সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

খুলনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মালখানায় রক্ষিত নিলাম বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
খুলনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মালখানায় রক্ষিত নিলাম বিজ্ঞপ্তি

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, খুলনার মালখানায় রক্ষিত নিলামযোগ্য আলামতসমূহ প্রকাশ্যে নিলাম বিক্রয়ের নিমিত্ত আগামী ২৩ মে ২০২৬ তারিখ বিকাল সাড়ে তিনটায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খুলনা প্রাঙ্গণে (অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এজলাস কক্ষে) নিলাম কমিটির উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে নিলাম ডাক অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত তারিখ ও সময়ে আগ্রহী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।

নিলামে বিক্রিত আলামতের বর্ণনা সিএমআর-৭৭৪৩/২৬ (মালখানা), দাকোপ থানার মামলা নং-০৫, তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ ধারা-৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড জিআর-১০/২৬, তিনটি ছোট তেল রাখার ক্যানে রক্ষিত ১০৮ লিটার ডিজেল। সিএমআর-৭৭৪৯/২৬ (মালখানা), দাকোপ থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ ধারা-৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, জিআর-০৯/২৬, তিনটি ব্যারেলে ও দুইটি কন্টেনারে রক্ষিত ৬৪৩ লিটার ডিজেল এবং একটি ছোট ড্রামে ২৪ লিটার মবিল।

নিলামের শর্তাবলী: অগ্রহী ক্রেতাগণের সম্মুখে আগামী ২৩ মে বিকাল সাড়ে তিনটায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খুলনা প্রাঙ্গণে (অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এজলাস কক্ষে) প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হবে; নিলামে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের ২০ টাকা (অফেরতযোগ্য) রেজিস্ট্রেশন ফি মালখানায় জমা প্রদান করতে হবে, নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের নিলাম ডাকের পূর্বে ১০ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) জামানত স্বরূপ ইনচার্জ, মালখানার নিকট জমা প্রদান করতে হবে। জামানতের টাকা জমা প্রদান না করলে উক্ত ব্যক্তি নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

 

আগ্রহী ক্রেতাগণের মধ্যে থেকে নিলাম মালের সর্বোচ্চ ডাক প্রস্তাবকারীগণকে মূল্য পরিশোধের জন্য সর্বাগ্রে আহবান করা হবে; মনোনীত ক্রেতাকে ক্রয়-মূল্যের ওপর বিধি মোতাবেক ভ্যাট ও আয়করসহ সমুদয় অর্থ চালানযোগে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে; চালান, ভ্যাট ও আয়করের মূল কপি দাখিল সাপেক্ষে বিক্রিত মালের মালিকানা এবং দখল হস্তান্তর করা হবে; আদালতের কোন কর্মচারী নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না; এই নিলাম প্রসঙ্গে ভিন্নতর কোন আদেশ/বিজ্ঞপ্তি না হওয়া পর্যন্ত অত্র আদেশ বলবৎ থাকবে; নিলামকারী কর্তৃপক্ষ অনিবার্য কারণবসত নিলাম বাতিল করতে পারবেন; নিলাম সংক্রান্ত যেকোন কার্যক্রমে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে; অংশগ্রহণকারীগণ জাতীয় পরিচয়পত্রসহ উপস্থিত থাকবেন; প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সসহ উপস্থিত থাকতে হবে।

 

নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ নিলাম ডাকের পূর্বেই নিজ নিজ জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, রেজিস্ট্রেশন ফি ও জামানতের টাকা ইনচার্জ মালখানার নিকট জমা প্রদান করতে হবে। অন্যথায় উক্ত ব্যক্তি নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের আলামতের প্রদর্শনের জন্য ২১ মে ২০২৬ তারিখ বেলা দুইটার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

প্রয়োজনে ০১৩২০-১৪০৪৩১ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে। নিলামক্রেতা ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিলামে বিক্রিত অর্থ জেলা কোর্ট, মালখানায় জমা প্রদান করতে হবে। টাকা জমা প্রদান করতে ব্যর্থ হলে নিলামক্রেতার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নিলাম ডাককারীর নিকট নিলামে বিক্রিত মালামাল হস্তান্তর করা হবে।

খুলনা অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নিলাম বিক্রয় সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি মোঃ ফারুক আযম স্বাক্ষরিত এক নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে। তথ্যবিবরণী

Ads small one

সুন্দরবনে বনরক্ষীদের গুলিতে জেলে নিহতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ বনজীবীদের বন অফিসে হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে বনরক্ষীদের গুলিতে জেলে নিহতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ বনজীবীদের বন অফিসে হামলা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: পশ্চিম সুন্দরবনে কাঁকড়া শিকার করতে যেয়ে আমিনুর রহমান(৪৫) নামের এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে খুলনা রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল পাটকোস্টার ঝিলে এলাকায় কাঁকড়া ধরার সময় বনবিভাগের টহল টিমের ছোঁড়া গুলিতে তিনি নিহত হন বলে দাবি তার সহযোগীদের। বনবিভাগের টহল টিমের সদস্যদের ডাকে সাড়া না দিয়ে পালানোর চেষ্টা করায় পিছন থেকে গুলি ছুঁড়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার সহযোগী বনজীবীরা। তিন সন্তানের জনক আমিনুর রহমান শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নং সোরা গ্রামের মৃত আকছেদ আলী গাজীর ছেলে।

