মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সরকারি কাজে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
সরকারি কাজে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

শ্যামনগরে নদী রক্ষা বাঁধ প্রকল্প হুমকির মুখে
পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীভাঙন প্রতিরোধ ও বাঁধ সুরক্ষা প্রকল্প বন্ধের মুখে পড়েছে। স্থানীয় এক ইউপি চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বারবার কাজ বন্ধ করা, মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির দাবি জানিয়ে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) প্রকল্প পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম হাজী মো. নজরুল ইসলাম। তিনি শ্যামনগর উপজেলার ৯নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, খোলপেটুয়া, মালঞ্চ ও কালিন্দী নদীর তীররক্ষা এবং বাঁধ সংস্কারের এই প্রকল্পের প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। পোল্ডার-৫ এলাকার পূর্ব দুর্গাবাটি, পশ্চিম দুর্গাবাটি, দাতিনাখালী ও ঝাপালিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং ও সিসি ব্লক স্থাপনের কাজ করছে ‘ডিএল-উন্নয়ন (জেভি)’ ও ‘ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড’-এর পক্ষে সাব-ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘আর-রাদ করপোরেশন’।
গত ১৩ মে জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো একাধিক পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে বলা হয়, শুরু থেকেই চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম কাজ বন্ধ করতে নানা চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর তিনি সরাসরি প্রকল্প কার্যালয়ে গিয়ে বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে অফিস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও যন্ত্রপাতি নষ্ট করার হুমকি দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিয়ে এর আগে সেনাবাহিনী ক্যাম্প, জেলা প্রশাসন ও থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলেও কোনো কার্যকর প্রতিকার মেলেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় মানববন্ধনের নামে একদল বহিরাগত ও স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে প্রকল্প এলাকায় চড়াও হন চেয়ারম্যান। সেখানে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের মারধরের পাশাপাশি একটি স্কেভেটর (মাটি কাটার যন্ত্র) চালক ও তার সহকারীকে ভেতরে আটকে রেখে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার পর থেকে শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেকেই কাজ ছেড়ে চলে গেছেন।
আর-রাদ করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সবুজ আলী খান অভিযোগ করেন, “চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্প পরিদর্শনে গেলে চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে আমার কাছে ১২ লাখ টাকা কমিশন (চাঁদা) দাবি করা হয়। টাকা না দেওয়ায় এখন শ্রমিক ও সাব-ঠিকাদারদের হুমকি দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুরো প্রকল্প এখন ঝুঁকির মুখে।”
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল নির্মাণাধীন বাঁধের একাংশ ভেঙে ফেলে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলেও থানায় অভিযোগ করেছিল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “সরকারি সামাজিক বনায়নের জায়গায় অবৈধভাবে ব্লক নির্মাণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরিবেশ রক্ষার স্বার্থেই আমি এলাকাবাসীকে নিয়ে বাধা দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনা চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের।”
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, বর্ষা মৌসুমের আগে সিসি ব্লক ও বাঁধ সুরক্ষার কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানিতে বিস্তূর্ণ এলাকা প্লাবিত হবে। জনবসতি ও কৃষিজমি বিলীন হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা জাইকার কাছে বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণœ হবে।
যোগাযোগ করা হলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন জানান, বিষয়টি তারা মুখে শুনলেও এখনো দাপ্তরিকভাবে লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস. এম. রাজু আহমেদ বলেন, “নতুন পুলিশ সুপার যোগদান করেছেন, বিষয়টি এখনো আমাদের নজরে আসেনি। তবে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের স্বার্থে জেলা পুলিশ সব ধরনের সহযোগিতা করবে।”

Ads small one

সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটি বিশাল আকৃতির গরু-‘লাল বাহাদুর’। ব্যতিক্রমী আকার ও দৃষ্টিনন্দন গড়নে ইতোমধ্যেই ক্রেতাদের নজর কেড়েছে এই গরুটি।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার কোমরপুর খামারবাড়িতে লালন-পালন করা হয়েছে ‘লাল বাহাদুর’ নামের এই গরুটি। কয়েক বছর ধরে যতœ আর বিশেষ খাবারে বড় করা হয়েছে তাকে।

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস আলফার প্রচেষ্টায় কোমরপুর এলাকায় গড়ে তোলা হয় এই খামারটি। যেখানে ৪টি পরিবারের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। খামারে কর্মরত এসব ব্যক্তিরা গরু দেখভাল করে তাদের পরিবার নির্বাহ করে আসছেন কয়েকবছর ধরে।

খামারে নিয়োজিত কর্মচারীরা জানালেন, প্রাকৃতিক খাবার ও যতেœই বড় করা হয়েছে এই খামারের সকলগরু। এখানে কোনো ধরনের ক্ষতিকর খাবার বা কোন কিছু ব্যবহার করা হয়নি। খড়, খাস, গমের ভূসি, ভুট্টা খাওয়ানো হয় এই খামারের গরুকে। ফলে এসব গরু দেখতে অনেকটা দেশীয় গরুর মত।

