বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: আম্ফানের ছয় বছর ও প্রতাপনগরবাসীর দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: আম্ফানের ছয় বছর ও প্রতাপনগরবাসীর দাবি

দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা কীভাবে জনজীবনকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেয়, আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের বর্তমান চিত্র তার এক জ্বলন্ত দলিল। ২০২০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় আম্ফান এবং পরবর্তী সময়ে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর দীর্ঘ ছয় বছর কেটে গেলেও সেখানে ধ্বংসপ্রাপ্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট পুনর্নির্মিত হয়নি। ফলে ইউনিয়নের ৬টি গ্রামের প্রায় ২৮ হাজার মানুষকে আজও প্রতিদিন নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো ও নৌকার ওপর নির্ভর করে চলাচল করতে হচ্ছে। একটি উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য এই চিত্র কেবল অবহেলা নয়, বরং সার্বিক টেকসই উন্নয়ন ভাবনার মারাত্মক ঘাটতিকে স্পষ্ট করে তোলে।

প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে কুড়িকাহুনিয়া-গড়াইমহল খাল হয়ে কপোতাক্ষ নদের পুরোনো লঞ্চঘাট এবং সনাতনকাটি-নাকনা সংযোগ সড়কের চার কিলোমিটার পথ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর খাদের। যোগাযোগের এমন নজীরবিহীন ভঙ্গুরতার কারণে স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, জরুরি মুমূর্ষু রোগী ও বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের দুর্ভোগ এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। একটি জনপদে বছরের পর বছর শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকার এভাবে যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে বাধাগ্রস্ত হতে পারে না।

এই চরম ভোগান্তির পেছনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (াউবো) মধ্যকার প্রশাসনিক লালফিতার দৌরাত্ম্য ও সমন্বয়হীনতা মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। পাউবোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া কিংবা অনাপত্তিপত্রের (এনওসি) অপেক্ষায় প্রকল্পের কাজ আটকে থাকার যে অজুহাত দেওয়া হচ্ছে, তা দেশের দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের জরুরি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার সঙ্গে মোটেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সমন্বিত সরকারি উদ্যোগের অভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা বছরের পর বছর স্থবির হয়ে আছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হচ্ছে। কেবল ত্রাণ কিংবা অস্থায়ী সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে এই এলাকার স্থায়ী সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। দরকার টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, যেখানে এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত ও জরুরি পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে। প্রতাপনগরের হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের ইতি টানতে কপোতাক্ষ ও গড়াইমহল খালের সংযোগ সড়ক দ্রুত পুনর্নির্মাণ এবং টেকসই কালভার্ট ও সেতু তৈরির কার্যক্রম অবিলম্বে শুরু করা প্রয়োজন। প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে উপকূলীয় মানুষের মৌলিক যাতায়াত অধিকারকে আর আটকে রাখা সমীচীন হবে না।

 

Ads small one

ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারখানা মালিকের জেল ও জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারখানা মালিকের জেল ও জরিমানা

তালায় নকল সার ও কীটনাশক কারখানায় র‌্যাবের অভিযান

বি. এম. জুলফিকার রায়হান, তালা: সাতক্ষীরার তালায় নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-৬ বিপুল পরিমানে ভেজাল ও নকল রাসায়নিক কীটনাশক, ওষুদসহ প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ করেছে। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতে কারখানা মালিক মশিয়ার রহমানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ১ মাসের কারাদন্ড এবং জরিমানা অনাদায়ের আরও ১৫দিনের কারাদন্ড প্রদানসহ ভেজাল কৃষি উপকরণ ধ্বংস করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে র‌্যাবের ্েকটি টিম উপজেলার তৈতুলিয়া ইউনিয়নের লাউতাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে নকল ওষুদ ও মালামাল জব্দ করার পর ভ্রাম্যমান আদালত সেখানে পৌছে ঘটনার সত্যতা পেয়ে এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

জানা গেছে, র‌্যাব-৬, সিপিসি-১, সাতক্ষীরা এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) জাইন উদ্দিন মোহাম্মদ যিয়াদ’র নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল এদিন সকালে তালার লাউতাড়া গ্রামে মশিয়ার রহমান মোড়লের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে মশিয়ারের বসত বাড়ি, গোয়াল ঘর, ধানের গোলাঘর ও বাগানের মধ্যে পরিত্যাক্ত একটি বসতবাড়িতে তল্লাশি করে বিপুল পরিমান নকল ওষুধ, কীটনাশক ও রাসায়নিক কেমিক্যালসহ সেগুলো বাজারজাত করার জন্য ঢাকা ও গাজাীপুর অঞ্চলের ঠিকানা ব্যবহার করা কার্ডন প্লাস, নেচার অ্যান্ড কেয়ার অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেডের ক্যাটলিন, এবিসি এগ্রোভেট ডিভিশনের সুলবেন, আল-কেমি কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ফিস কার্ব, পাওয়ার শট, এমি-টপ, পাইডিনো প্লাস, উইনকডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কৃষি পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিাকানা সম্বলিত প্লাস্টিকের কৌটা, প্যাকেট ও মোড়ক উদ্ধার করে। এঘটনায় তৎক্ষাত র‌্যাব সদস্যরা মশিয়ার রহমানকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে আটক করে। ধৃত মশিয়ার রহমান লাউতাড়া গ্রামের মৃত ইমান আলী মোড়লের ছেলে এবং লাউতাড়া বাজারে তার মেসার্স জাকির ট্রেডার্স নামের একটি সার ও ওষুদের দোকান রয়েছে।

অভিযান শেষে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমান বালাই নাশক আইনে মশিয়ার রহমানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং এক মাসের কারাদ- দেওয়া হয়। আর জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫দিনের জেলসহ জব্দকৃত ভেজাল কৃষি উপকরণ ধ্বংসের আদেশ দেয়া হয়।

র‌্যাব’র কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) জাইন উদ্দিন মোহাম্মদ যিয়াদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মশিয়ারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে নকল ও ভেজাল সার, ওষুদ, কীটনাশক ও এসব তৈরি রাসায়নিক উপকরনসহ বিভিন্ন কৃষি পন্য জব্দ করা হয়। এসব নকল পণ্য বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির মোড়ক ব্যবহার করে বাজারজাত করা হতো। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্দেশে নকল এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি বলেন, নকল ও ভেজাল পণ্য উৎপাদন এবং বাজারজাতের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এসময় তালা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জি.এম. শাওন জানান, মেসার্স জাকির ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী এবং মশিয়ার রহমান বিসিআইসি সারের সাব-ডিলার পরিচয় দিলেও তার কোনও লাইসেন্স নেই। অবৈধ ভাবে তিনি সার ও কীটনাশকের ব্যবসা পরিচালনা করাসহ নকল ও ভেজাল কৃষি ওষুদ এবং কীটনাশক উৎপাদন করছিল। নকল ও ভেজাল কৃষি উপকরণ ব্যবহারের ফলে ফসলের উৎপাদন ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। কৃষি উপকরণের মান নিশ্চিত করতে এবং নকল-ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

থানা সূত্রে জানা গেছে, দন্ডাদেশ প্রাপ্ত মশিয়ার রহমানকে এদনি সাতক্সীরা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে এবং জব্দকৃত ভেজাল ও নকল কৃষি উপকর ধ্বংস করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মশিয়ার রহমান সরদার লাউতাড়া এলাকায় বসবাসকারী কেশবপুর এলাকার এক চিহ্নিত প্রতারক জাহাঙ্গীর আলমের সহযোগীতায় প্রায় ১৮ বছর ধরে নিজ বাড়িতে নকল ও ভেজাল কীটনাশক, ওষুধ ও সার তৈরি করে বাজারজাত করে আসছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

 

বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার ঠেকাতে আমদানিতে কঠোর নজরদারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার ঠেকাতে আমদানিতে কঠোর নজরদারি

এম শফিকুল ইসলাম: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের স্থল ও সামুদ্রিক বন্দরগুলো দিয়ে বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার ও অবৈধ অর্থ স্থানান্তর ঠেকাতে আমদানিতে নজরদারি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বা তার বেশি মূল্যের আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র (এলসি) খোলার অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। সে ক্ষেত্রে অর্থদ-ের পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও রয়েছে বলে কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা গেছে।

ভোমরা সোনালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপকের ভাষ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এ আমদানিকারক, বিদেশি রপ্তানিকারক, পণ্যের বিবরণ, মূল্য ও বাণিজ্যিক নথিপত্র নিবিড়ভাবে যাচাইয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বড় অঙ্কের এলসি খোলার আগেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরাসরি তদারকিতে আসবে, যা অর্থ পাচার রোধের পাশাপাশি আমদানিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াবে।

সংশ্লিষ্ট সার্কুলারে বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধিবিধান সমন্বয় করার পাশাপাশি বড় অঙ্কের এলসি খোলা, নথিপত্র সংরক্ষণ ও রিপোর্টিংয়ের বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য স্পষ্ট করণীয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

ভোমরা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার এ কে এম জামিউল আলম জানান, প্রশাসনিক দপ্তর থেকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের খোলা এলসি যাচাইসহ অনলাইনে আমদানি তদারকি ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার ও কমিশনারের মতে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বড় অঙ্কের আমদানির ক্ষেত্রে পণ্যমূল্য বাড়িয়ে দেখানো (ওভার ইনভয়েসিং), ভুল পণ্যের বিবরণ উপস্থাপন এবং বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার রোধ করা। কোনো পণ্যের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অস্বাভাবিক দাম দেখিয়ে টাকা বিদেশে পাঠানো হচ্ছে কি না, তা এলসি খোলার আগেই যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকের পরিচয়, পণ্যের দাম এবং নথিপত্র পরীক্ষার এই তিন স্তরের নজরদারি কার্যকর হলে অর্থ পাচারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।

আগামী ইউপি নির্বাচনে আগরদাড়ী চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
আগামী ইউপি নির্বাচনে আগরদাড়ী চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

সেলিম হোসেন: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজনের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাশেমপুর গ্রামের মৃত রহমান সানার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালি, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান কবির হোসেন মিলন এবং আগরদাড়ী এলাকার মারুফ হাসান।

স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন কি না, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে স্থানীয় নেতা