রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

মণিরামপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: ‘রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের মণিরামপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত হচ্ছে। মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাছ চাষে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

রোববার সকাল ১০টায় মণিরামপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্্রাট হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ আবু সাঈদ, উপজেলা জামায়াতের আমির ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুসহ বিভিন্ন এলাকার মৎস্যচাষি ও ঘের ব্যবসায়ীরা।

পরে উপজেলা পরিষদ পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।

Ads small one

শ্যামনগরে অভিযানে পাঁচ লাখ টাকার মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার ১৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে অভিযানে পাঁচ লাখ টাকার মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার ১৩

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর থানা পুলিশ জুলাই মাসে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার মাদকদ্রব্য ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শ্যামনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, জুলাই মাসের ১ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সহ পুলিশের বিভিন্ন দল গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ১৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৭০৩ পিস ইয়াবা এবং ২ লাখ ১৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ১৮৩ বোতল কোরেক্স ফেনসিডিল।

অভিযানকালে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি নম্বরবিহীন কালো রঙের ইয়ামাহা মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও মোটরসাইকেলসহ জব্দ করা মোট সম্পদের বাজারমূল্য দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৬০০ টাকা।

উপজেলার কাশিমাড়ী, সোয়ালিয়া, আটুলিয়া, নকিপুর, বল্লার টোপ, বংশীপুর, মুন্সিগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশন এলাকা, নওয়াবেঁকী, কৈখালী পরাণপুর, নুরনগর ও মাদিয়া সহ বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং গ্রেফতার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

এসব ঘটনায় শ্যামনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১২টি মামলা করা হয়েছে (মামলা নম্বর: ১, ১৬, ১৮, ২৭, ৩০, ৩১, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৪, ৪৫ ও ৪৬)।

অভিযান পরিচালনা করেন শ্যামনগর থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আব্বাস আলী, খন্দকার আনোয়ার হোসেন, অনিরুদ্ধ রায়, আসাদুজ্জামান নূর, মোহাম্মদ বিপ্লব হোসেন, চিরঞ্জিত গাইন এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কৈখালী ক্যাম্পের কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান।

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, সাংবাদিক, সামাজিক ও যুবসংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসা ও পাচারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।

 

জাতীয় কালো বিড়াল মূল্যায়ন দিবস: কুসংস্কার ভেঙে সহমর্মিতার বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
জাতীয় কালো বিড়াল মূল্যায়ন দিবস: কুসংস্কার ভেঙে সহমর্মিতার বার্তা

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর ১৭ আগস্ট বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ন্যাশনাল ব্ল্যাক ক্যাট অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে বা জাতীয় কালো বিড়াল মূল্যায়ন দিবস। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো কালো বিড়ালকে ঘিরে প্রচলিত কুসংস্কার দূর করা, তাদের প্রতি মানুষের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা এবং আশ্রয়কেন্দ্রে অবহেলিত কালো বিড়ালদের দত্তক নিতে উৎসাহিত করা। একটি প্রাণীর গায়ের রঙের কারণে তাকে ভয়, ঘৃণা বা অবহেলার চোখে দেখার প্রবণতার বিরুদ্ধে এটি একটি মানবিক ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ।

এই দিবসের সূচনা করেন মার্কিন নাগরিক ওয়েন এইচ. মরিস। ২০১১ সালে তিনি তাঁর প্রয়াত বোন জুন এবং তাঁর প্রিয় কালো বিড়াল ‘সিনবাদ’-এর স্মরণে ১৭ আগস্ট দিনটিকে কালো বিড়াল মূল্যায়ন দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে এটি যুক্তরাষ্ট্রের গ-ি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করে এবং প্রাণীপ্রেমীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতা দিবসে পরিণত হয়।

কালো বিড়ালকে ঘিরে কুসংস্কারের ইতিহাস বহু পুরোনো। মধ্যযুগীয় ইউরোপে ডাইনি শিকার ও ধর্মীয় উন্মাদনার সময় কালো বিড়ালকে ডাইনিদের সঙ্গী কিংবা শয়তানের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করা হতো। ১২৩৩ সালে পোপ গ্রেগরি নবমের একটি ঘোষণার পর ইউরোপে কালো বিড়ালের বিরুদ্ধে ভীতি ও বিদ্বেষ আরও বেড়ে যায়। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার বহু সমাজে আজও বিশ্বাস করা হয়, কোনো কালো বিড়াল সামনে দিয়ে রাস্তা পার হলে যাত্রা অশুভ হতে পারে। অথচ এসব ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই; এগুলো মূলত শতাব্দীপ্রাচীন লোকবিশ্বাস ও সামাজিক কুসংস্কারের ফল।

বিজ্ঞান বলছে, বিড়ালের কালো রঙের পেছনে কাজ করে মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ এবং কিছু নির্দিষ্ট জিনগত বৈশিষ্ট্য। কালো বিড়াল অন্য যেকোনো বিড়ালের মতোই স্বাভাবিক, বুদ্ধিমান ও স্নেহপ্রবণ প্রাণী। বরং কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কালো লোমের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু জিন তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতেও ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে কালো রঙের সঙ্গে দুর্ভাগ্য, অশুভ শক্তি বা অলৌকিক ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।

