বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্যামনগরে মাসিক স্বাস্থ্য বিধি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে মাসিক স্বাস্থ্য বিধি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মুন্সীগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে মাসিক স্বাস্থ্য বিধি  দিবস পালন উপলক্ষে র‍্যালি সচেনতা মুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

৩ জুন (বুধবার) সকাল ১০ টা থেকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সুন্দরবন মাধ্যমকি বিদ্যালয়ে

প্ররেণা এর উদ্যোগে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে “মাসিক স্বাস্থ্য বিধি  দিবস-২০২৬” পালতি হয়ছে।

 

র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে আলোচনা রাখেন প্রজেক্ট অফিসার প্রেরণা বায়োজীদ( জুয়েল),

স্বাস্থ্য পরিদর্শক মুন্সিগঞ্জ কুদরত এলাহী,  পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মুন্সীগঞ্জ শ্রীবাস মন্ডল, সহকারী শিক্ষক সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় সালাউদ্দিন আহমেদ, সিএইচসিপি জীবিতেশ গায়েন, এফ ডব্লিউ এ, মাধবী রানী তরফদার প্রমুখ।

বাস্তবায়নাধীন দূর্বার প্রকল্প এর অধীনে  সুন্দরবন মাধ্যমকি বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয়  কিশোরী ও নারীদরে মাসিক কালীন স্বাস্থ্য বিধি সর্ম্পকে সচতেনতা বৃদ্ধি এবং প্রচলতি সামাজকি সংকোচ ও কুসংস্কার দূর করার লক্ষ্যে দিনব্যাপী এ কর্মসূচরি আয়োজন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে একটি র্বণাঢ্য র‍্যালরি মধ্য দিয়ে র্কমসূচরি সূচনা হয়। ব্যানার, ফস্টেুন ও সচতেনতামূলক স্লোগান সংবলতি র‍্যালটিি সুন্দরবন মাধ্যমকি বিদ্যালয় থকেে শুরু হয়ে সুন্দরবন বাজাররে প্রধান সড়ক প্রদক্ষণি করা হয়েছে। র‍্যালিতে স্কুল-কলজেরে ছাত্রী, শিক্ষক, স্বাস্থ্যর্কমী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্ত বর্গ সহ বভিন্নি শ্রেনিপেশার মানুষ স্বতঃর্স্ফূতভাবে অংশগ্রহণ করনে।

র‍্যালি শেষে অনুষ্ঠতি হয় স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা যেখানে   মুন্সগিঞ্জ স্বাস্থ্য ও পরবিার পরকিল্পনা অধদিপ্তর এর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ মাসিক কালীন পরচ্ছিন্নতা, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি অনুসারে গুরুত্ব এবং অপরচ্ছিন্নতা জনতি স্বাস্থ্যঝুঁকি সর্ম্পকে বিস্তারিত আলোচনা করনে। বক্তারা বলনে, কিশোরীদের মাসিক নিয়ে সঠিক জ্ঞান ও পরচ্ছিন্ন উপকরণরে প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা গেলে অনকে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তাঁরা মাসিক স্বাভাবকি শারীরিক প্রক্রিয়া হসিবেে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে পরবিার ও সমাজে ইতিবাচক ভূমকিার ওপর গুরুত্বারোপ করনে।

সচতেনতা বৃদ্ধরি লক্ষ্যে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতকি অনুষ্ঠান। নাটিকা, গান ও সচতেনতামূলক পরবিশেনার মাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্য বিধি র্বাতা সহজবোধ্যভাবে দর্শকের সামনে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানস্থলে একটি “হাইজনি র্কনার” স্থাপন করা হয়, যেখানে কিশোরী ও তরুণীদরে মাসিক কালীন পরচ্ছিন্নতা সর্ম্পকে হাতে কলমে দিক নির্দেশনা

দেওয়া হয় এবং বিনামূল্যে সেনিটারী ন্যাপকনি বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বহির বিভাগের তত্ত্বাবধানে একটি “কাউন্সেলিং র্কনার” পরিচলতি হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ব্যক্তিগতভাবে স্বাস্থ্যর্কমীদরে সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পরার্মশ ও তথ্য সংগ্রহ করার সুযোগ পাবেন সহায়ক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন

বক্তারা মাসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচতেনতা সৃষ্টি ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোরদেন এবং এ ধরনরে র্কমসূচি ভবষ্যিতে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

Ads small one

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

আজ (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’।

১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানব পরিবেশবিষয়ক সম্মেলনে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে বৈশ্বিক উদ্যোগের ভিত্তি তৈরি হয়। এর ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ১৯৭৩ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে দিবসটি উদযাপিত হয়। পরিবেশ বিষয়ে জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি হিসেবে এটি পরিচিত।

দিবসটি উপলক্ষে পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা আলোচনা সভা, র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক প্রচারণার আয়োজন করেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও পৃথক কর্মসূচি পালন করছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, নদীভাঙন, বন্যা, খরা ও ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেশের পরিবেশ, কৃষি ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ, বায়ুদূষণ এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ পরিবেশগত সংকটকে আরও তীব্র করে তুলছে। তাদের মতে, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগই একটি নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ এবং উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জলবায়ু ও পরিবেশের সংকট মোকাবিলা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। সরকারি-বেসরকারি খাত, গবেষক, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও জনসচেতনতার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

কলারোয়ায় নারী ও শান্তিবিষয়ক আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় নারী ও শান্তিবিষয়ক আলোচনা সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে নারী, শান্তি ও সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) ও অর্জন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
নারী উদ্যোক্তা মৌসুমী সরদারের সভাপতিত্বে সভায় সামাজিক শান্তি রক্ষা এবং নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন দীপা রানী, মনিকা রানী, রঞ্জন ম-ল, প্রভা মন্ডল ও ইশিতা মন্ডল। বক্তারা তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

এক বছরে দেশে ৫২ হাজার বৃক্ষনিধন, জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ার দাবি পরিবেশবাদীদের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
এক বছরে দেশে ৫২ হাজার বৃক্ষনিধন, জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ার দাবি পরিবেশবাদীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশে আশঙ্কাজনক হারে গাছ কাটা ও বন উজাড় রোধে একটি ‘জাতীয় বন ও বৃক্ষনিধন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্প, নগরায়ণ, শিল্পায়ন, কৃষিজমির সম্প্রসারণ এবং জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে দেশের বনভূমি ও সবুজ আচ্ছাদন ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে, যা প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদপ্তর মিলনায়তনে ‘গাছনিধন মিডিয়া মনিটরিং ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়। রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের (আরডিআরসি) কোষাধ্যক্ষ আমিনুর রসুল বাবুল অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যৌথ আয়োজক হিসেবে ছিল আরডিআরসি, গ্রীন ভয়েস, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন, ব্রাইটার্স এবং ন্যাশনাল ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম।

গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এক বছরে দেশে ৫২ হাজার ৩৭৫টি বৃক্ষনিধনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি আগের বছরের (২০২৪-২৫) তুলনায় ৭১.২ শতাংশ কম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলাভিত্তিক হিসাবে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ২৩ হাজার ৪১টি এবং কক্সবাজারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ হাজার বৃক্ষনিধনের তথ্য পাওয়া গেছে। বন ও পরিবেশ সুরক্ষায় অনুষ্ঠানে ৯ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বন আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন, টেকসই কৃষিবনায়ন সম্প্রসারণ, নগর পরিকল্পনায় সবুজ অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করা এবং বনের ওপর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, বৃক্ষনিধনের ফলে মাটিক্ষয়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়ছে। তবে আশার কথা হলো, সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে গাছ কাটার হার গত বছরের চেয়ে কমেছে। সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, আইন ও নীতিমালা থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় বৃক্ষনিধন পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। পরিবেশগত অপরাধ দমনে ইউনিয়ন পর্যায়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের সমন্বয়ক মিহির বিশ্বাস এবং গ্রিন সেভারসের প্রতিষ্ঠাতা এহসান রনিসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।