্জ্বলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার এই উদ্যোগের ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে এবং ভবিষ্যতে এলাকায় এ ধরনের সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।












