মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটি বিশাল আকৃতির গরু-‘লাল বাহাদুর’। ব্যতিক্রমী আকার ও দৃষ্টিনন্দন গড়নে ইতোমধ্যেই ক্রেতাদের নজর কেড়েছে এই গরুটি।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার কোমরপুর খামারবাড়িতে লালন-পালন করা হয়েছে ‘লাল বাহাদুর’ নামের এই গরুটি। কয়েক বছর ধরে যতœ আর বিশেষ খাবারে বড় করা হয়েছে তাকে।

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস আলফার প্রচেষ্টায় কোমরপুর এলাকায় গড়ে তোলা হয় এই খামারটি। যেখানে ৪টি পরিবারের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। খামারে কর্মরত এসব ব্যক্তিরা গরু দেখভাল করে তাদের পরিবার নির্বাহ করে আসছেন কয়েকবছর ধরে।

খামারে নিয়োজিত কর্মচারীরা জানালেন, প্রাকৃতিক খাবার ও যতেœই বড় করা হয়েছে এই খামারের সকলগরু। এখানে কোনো ধরনের ক্ষতিকর খাবার বা কোন কিছু ব্যবহার করা হয়নি। খড়, খাস, গমের ভূসি, ভুট্টা খাওয়ানো হয় এই খামারের গরুকে। ফলে এসব গরু দেখতে অনেকটা দেশীয় গরুর মত।

খামারে নিয়োজিত দায়িত্বপ্রাপ্ত আরেক কর্মচারী জানালেন, এখানে ২শ টি গরুর জন্য খামার তৈরী করা হয়েছে। বর্তমানে ৪০টি কুরবানির জন্য বিক্রি উপযোগী গরু রয়েছে। যার মধ্য আকর্ষণীয় লাল বাহাদুর। যার দাম ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২/৩ লাখ টাকার মধ্যে দাম চাওয়া হচ্ছে বাকি গরুর।

এদিকে, কুরবানির ঈদ ঘিরে বিশাল আকৃতি আর আকর্ষণীয় গড়নের কারণে ‘লাল বাহাদুর’ এখন সাতক্ষীরার কুরবানির বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দাম নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন এর ক্রেতা-সেদিকেই নজর সবার।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: এফ.এম. মান্নান কবীর বলছেন, জেলায় ১২ হাজার ৮৯৪টি খামারে পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এসব খামারে ৪৯ হাজারের বেশি গরু, ৪৪ হাজারের বেশি ছাগল এবং ৬ হাজারের বেশি ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু লালন-পালন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও কুরবানির বাজারে বড় গরু নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ। ‘লাল বাহাদুর’ কত দামে বিক্রি হয়-এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

 

Ads small one

শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক চিংড়ি ঘেরে হামলা চালিয়ে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। সোমবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর পল্লীতে নৃশংস এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো মেহেরুন্নেছা বেগম (৪০), মরিয়ম বিবি (৪৫), পারভীন আক্তার (২৪), খাদিজা আক্তার (২৬), গোলাম বারী (৫২), মনিরুল ইসলাম (৪৪), রবিউল ইসলাম (৩০) ও আলমগীর হোসেন (৩৩)।

চিংড়িঘেরের মাছ লুটে বাঁধা পেয়ে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল এবং তার ভাই সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তোভোগীদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মনিরুল ইসলামের ভাষ্য রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিগত সরকারের সময়ে তাদের স্বত্ত্ব দখলীয় জমি আনারুলের পরিবার দখল করে নেয়। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর আনারুলসহ তার সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে গেলে নিজেদের ফিরে পাওয়া সে জমিতে তারা চিংড়ি চাষ করে।

 

সম্প্রতি আনারুল ও তার পরিবারের পুরুষ সদস্যরা এলাকায় ফিরে উক্ত চিংড়িঘের দখলের হুমকি দিয়ে আসছিল।
মনিরুল জানায়, সোমবার রাতে আনারুল, সিরাজুল ও শাহিনের নেতৃত্বে আজিজুল, রাশিদুল, আলামিন, দেলওয়ার, ইদ্রিস, সিরাজুল, মাজেদ, ময়নুদ্দীন, আব্দুল্লাহ, সাইদুলসহ ২২/২৩ জন তাদের চিংড়িঘেরে হামলা চালিয়ে মাছ লুটের চেষ্টা করে। এসময় ঘের পাহারার দায়িত্বে থাকা গোলাম বারী ও রবিউল বাঁধা দিতে গেলে তাদের দু’জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের নারী সদস্যসহ অন্যরা এগিয়ে এলে হামলায় জড়িতরা ধারালো দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাদেরও রক্তাক্ত করে। একপর্যায়ে খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গ্রামবাসীদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি পৌছে দেয়।