মজার বিষয় হলো, পৃথিবীর সব সংস্কৃতি কালো বিড়ালকে নেতিবাচকভাবে দেখে না। জাপানে কালো বিড়ালকে মানেকি’ বা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেখানে বিশ্বাস করা হয়, অবিবাহিত নারীর কাছে কালো বিড়াল থাকলে তা শুভফল বয়ে আনে। স্কটল্যান্ডে ঘরের দরজায় অচেনা কালো বিড়ালের আগমন সমৃদ্ধির বার্তা হিসেবে ধরা হয়। প্রাচীন ব্রিটিশ নাবিকদের মধ্যেও জাহাজে কালো বিড়াল রাখা সৌভাগ্য ও নিরাপদ সমুদ্রযাত্রার প্রতীক ছিল।

 

আবার প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় বিড়াল ছিল অত্যন্ত সম্মানিত প্রাণী; দেবী বাস্টেটের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক স্থাপন করা হতো এবং বিড়াল হত্যা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতো।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও কালো বিড়ালকে অশুভ বলার কোনো সুস্পষ্ট ভিত্তি নেই। ইসলামে বিড়ালকে পরিচ্ছন্ন ও স্নেহের প্রাণী হিসেবে গণ্য করা হয় এবং কুসংস্কারকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। সনাতন ধর্মেও বিড়ালকে দেবী ষষ্ঠীর বাহন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ফলে কালো বিড়ালকে অপয়া মনে করার ধারণা মূলত লোকবিশ্বাসের অংশ, ধর্মীয় সত্য নয়।

বর্তমানে প্রাণীকল্যাণ সংস্থাগুলোর অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হলো, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে কালো বিড়াল অন্য রঙের বিড়ালের তুলনায় কম দত্তক নেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে তারা দীর্ঘদিন আশ্রয়কেন্দ্রে থেকে যায় বা অবহেলার শিকার হয়। তাই এই দিবসে মানুষকে কালো বিড়াল দত্তক নিতে, তাদের যতœ নিতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিতে উৎসাহিত করা হয়।

জাতীয় কালো বিড়াল মূল্যায়ন দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—কোনো প্রাণীর মূল্য তার গায়ের রঙে নয়, তার জীবনের মর্যাদায়। কুসংস্কার নয়, বিজ্ঞান, সহমর্মিতা ও মানবিকতাই হওয়া উচিত আমাদের পথপ্রদর্শক। কালো বিড়ালও অন্য সব বিড়ালের মতোই ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখে। এই উপলব্ধিই দিবসটির সবচেয়ে বড় বার্তা।

শ্যামনগরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ধান রোপন করে প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ধান রোপন করে প্রতিবাদ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পূর্ব কৈখালীর রাস্তা দীর্ঘ বছর ধরে সংস্কার না হওয়া এবং বর্ষা মৌসুমে চলাচলের অনুপোযোগী হওয়ায় ১৬ আগষ্ট (রবিবার) বেলা ১১ টায় রাস্তায় ধান লাগিয়ে প্রতিবাদ করেছে এলাকাবাসী।

 

জানা যায়, কৈখালী ইউনিয়নের পূর্ব কৈখালী গ্রামের মরহুম আলহাজ¦ আদম গাজীর কেয়ারের রাস্তা নামে পরিচিত রাস্তাটি দীর্ঘ বছর ধরে অবহেলিত। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তার উপর পানি জমাট বাঁধে। সৃষ্টি হয় কাঁদা। যার ফলে সাধারণ পথচারীসহ কোন প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারে না। দীর্ঘ বছর ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় অবশেষে স্থানীয় যুবকেরা এবং এলকাবাসীরা মিলে ব্যতিক্রম প্রতিবাদ হিসাবে রাস্তার কাঁদাযুক্ত স্থানে ধান রোপন করে প্রতিবাদ করে।

এ বিষয়ে স্থানীয় রফিকুল ইসলামের পুত্র মোঃ এবাদুল ইসলাম বলেন, আমরা উপকুলীয় এলাকায় বসবাস করি। আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। আমি ছোট বেলা থেকে দেখছি আমাদের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি অবহেলিত। দীর্ঘ বছরে কোন প্রকার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় হাটু সমান কাঁদা সৃষ্টি হয়। রাস্তাটি দিয়ে এলাকার কমলমতি ছাত্র ছাত্রী, সরকারী, বেসরকারী চাকুরীজিবিসহ বিভিন্ন পেশা মানুষের চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিশেষ করে জরুরী রুগি নিয়ে রাস্তা দিয়ে যানবাহন যোগে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই।

 

বিকল্প হিসাবে নদী পথে ট্রলার যোগে নিয়ে যেতে হয় দীর্ঘ সময় ধরে। তার মধ্যে বড় ধরনের দূর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। বিষয়টি নিয়ে বার বার স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সাথে বলেও কোন প্রকার সুরহ না পেয়ে অবশেষে রবিবার আমরা রাস্তায় ধান রোপন করে প্রতিবাদ করেছি। আমরা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, আমি ফেসবুক হতে প্রতিবাদের বিষয়টি জানতে পেরেছি। উক্ত রাস্তাটি দ্রুত কার্পেটিং হবে।

এ বিষয়ে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের বলেন, আমি চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পরে বিজিবি সড়ক নামে রাস্তাটি কার্পেটিং করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদন করি। কিন্তু একটি পক্ষ রাস্তাটি কর্তন করে অন্য স্থানে নিয়ে যায়। বর্তমানে রাস্তাটি সীমান্ত সড়ক নামে কার্পেটিং এর জন্য অনুমোদন হয়েছে। খুব দ্রুত রাস্তাটির কাজ শুরু হবে।