বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা কামনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা কামনা

সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা ইয়াছিন আলী গাজী (পিতা: মৃত মনছুর আলী গাজী) দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর পায়ের সমস্যায় ভুগছেন। অসহায় এই ব্যক্তির উন্নত চিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং মানবিক মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জানা গেছে, বহুকাল আগে একটি দুর্ঘটনায় তার পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ করলেও অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার পায়ে মোট চারটি রিং বসানোর পরামর্শ দেন। ইতোমধ্যে একটি রিং বসাতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে আরও তিনটি রিং বসানো এবং পরবর্তী চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন।

কিন্তু পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন কর্মক্ষম না থাকায় তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা চরম সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তার পরিবারের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় তিনি সমাজের হৃদয়বান, দানশীল ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার নিকট আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। সময়মতো সহযোগিতা পেলে তার উন্নত চিকিৎসা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে এবং তিনি আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

যোগাযোগ ও সহায়তা প্রদান: ইয়াছিন আলী গাজী মোবাইল: ০১৭২৪-৮৬৮৮৬৭ (বিকাশ)
সাংবাদিক: রিয়াজুল ইসলাম: ০১৯১৬৪৮৯৯৭৮ প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

শ্যামনগরে বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে কম্পিউটার, শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে কম্পিউটার, শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে অগ্নিকা-ে প্রায় তিন লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে শিক্ষা বিভাগ। বিদ্যালয়টির নাম ১৭৫ নং দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

অগ্নিকা-ে দুটি প্রজেক্টর, একটি ল্যাপটপ, তিনটি সাউন্ড বক্স, একটি টেলিভিশন, দুটি টেবিল ফ্যান, দুটি রাউটার, একটি মেগাফোনসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষক সহায়িকা, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ পরিকল্পনা এবং ১০টি ডিজিটাল ব্যানারও। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম মিজানুর রহমান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া প্রতিবেদনে জানান, সোমবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে পাঠদান শেষে তিনি বিদ্যালয় থেকে বাড়ি চলে যান। পরে বিকেল পাঁচটার দিকে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি অফিসকক্ষ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন দেখতে পান। এ সময় শোকেস ও সাউন্ড বক্সে আগুন জ্বলছিল। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়। অগ্নিকা-ে অফিসের আসবাব, পানির ফিল্টার, প্লাস্টিকের ওয়ারড্রব, র‌্যাক, দেয়ালঘড়ি, মনিটরিং বোর্ড, টেবিল ও চেয়ার পুড়ে গেছে।

 

এ ছাড়া কাঁচের গ্লাস, ডিনার সেট, মেলামাইনের প্লেট, গামলা ও চামচ, টেবিলের কাপড় এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের রানারআপ ট্রফি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও পুড়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্কুল ফিডিং রেজিস্টার, বই বিতরণ রেজিস্টার এবং তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা। প্রধান শিক্ষকের হিসাবে, অগ্নিকা-ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন লাখ টাকা। ঘটনার পর গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তাঁর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষের অধিকাংশ মালামাল পুড়ে গেছে। কক্ষের দেয়াল ও সিলিং কালো হয়ে গেছে। সরেজমিন পর্যবেক্ষণে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, “দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অগ্নিকা-ের ঘটনা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ সংগ্রহ করা হয়েছে। অগ্নিকা-ের প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।”

শিশুদের নেতৃত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষ রোপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
শিশুদের নেতৃত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষ রোপন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শিশুদের নেতৃত্বের দক্ষতা, পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া আব্দুল কাদের স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফলের চারা রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফলের চারা রোপণ কর্মসূচি করা হয়।

ক্যাম্পেইনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে শিশুদের সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে ফলের চারা রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আটুলিয়া আব্দুল কাদের স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সুভাস চন্দ্র মন্ডল, একশনএইড বাংলাদেশের এলআরপি-৫৪-এর চাইল্ড স্পন্সরশিপ অ্যান্ড নলেজ ম্যানেজমেন্ট অফিসার সমিরন বিশ্বাস, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলী,ছাত্রীবৃন্দ।

 

সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে বক্তারা শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এ ধরনের কর্মসূচিতে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

সাতক্ষীরায় দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিতে হওয়া সার ডিলারশিপ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিতে হওয়া সার ডিলারশিপ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ৭৭টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভায় সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে বিতর্কিত ডিলার নিয়োগের তালিকা বাতিল এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন করে নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচি থেকে সার ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত এবং যোগ্য প্রার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সার ডিলার নিয়োগের তালিকা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের দাবি, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিয়ে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও ডিলার নিয়োগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বিতর্কিত নিয়োগের তালিকা বাতিল করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় নতুন করে সার ডিলার নিয়োগের দাবি জানান। একই সঙ্গে নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় শর্ত যথাযথভাবে যাচাই এবং পুরো প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টু, সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান সজীব, যুগ্ম সম্পাদক খোকাসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তবে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, আর্থিক লেনদেন এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগগুলোর বিষয়ে জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার জন্য ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন জেলার সচেতন মহল।