মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সুন্দরবনে ‘বনরক্ষীদের গুলিতে’ জেলের মৃত্যু, বন কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর, বিজিবি মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে ‘বনরক্ষীদের গুলিতে’ জেলের মৃত্যু, বন কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর, বিজিবি মোতায়েন

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় কাঁকড়া ধরার সময় বনবিভাগের টহল দলের ছোড়া গুলিতে আমিনুর রহমান (৪৫) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৮ মে) সকালে সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জের পাটকোস্টার ঝিলে (শতমুখি খাল) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমিনুর সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা গ্রামের মৃত আকছেদ আলী গাজীর ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক ছিলেন।

এদিকে বনরক্ষীদের গুলিতে জেলে নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে বিকেল চারটার দিকে দুই শতাধিক বিক্ষুব্ধ বনজীবী দলবদ্ধ হয়ে বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কার্যালয়ে হামলা চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহত আমিনুরের সহযোগী জেলে আহম্মদ মোড়ল জানান, তিন দিন আগে বনবিভাগের কাছ থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে দুটি নৌকায় করে তারা চারজন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যান। সোমবার সকাল সাতটার দিকে খুলনা রেঞ্জের পাটকোস্টার ঝিলে এলাকায় নৌকায় বসে তারা কাঁকড়া শিকার করছিলেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে বনবিভাগের খুলনা স্মার্ট পেট্রোল টিমের সদস্যরা তাদের ডাক দেন। এতে ভয় পেয়ে জেলেরা সাড়া না দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পেছন থেকে এক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আমিনুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। পরবর্তীতে দুপুর একটার দিকে সহযোগীরা তার মরদেহ নিয়ে এলাকায় ফিরে আসেন।

এদিকে জেলে নিহতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ বনজীবীরা বিকেল চারটার দিকে সাতক্ষীরা রেঞ্জ অফিস ও পার্শ্ববর্তী বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন অফিসে চড়াও হন। তারা প্রায় ৪০ মিনিট ধরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সীমানা বেড়া ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। হামলায় একজন ফরেস্টারসহ পাঁচজন বনকর্মী আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেনÑফরেস্টার শেখ মো. ফারুক আহমেদ (৫৫), বনরক্ষী মো. মেজবাউল ইসলাম (৪৫), ফায়জুর রহমান (৪০), আজাদুল ইসলাম (৪২) ও স্বেচ্ছাসেবক এখলাছুর রহমান (২৭)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুর রহমান জানান, হামলার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তারা আগেই প্রশাসনকে অবহিত করেছিলেন। পরে পুলিশ ও বিজিবি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পাশাপাশি নীলডুমুর ১৭ ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্যরা টহল দিচ্ছেন।

নীলডুমুর ১৭ ব্যাটালিয়নের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ফরিদুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক নূর হোসেনের নেতৃত্বে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিজিবির এই টহল কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানা গেছে।

গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জলদস্যুরা সুন্দরবনজুড়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করলেও বনবিভাগ বা কোস্টগার্ড তাদের টিকিটি ছুঁতে পারছে না। অথচ নিরীহ জেলেদের ওপর গুলি চালিয়ে লাখ লাখ বনজীবীর মনে ভীতি ছড়ানো হচ্ছে।” তিনি ইতিমধ্যে খুলনার ডিএফও, সাতক্ষীরার এসিএফ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বিষয়টি জানিয়েছেন।

জানতে চাইলে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান বলেন, “বর্তমানে সুন্দরবনে দস্যু দমনে বনবিভাগ ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযান চলছে। ঘটনাটি খুলনা রেঞ্জে ঘটেছে। প্রকৃতপক্ষে কাদের গুলিতে ওই জেলের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে তদন্তে কোনো বনরক্ষীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে অবশ্যই প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক বলেন, “গুলিতে এক বনজীবী নিহতের ঘটনায় উপকূলীয় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, যা থেকে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটি বিশাল আকৃতির গরু-‘লাল বাহাদুর’। ব্যতিক্রমী আকার ও দৃষ্টিনন্দন গড়নে ইতোমধ্যেই ক্রেতাদের নজর কেড়েছে এই গরুটি।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার কোমরপুর খামারবাড়িতে লালন-পালন করা হয়েছে ‘লাল বাহাদুর’ নামের এই গরুটি। কয়েক বছর ধরে যতœ আর বিশেষ খাবারে বড় করা হয়েছে তাকে।

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস আলফার প্রচেষ্টায় কোমরপুর এলাকায় গড়ে তোলা হয় এই খামারটি। যেখানে ৪টি পরিবারের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। খামারে কর্মরত এসব ব্যক্তিরা গরু দেখভাল করে তাদের পরিবার নির্বাহ করে আসছেন কয়েকবছর ধরে।

খামারে নিয়োজিত কর্মচারীরা জানালেন, প্রাকৃতিক খাবার ও যতেœই বড় করা হয়েছে এই খামারের সকলগরু। এখানে কোনো ধরনের ক্ষতিকর খাবার বা কোন কিছু ব্যবহার করা হয়নি। খড়, খাস, গমের ভূসি, ভুট্টা খাওয়ানো হয় এই খামারের গরুকে। ফলে এসব গরু দেখতে অনেকটা দেশীয় গরুর মত।