খামারে নিয়োজিত দায়িত্বপ্রাপ্ত আরেক কর্মচারী জানালেন, এখানে ২শ টি গরুর জন্য খামার তৈরী করা হয়েছে। বর্তমানে ৪০টি কুরবানির জন্য বিক্রি উপযোগী গরু রয়েছে। যার মধ্য আকর্ষণীয় লাল বাহাদুর। যার দাম ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২/৩ লাখ টাকার মধ্যে দাম চাওয়া হচ্ছে বাকি গরুর।

এদিকে, কুরবানির ঈদ ঘিরে বিশাল আকৃতি আর আকর্ষণীয় গড়নের কারণে ‘লাল বাহাদুর’ এখন সাতক্ষীরার কুরবানির বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দাম নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন এর ক্রেতা-সেদিকেই নজর সবার।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: এফ.এম. মান্নান কবীর বলছেন, জেলায় ১২ হাজার ৮৯৪টি খামারে পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এসব খামারে ৪৯ হাজারের বেশি গরু, ৪৪ হাজারের বেশি ছাগল এবং ৬ হাজারের বেশি ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু লালন-পালন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও কুরবানির বাজারে বড় গরু নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ। ‘লাল বাহাদুর’ কত দামে বিক্রি হয়-এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

 

শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক চিংড়ি ঘেরে হামলা চালিয়ে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। সোমবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর পল্লীতে নৃশংস এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো মেহেরুন্নেছা বেগম (৪০), মরিয়ম বিবি (৪৫), পারভীন আক্তার (২৪), খাদিজা আক্তার (২৬), গোলাম বারী (৫২), মনিরুল ইসলাম (৪৪), রবিউল ইসলাম (৩০) ও আলমগীর হোসেন (৩৩)।

চিংড়িঘেরের মাছ লুটে বাঁধা পেয়ে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল এবং তার ভাই সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তোভোগীদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মনিরুল ইসলামের ভাষ্য রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিগত সরকারের সময়ে তাদের স্বত্ত্ব দখলীয় জমি আনারুলের পরিবার দখল করে নেয়। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর আনারুলসহ তার সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে গেলে নিজেদের ফিরে পাওয়া সে জমিতে তারা চিংড়ি চাষ করে।

 

সম্প্রতি আনারুল ও তার পরিবারের পুরুষ সদস্যরা এলাকায় ফিরে উক্ত চিংড়িঘের দখলের হুমকি দিয়ে আসছিল।
মনিরুল জানায়, সোমবার রাতে আনারুল, সিরাজুল ও শাহিনের নেতৃত্বে আজিজুল, রাশিদুল, আলামিন, দেলওয়ার, ইদ্রিস, সিরাজুল, মাজেদ, ময়নুদ্দীন, আব্দুল্লাহ, সাইদুলসহ ২২/২৩ জন তাদের চিংড়িঘেরে হামলা চালিয়ে মাছ লুটের চেষ্টা করে। এসময় ঘের পাহারার দায়িত্বে থাকা গোলাম বারী ও রবিউল বাঁধা দিতে গেলে তাদের দু’জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের নারী সদস্যসহ অন্যরা এগিয়ে এলে হামলায় জড়িতরা ধারালো দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাদেরও রক্তাক্ত করে। একপর্যায়ে খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গ্রামবাসীদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি পৌছে দেয়।

অভিযুক্ত আনারুল জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রতিপক্ষ তাদের অনুকুলে রেকর্ড হওয়া উক্ত জমি দখল করে নিয়ে মাছ ছাড়ে। নিজেদের মালিকানাধীন জমি উদ্ধার করতে যেয়ে বাঁধার মুখে পড়লে দু’পক্ষ সংঘর্ষ হয়। নিজেরা শরীরে জখম তৈরী করে মনিরুল ও তার লোকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলেও তার দাবি।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান, পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌছে দিয়েছিল। এঘটনায় আহত মনিরুল সোমবার রাতে থানায় এজাহার জমা দিয়েছে। হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনাসহ মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী শিশু ও কিশোরদের দক্ষতাবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘দক্ষতা প্রশিক্ষণ পরিষেবা প্রদানকারীদের’ সাথে এক অ্যাডভোকেসি (সুপারিশ) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে আশাশুনি ‘পাথেয় ট্রেনিং সেন্টারে’ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’ এই সভার আয়োজন করে। নেদারল্যান্ডসের ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে এবং ‘সেন্টার ফর ডিজেবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট’ (সিডিডি)-এর সহযোগিতায় ‘ম্যাপিং সিবিআর’ প্রকল্পের আওতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা জানান, প্রকল্পের আওতাধীন উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৯০০ প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর রয়েছে। এদের পরিবার বা সমাজের বোঝা না ভেবে ন্যূনতম কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে আইডিয়াল। প্রকল্পের ইউসুফ আলীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মো. সাইজুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন।