সাতক্ষীরার বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে দেশি মাছ ও নিত্যপণ্য
এম শফিকুল ইসলাম: সাতক্ষীরার স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে দেশি মাছসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। মাছের খাদ্য, উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারের সব ধরনের মাছই উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় ভোমরা বন্দর কাঁচাবাজারসহ মাহমুদ, শাঁখরা ও ভাড়ুখালি বাজারে দেখা গেছে, নদী-নালা ও প্রাকৃতিক উৎসে মাছ কমে যাওয়ায় আড়ত থেকে বেশি দামে মাছ কিনতে হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। উচ্চ দামের কারণে নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো তুলনামূলক কম দামি পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছের দিকে ঝুঁকছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি পাবদা কেজিপ্রতি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ও মাগুর ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, চিতল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ আকারভেদে ৬০০ থেকে ২,২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অন্যদিকে চাষের রুই ও কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা, কৈ ২৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় চালের বাজারে নাজিরশাইল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, পাইজাম ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা, স্বর্ণা ও চায়না ইরি ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা এবং মিনিকেট ৮০ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা সুগন্ধি চালের দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা।
সবজির মধ্যে পটোল ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙে ও চিচিঙা ৩০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, আলু ২৪ থেকে ২৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মসুর ডাল মোটা ৯০ থেকে ১০০ টাকা ও চিকন ১৬০ টাকা কেজি।
আমিষের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, সোনালী ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের লাল ডিমের ডজন ১৫৬ টাকা এবং হাঁসের ডিম ১৮০ টাকায় ঠেকেছে।