অভিযুক্ত আনারুল জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রতিপক্ষ তাদের অনুকুলে রেকর্ড হওয়া উক্ত জমি দখল করে নিয়ে মাছ ছাড়ে। নিজেদের মালিকানাধীন জমি উদ্ধার করতে যেয়ে বাঁধার মুখে পড়লে দু’পক্ষ সংঘর্ষ হয়। নিজেরা শরীরে জখম তৈরী করে মনিরুল ও তার লোকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলেও তার দাবি।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান, পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌছে দিয়েছিল। এঘটনায় আহত মনিরুল সোমবার রাতে থানায় এজাহার জমা দিয়েছে। হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনাসহ মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী শিশু ও কিশোরদের দক্ষতাবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘দক্ষতা প্রশিক্ষণ পরিষেবা প্রদানকারীদের’ সাথে এক অ্যাডভোকেসি (সুপারিশ) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে আশাশুনি ‘পাথেয় ট্রেনিং সেন্টারে’ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’ এই সভার আয়োজন করে। নেদারল্যান্ডসের ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে এবং ‘সেন্টার ফর ডিজেবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট’ (সিডিডি)-এর সহযোগিতায় ‘ম্যাপিং সিবিআর’ প্রকল্পের আওতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা জানান, প্রকল্পের আওতাধীন উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৯০০ প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর রয়েছে। এদের পরিবার বা সমাজের বোঝা না ভেবে ন্যূনতম কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে আইডিয়াল। প্রকল্পের ইউসুফ আলীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মো. সাইজুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন।

অব্যবস্থাপনা ও গ্রাহক হয়রানির আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
অব্যবস্থাপনা ও গ্রাহক হয়রানির আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’!

নিজস্ব প্রতিনিধি: অব্যবস্থাপনা, গ্রাহকদের হয়রানি, গ্রাহকদের টাকা দিতে না পারা, অসৌজন্যতার আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’। কলারোয়া বাজারের এমআর ফাউন্ডেশনে দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত এই ব্যাংকে গ্রাহকদের হয়রানি ও নাজেহাল নিত্যদিনের ঘটনা।
গত রবিবার দুপুরের দিকে পৃথক দুটি চেকে ৯ লাখ টাকা তুলতে যান একজন অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। ক্যাশ কাউন্টারের দায়িত্ব মহিলা কর্মকর্তা জানালেন টাকা নেই। অথচ তখনই পরপর দুই থেকে তিনজন ব্যক্তি পাঁচশত ও এক হাজার টাকা নোটের কয়েকটি ব্যান্ডেল জমা দিলেন। আনুমানিক ৩০/৪০ লাখ টাকার মতো। তখন বলা হলো এখনতো টাকা জমা পড়েছে তাহলে আমাদের চেকের টাকাটা দেন। ক্যাশ কাউন্টারের মহিলা কর্মকর্তা বললেন, ম্যানেজার সাহেব কে জানান। ম্যানেজার সাব্বির আহমেদকে জানালে তিনি ক্যাশ কাউন্টারের কর্মকর্তাকে একটি চেকের টাকা দিতে বললেন। ম্যানেজারকে জানানো হলো- ইতোমধ্যে বহু টাকা জমা পড়েছে। তবু তিনি বললেন, বাকি টাকা ঝাউডাঙ্গা শাখা থেকে নেন। অগত্যা নিরুপায় হয়ে একটি থেকে পাঁচ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে ৫০০ টাকার নোটের ব্যান্ডেলে ২ লাখ টাকা দিয়ে বাকি টাকা ১০০ টাকার নোটের ব্যান্ডেল দিতে পাঁচ লাখ টাকা ডেলিভারি দিলেন। ক্যাশ কাউন্টার মহিলাকে জানানো হলো, যেহেতু বড় টাকার নোটের ব্যান্ডেল আছে সেখান থেকে দেন, কারণ এগুলো অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। বড় নোটের টাকার ব্যান্ডেল থাকা সত্ত্বেও ওই কর্মকর্তা কিছুতেই দিলেন না। এ নিয়ে বাগবিত-াও হলো। অগত্যা সেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছুটলেন ঝাউডাঙ্গা শাখায়।
এরূপ প্রতিনিয়ত অসৌজন্যমুলক আচরণ, অব্যবস্থাপনা, গ্রাহকদের হয়রানি ও টাকা থাকলেও না দেয়ার ঘটনা ঘটছে ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কলারোয়া শাখায়।