শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

এজিএআরওপির স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী আশেক-ই-এলাহী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
এজিএআরওপির স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী আশেক-ই-এলাহী

পত্রদূত ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রবীণ মানবাধিকারকর্মী আশেক-ই-এলাহী ২০২৬ সালে প্রবীণ মানুষের অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোটের (এজিএআরওপি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলের প্রবীণ মানুষের অধিকার ও অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।

৭১ বছর বয়সী আশেক-ই-এলাহী ২১ বছর বয়স থেকে মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুক্ত। তিনি বাংলাদেশের মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, আদি যমুনা নদী বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি এবং জলবায়ু পরিষদের সদস্যসচিব। পাশাপাশি তিনি সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক।

২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রবীণ মানুষের অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোটটি বিশ্বের প্রায় ৮৫টি দেশের ৪০০-এর বেশি সদস্যকে নিয়ে কাজ করছে। প্রবীণদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাঁদের মতামত ও অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সংস্থাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে।

আশেক-ই-এলাহী মনে করেন, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো জলবায়ুজনিত ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও অধিকার আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী আলোচনায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে চান তিনি।

তিনি বলেন, “নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, আমি প্রবীণ মানুষের পাশে থাকব। বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের প্রবীণ মানুষের মানবাধিকার, মর্যাদা, স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাব।”

তাঁর প্রত্যাশা, আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের উপকূলীয় প্রবীণ মানুষের সমস্যা ও অধিকার বিশ্বপর্যায়ে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

 

Ads small one

তালায় সবুজ বাংলা সিআইজি কৃষক ফসল সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
তালায় সবুজ বাংলা সিআইজি কৃষক ফসল সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় উৎসবমুখর পরিবেশে সবুজ বাংলা সিআইজি কৃষক ফসল সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা করপোরাল রফিকুল ইসলাম খাঁ, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শিক্ষক শ্যামল চৌধুরী এবং কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন মো. মিজানুর রহমান গাজী।

সমিতির মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের সংগঠিত করে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন। এ লক্ষ্যে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিনিময়, উৎপাদন খরচ কমানো, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সম্মিলিতভাবে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে এ ধরনের সংগঠন ভূমিকা রাখে।

নবনির্বাচিত কমিটির মাধ্যমে সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

আশাশুনিতে জমি নিয়ে বিরোধ, শাবলের আঘাতে আহত ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জমি নিয়ে বিরোধ, শাবলের আঘাতে আহত ২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার নাকনা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে শাবলের আঘাতে দুজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাকনা গ্রামের মাফুয়ার রহমান ও মাকসুদুর রহমান নাকনা মৌজায় ক্রয়সূত্রে ১৬ দশমিক ৮০ শতক জমির মালিক। অভিযোগে বলা হয়েছে, জমিটি তাঁদের নামে নামজারি করা রয়েছে। এ জমি নিয়ে খাদিজা খাতুন (নাকনা), আব্দুস সালাম মোড়ল (নওয়াবেকী) এবং রাকিব ও সাকিব হোসেনের (নাকনা) সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, খাদিজা খাতুনের পারিবারিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাঁকে তাঁদের জমির ০.০৩ শতক অংশে বসবাসের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। জমির অন্য অংশ ইজারা দেওয়া হলে ইজারাগ্রহীতারা প্রায় সাত থেকে আট বছর ধরে সেখানে চাষাবাদ ও ভোগদখল করে আসছেন। তবে বিবাদীরা ইজারাগ্রহীতাদের জমি ভোগদখলে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৩ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে বিবাদীরা মাকসুদুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী খায়রুন্নেছাকে শাবল দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁরা রক্তাক্ত জখম হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় অন্যদেরও ঘটনাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজেদের জানমাল ও জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে বৃহৎ কর্মসূচির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে বৃহৎ কর্মসূচির প্রস্তুতি সভা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সুন্দরবনে বনদস্যুদের নির্যাতন, জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় এবং বনজীবীদের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদে বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোরায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সুন্দরবননির্ভর জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বনদস্যুদের তৎপরতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ও গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন লিটন।

বক্তারা বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির অন্যতম প্রধান অবলম্বন। এ বনের ওপর নির্ভর করে হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়াল জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু বনদস্যুদের ভয় ও নির্যাতনের কারণে তাঁদের জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সুন্দরবনে কাজ করতে গিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বনজীবীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

তাঁরা আরও বলেন, সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে শুধু প্রতিবাদ সভা নয়, সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা জোরদার এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

সভায় বনজীবীদের নিরাপত্তা ও বনদস্যুদের বিরুদ্ধে বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা সুন্দরবননির্ভর মানুষের জীবিকা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।