নিহতের সহযোগী জেলে আহম্মদ মোড়ল জানান, তিনদিন আগে বনবিভাগের পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে দুটি নৌকাযোগে তারা চারজন বনজীবী সুন্দরবনে যায় কাঁকড়া শিকারের জন্য। সোমবার সকাল থেকে খুলনা রেঞ্জের পাটকোসটার ঝিলে এলাকায় (অভয়ারণ্য) নৌকায় বসে তারা কাঁকড়া শিকার করছিলেন। একপর্যায়ে সকাল সাতটার দিকে পাশর্^বর্তী টহলফাঁড়ির ইনচার্জ মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে টহল টিমের সদস্যরা পিছন থেকে ডাক দেয় এবং টিমের সদস্যরা এক রাউন্ড গুলি ছুঁড়লে ঘটনাস্থলে আমিনুরের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে দুপুর একটার দিকে মৃতদেহ নিয়ে তারা এলাকায় ফিরে আসে।

গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে কাঁকড়া শিকারে যাওয়া জেলেদের উপর বনবিভাগের টহল টিমের সদস্যরা গুলি ছুঁড়েছে। সে ঘটনায় আমিনুর নামের এক জেলে নিহত হওয়ার পর স্থানীয় বনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বনজীবীরা সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন ও তদসংলগ্ন রেঞ্জ কার্যালয় ঘেরাও করার জন্য সেখানে জড়ো হতে শুরু করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জলদস্যুরা গোটা সুন্দরবনজুড়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করলেও বনবিভাগ বা কোস্টগার্ড তাদের টিকিটি পর্যন্ত ছুঁতে পারছে না। অথচ নিরীহ জেলেদের উপর গুলি চালিয়ে লাখ লাখ বনজীবীর জন্য সুন্দরবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে ভীতি ছড়াচ্ছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ মশিউর রহমান জানান, বর্তমানে সুন্দরবনে দস্যু দমনে অভিযান চলছে। প্রকৃতপক্ষে কাদের গুলিতে ঐ জেলের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। জেলে নিহতের ঘটনাটি খুলনা রেঞ্জে ঘটেছে- জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে টহল টিম পরিচালনার কথা জেলেদের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আমিনুর রহমানের নিহতের ঘটনার সাথে বনরক্ষী কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমান মিললে অবশ্যই প্রচলিত আইনের আওতায় আনা হবে তাকে।

এদিকে বনরক্ষীদের গুলিতে জেলে আমিনুরের নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে বিকাল চারটার দিকে দুই শতাধিক বনজীবী দলবদ্ধ হয়ে বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ অফিস ও পাশর্^বর্তী বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন অফিসে হামলার চেষ্টা করে। কয়েক মিনিট ধরে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও সীমানা বেঁড়া ভাংচুরের পরপরই শামনগর থানা পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রনে আনে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান, গুলিতে এক বনজীবী নিহতের ঘটনায় উপকুলীয় এলাকায় বসবাসরত বনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে নিহত আমিনুরের মৃতদেহ এলাকায় পৌছেছে। অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় নেয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় জেলায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক অর্ধ বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।
সভায় জেলার সাতটি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ৭৭ টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্ধ বার্ষিক সমন্বয় সভায় সভাপতি বলেন, গ্রাম আদালত হলো বিচার ব্যবস্থার তৃণমূল ভিত্তি। ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সাধারণ মানুষকে যেন জেলা আদালত বা থানায় যেতে না হয়, সে জন্যই গ্রাম আদালতকে কার্যকর করা করতে হবে। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতে সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের অর্থ ও সময় সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে জেলা আদালতের মামলার জটও অনেকাংশে হ্রাস পাবে। তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের বলেন, সাধারণ মানুষ যেন গ্রাম আদালতের গুরুত্ব বুঝতে পারে, সেজন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে গত ছয় মাসে জেলার মামলার তথ্য এবং গ্রাম আদালতের সামগ্রিক অগ্রগতি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন গ্রাম আদালতের ডিস্ট্রিক ম্যানেজার (খুলনা ও সাতক্ষীরা) মো: হাফিজুর রহমান। এছাড়া তিনি, গ্রাম আদালতের আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন।

সভায় অর্ধ বার্ষিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে গ্রাম আদালত পরিচালনায় ভালো অবদান রাখায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন জন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সম্মাননা উপহার দেয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলার সকল উপজেলা সমন্বয়কারীগণ।

দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ নিরসন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা। তিনি বলেন, উপজেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে। সন্ত্রাস, মাদক, চোরাচালান ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলমান থাকবে। পাশাপাশি উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে সকল দপ্তর, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাজান আলী, উপজেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মজিবুর রহমান, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা বিজিবির নায়েক সুবেদার লোকমান হোসেন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী উজ্জ্বল, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সভায় সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান রোধে বিজিবির পক্ষ থেকে আরও কঠোর অবস্থানে যাওয়ার আশ্বাস প্রদান করা হয়। এছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিদ্যুতের চলমান লোডশেডিং সমস্যা অল্প কিছুদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হবে বলেও সভায় জানানো হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও সচেতন থাকতে হবে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
সভা শেষে উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।