খামারে নিয়োজিত দায়িত্বপ্রাপ্ত আরেক কর্মচারী জানালেন, এখানে ২শ টি গরুর জন্য খামার তৈরী করা হয়েছে। বর্তমানে ৪০টি কুরবানির জন্য বিক্রি উপযোগী গরু রয়েছে। যার মধ্য আকর্ষণীয় লাল বাহাদুর। যার দাম ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২/৩ লাখ টাকার মধ্যে দাম চাওয়া হচ্ছে বাকি গরুর।

এদিকে, কুরবানির ঈদ ঘিরে বিশাল আকৃতি আর আকর্ষণীয় গড়নের কারণে ‘লাল বাহাদুর’ এখন সাতক্ষীরার কুরবানির বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দাম নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন এর ক্রেতা-সেদিকেই নজর সবার।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: এফ.এম. মান্নান কবীর বলছেন, জেলায় ১২ হাজার ৮৯৪টি খামারে পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এসব খামারে ৪৯ হাজারের বেশি গরু, ৪৪ হাজারের বেশি ছাগল এবং ৬ হাজারের বেশি ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু লালন-পালন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও কুরবানির বাজারে বড় গরু নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ। ‘লাল বাহাদুর’ কত দামে বিক্রি হয়-এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

 

শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক চিংড়ি ঘেরে হামলা চালিয়ে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। সোমবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর পল্লীতে নৃশংস এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো মেহেরুন্নেছা বেগম (৪০), মরিয়ম বিবি (৪৫), পারভীন আক্তার (২৪), খাদিজা আক্তার (২৬), গোলাম বারী (৫২), মনিরুল ইসলাম (৪৪), রবিউল ইসলাম (৩০) ও আলমগীর হোসেন (৩৩)।

চিংড়িঘেরের মাছ লুটে বাঁধা পেয়ে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল এবং তার ভাই সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তোভোগীদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মনিরুল ইসলামের ভাষ্য রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিগত সরকারের সময়ে তাদের স্বত্ত্ব দখলীয় জমি আনারুলের পরিবার দখল করে নেয়। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর আনারুলসহ তার সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে গেলে নিজেদের ফিরে পাওয়া সে জমিতে তারা চিংড়ি চাষ করে।

 

সম্প্রতি আনারুল ও তার পরিবারের পুরুষ সদস্যরা এলাকায় ফিরে উক্ত চিংড়িঘের দখলের হুমকি দিয়ে আসছিল।
মনিরুল জানায়, সোমবার রাতে আনারুল, সিরাজুল ও শাহিনের নেতৃত্বে আজিজুল, রাশিদুল, আলামিন, দেলওয়ার, ইদ্রিস, সিরাজুল, মাজেদ, ময়নুদ্দীন, আব্দুল্লাহ, সাইদুলসহ ২২/২৩ জন তাদের চিংড়িঘেরে হামলা চালিয়ে মাছ লুটের চেষ্টা করে। এসময় ঘের পাহারার দায়িত্বে থাকা গোলাম বারী ও রবিউল বাঁধা দিতে গেলে তাদের দু’জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের নারী সদস্যসহ অন্যরা এগিয়ে এলে হামলায় জড়িতরা ধারালো দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাদেরও রক্তাক্ত করে। একপর্যায়ে খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গ্রামবাসীদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি পৌছে দেয়।

অভিযুক্ত আনারুল জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রতিপক্ষ তাদের অনুকুলে রেকর্ড হওয়া উক্ত জমি দখল করে নিয়ে মাছ ছাড়ে। নিজেদের মালিকানাধীন জমি উদ্ধার করতে যেয়ে বাঁধার মুখে পড়লে দু’পক্ষ সংঘর্ষ হয়। নিজেরা শরীরে জখম তৈরী করে মনিরুল ও তার লোকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলেও তার দাবি।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান, পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌছে দিয়েছিল। এঘটনায় আহত মনিরুল সোমবার রাতে থানায় এজাহার জমা দিয়েছে। হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনাসহ মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী শিশু ও কিশোরদের দক্ষতাবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘দক্ষতা প্রশিক্ষণ পরিষেবা প্রদানকারীদের’ সাথে এক অ্যাডভোকেসি (সুপারিশ) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে আশাশুনি ‘পাথেয় ট্রেনিং সেন্টারে’ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’ এই সভার আয়োজন করে। নেদারল্যান্ডসের ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে এবং ‘সেন্টার ফর ডিজেবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট’ (সিডিডি)-এর সহযোগিতায় ‘ম্যাপিং সিবিআর’ প্রকল্পের আওতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা জানান, প্রকল্পের আওতাধীন উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৯০০ প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর রয়েছে। এদের পরিবার বা সমাজের বোঝা না ভেবে ন্যূনতম কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে আইডিয়াল। প্রকল্পের ইউসুফ আলীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মো. সাইজুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন।