বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং

দেবহাটা প্রতিনিধি: ‘শিশু শ্রম নয়, শিশুর জীবন হোক স্বপ্নময়’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধ বিষয়ক শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে এবং সুশীলন-এর বাস্তবায়নে দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের উদ্যোগে এ শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
৩নং সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামরুল, জামায়াত নেতা জিয়াউর রহমান, দেবহাটা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক এমএ মামুন, প্রকল্পের এমএন্ডই স্পেশালিস্ট মো. শরিফুজ্জামান, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো. মিজানুর রহমান, নিলাদ্রী বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মোখলেছুর রহমান, নূর মোহাম্মাদ, রবিউল ইসলাম, নাজিমউদ্দীন, শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ডা. নজরুল ইসলাম, আবুল হোসেন, কালাম সরদার, মোছা. সাজু পারভীন, রেহেনা খাতুন ও জুলেখা খাতুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সভায় বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম একটি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করে। শিশুদের শ্রমে না পাঠিয়ে তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, শিশুদের শ্রম থেকে বিরত রেখে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং শিশুর অধিকার রক্ষায় পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আয়োজকরা জানান, শিশুশ্রম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

Ads small one

উপকূলীয় সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধান শীর্ষক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
উপকূলীয় সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধান শীর্ষক কর্মশালা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের কাছিহারানিয়া গ্রামে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিত করণ ও সমাধানে করনীয় শীর্ষক অভিযোজন পরিকল্পনা তৈরি বিষয়ক কর্মশালা বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রস্তাবিত এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক রিতা রানী মিস্ত্রির সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আটুলিয়া আব্দুল কাদের স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক কিশোর কুমার মৃধা।
এসময়ে আরো বক্তব্য রাখেন বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, ১, ২, ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য সাহিদা পারভীন, শতবাড়ির সদস্য যমুনা রানী, অংশগ্রহণকারী ঝরণা রানী, শিক্ষক, সমাজসেবকসহ প্রমুখ।

উক্ত কর্মশালায় এলাকার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন- পানির সংকটের ক্ষেত্রে সেচের পানি, ব্যবহারের পানি ও সুপেয় পানির অতিমাত্রায় সমস্যা উল্লেখ করেন। কৃষির ক্ষেত্রে বীজের সংকট, পোকামাকড়ের আক্রমণ, রাসায়নিক সার কীটনাশকের প্রভাব, কৃষি পন্যের বাজারমূল্য কম, জৈব পদ্ধতিতে ফসল চাষাবাদের প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে যা কৃষিকে হুমকিতে ফেলছে। এছাড়া এসময়ে অবকাঠামোগত সমস্যা, সামাজিক সমস্যা ও স্বাস্থ্যগত নানা বিধ সমস্যা উঠে আসে।

কর্মশালায় বারসিক কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ জোয়ারদার বলেন, বারসিক জন নেতৃত্বে উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়। এলাকার উন্নয়নে কি ধরনের কাজ করা জরুরি তা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মতামতকে বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়।

অংশগ্রহণকারী ঝরণা রানী বলেন, আমরা সকলে কৃষির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু কৃষির উপযোগী পরিবেশ দিন দিন এখন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এসব সমস্যা বিভিন্ন অভিযোজন পদ্ধতির মাধ্যমে সহজে মোকাবিলা করার উপায় আমরা জানতে পারলে আমাদের পারিবারিক কৃষিকে আরো সফল ভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।

ইউপি সদস্য সাহিদা পারভীন বলেন, আমাদের এলাকায় হাজারো সমস্যা রয়েছে। দলবদ্ধভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করলে অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

প্রভাষক কিশোর কুমার মৃধা বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। সম্মিলিত উদ্যোগেই একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আশাশুনিতে একই মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ৫ আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে একই মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ৫ আসামি গ্রেপ্তার

পত্রদূত ডেস্ক: আশাশুনি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার কোলা গ্রামে নিজ নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-কোলা গ্রামের মৃত শাহানুর শেখের ছেলে মো.গোলাম মোস্তফা হোসেন, মো.নুরুল ইসলাম গাজীর ছেলে মো.শরিফুল ইসলাম, মৃত আব্দুর রহমান গাজীর ছেলে মো.নাজির আলম, মৃত শেখ শাহিনুরের ছেলে মো.গোলাম রসুল এবং মৃত আব্দুল আজিজ শেখের ছেলে মো.আব্দুল কুদ্দুস শেখ।

পুলিশ জানায়, আশাশুনি থানার মামলা নং-১৯, তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫, ধারা ১৪৩/ ৩৪১/ ৩২৩/ ৫০৬/ ১১৪ পেনাল কোডে আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামিকে পুলিশি প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

খুলনায় নৌযান শুমারি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় নৌযান শুমারি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ জলসীমানায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত সকল নৌযানের ডাটাবেইজ প্রবর্তনের লক্ষ্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) যৌথ উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট সময়ে নৌযান শুমারি, ২০২৬ পরিচালিত হবে। নৌযান শুমারির এবারের প্রতিপাদ্য ‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’।

আজ (বুধবার) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নৌযান শুমারি উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো: আরিফুল ইসলাম। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয় এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে।
শোভাযাত্রায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা, জেলা পরিসংখ্যান দপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো: আইয়ুব হোসেন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে জেলখানা ঘাট হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

নৌযান শুমারি, ২০২৬ এর উদ্দেশ্য নৌপরিবহন খাতে নৌযানের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনা হ্রাস, নৌপরিবহন খাতে নিয়োজিত জনবলের জীবনমান এবং নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি করা।

 

বাংলাদেশে সমুদ্রগামী, উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত সকল নৌযান বা ইঞ্জিনচালিত নয়, তবে অন্য কোন যন্ত্রচালিত নৌযান দ্বারা টেনে বা ধাক্কায় চালিত হয়, এরূপ নৌযানসমূহের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে নৌযান শুমারি পরিচালনা করা এবং নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন ও পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক তথ্য নিশ্চিত করা, সরকারি-বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট অভ্যন্তরীণ নৌযানের কোন নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান না থাকা; নৌযানের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনা হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, নৌপরিবহন খাতে নিয়োজিত মালিক ও শ্রমিকদের নির্ভুল ডাটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে নৌদুর্ঘটনা পরবর্তী প্রকৃত ভুক্তভোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং স্বচ্ছতার সাথে আর্থিক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতকরণ; নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান; নৌপরিবহন ব্যবস্থার নীতি নির্ধারণ ও পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি সমন্বিত ডাটাবেইজ তৈরি এবং শুমারির মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত ডাটাবেইজ বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক ন্যাশনাল ডাটা হিসেবে ব্যবহার। তথ্যবিবরণী