বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ঠিক করার পাশাপাশি নির্বাচন করার ঘোষণা তামিমের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ঠিক করার পাশাপাশি নির্বাচন করার ঘোষণা তামিমের

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটি আজ (মঙ্গলবার) বিকালে দায়িত্ব পেয়েই সন্ধ্যায় প্রথম সভা করেছে। প্রথম সভাতেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ঠিক করার পাশাপাশি নির্বাচন করার ঘোষণাটা দিয়ে রেখেছেন কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল খান।

বোর্ড সভার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তামিম। সেখানেই জানান প্রথম লক্ষ্যের কথা। বলেন, “এখানে যখনই এরকম দায়িত্ব কেউ পান, তখন ডেভেলপমেন্টের কথা বলেন বা বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি, পাশাপাশি আমার টিম এটা অনুভব করে, সবাই মিলে আমরা একসঙ্গে উপলব্ধি করি যে আমাদের প্রথম কাজ হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ঠিক করা। গত এক থেকে দেড় বছরে যে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের, এটা ঠিক করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

১১ সদস্যের এই অ্যাডহক কমিটির বাধ্যবাধকতা আছে তিন মাসের মধ্যে বোর্ডের নির্বাচন আয়োজন করার। সেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তামিম। বললেন, “আমাদেরকে একটা দায়িত্ব দিয়ে আনা হয়েছে যে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন আয়োজন করা তিন মাসের মধ্যে। আমাদেরকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমরা এই দায়িত্বটা যতটা সততার সঙ্গে করতে পারি, আর যতটা দ্রুত করতে পারি, আমরা এই জিনিসটাই করবো। সঙ্গে সঙ্গে অবশ্যই আমরা প্রতিদিনের কাজের মধ্যে যা যা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যু আছে আপনারা জানেন, সবকিছু নিয়ে আমাদের যা সঠিক কাজ করার দরকার, আমরা তা করবো।”

বিসিবির নতুন সভাপতি বলেন, “আমি নিশ্চিত, এটা আপনারা সবাই বিশ্বাস করেন, গত এক-দেড় বছরের ক্রিকেটের ক্ষতি হয়েছে বা ক্রিকেটের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে, আমাদের সবাইকে মিলে এই জিনিসটা ঠিক করতে হবে। আমাদের সমালোচনা থাকবে, আমরা ভালো কাজ করবো বা করবো না, এটা নিয়ে আলোচনা থাকবে, কিন্তু এখানে কেউই চায় না, ক্রিকেটটা যে জায়গায় এখন নেমেছে, এই জায়গায় থাকুক।”

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সফলতম ওপেনার বললেন, “আমাদের উই উইল চেঞ্জ ফর বেটারমেন্ট, জাস্ট কথা বলার জন্য বলা নয়। আমরা চেষ্টা করবো। আমাদের ভুল হবে। আমাদের টিমে যারা আছেন, তাদেরও ভুল হবে। ওই ভুল থেকে আমরা শিখবো, আবার আমরা চেষ্টা করবো। এটাই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।”

বিসিবির নির্বাচন নিয়ে তামিম বলেন, “অবশ্যই আমরা নির্বাচন করবো। এখানে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করতে হবে। আমার ইচ্ছা থাকতে পারে, আমি (নির্বাচন) করতে পারি, উনার (বাঁ পাশের জনকে দেখিয়ে) ইচ্ছে থাকতে পারে, উনার (ডান পাশের জনকে দেখিয়ে) ইচ্ছা নাও থাকতে পারে। যখন একটা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন হবে…শুধু আমরা নই, যারা যারা আগ্রহী সবাইকে অনুরোধ করবো অংশ নিতে।”

এরপরই যোগ করলেন, “একটা বোর্ডের নির্বাচন হবে, যারা যারা আছেন, বোর্ডের ক্রিকেটাররা, সংগঠক, সবার অংশ নেওয়া উচিত। আমরা যেন একটা সুন্দর নির্বাচন করে দিয়ে যেতে পারি, এই অবস্থানটা আমরা এই পরিবেশ তৈরি করে দেবো, যেখানে সবাই এসে নির্বাচন করতে পারবে।”

নির্বাচনের সময় তামিম দায়িত্বে থাকবেন কি না, তা অবশ্য তিনি পরিষ্কার করেননি।

সভাতে অ্যাডহক কমিটির সদস্য তানজিল চৌধুরিকে বোর্ডের মুখপাত্র হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই বোর্ডের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায়।

Ads small one

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় নিয়মিত একটি মামলার আসামি হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ জাহাঙ্গীর কবির (৪৭) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা এস এম তুহিনুর রহমান (৩৬)।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত ও সমীর গাইনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকালই তাঁদের পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মৎস্য ঘেরের একটি বড় অংশই গড়ে উঠেছে সরকারি আইন ও পরিবেশগত বিধিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। অনেক প্রভাবশালী ঘের মালিক সরকারি পাকা ও কাঁচা সড়কগুলোকে তাঁদের ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শতাধিক গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন ধ্বংসের মুখে পড়েছে, তেমনি সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নব্বইয়ের দশক থেকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকা দখল করে মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা গ্রামীণ সড়কের বুক পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একাংশসহ কেশবপুরের বহু গুরুত্বপূর্ণ পাকা ও কাঁচা রাস্তার শোল্ডার ও পিচের অংশ ঘেরের পানির কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারনের চলাচলের সাধারণ পথগুলো এখন বিপজ্জনক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
এর চেয়েও বড় সংকট তৈরি হয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল করে দেওয়ায়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ব্যক্তিগত মৎস্য ঘের তৈরি করায় বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিলসহ ওই অঞ্চলের অন্তত এক ডজন বিশাল বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থারই ক্ষতি হবে না, বরং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বিল এলাকার হাজার হাজার নি¤œআয়ের মানুষ ও মৎস্যজীবী দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা সংকটে পড়বেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগ মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সচেতনতামূলক সভা করলেও তা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের থামাতে পারছে না। নামমাত্র জরিমানা বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা এই কাঠামোগত ক্ষতি রোধে কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা জিম্মি করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের এই অতি-মুনাফালোভী বৈরী আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে মৎস্য ঘের নীতিমালার কঠোর ও আপসহীন বাস্তবায়ন জরুরি। যেসব ঘের মালিক সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেবল জরিমানা নয়, বরং ফৌজদারি আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে অবৈধভাবে দখলকৃত খাল ও কালভার্টের মুখ অবিলম্বে উন্মুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে নাÑসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত স্থায়ী পদক্ষেপ নেবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশ গ্রহণে ক্লাস্টারভিত্তিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউআরসি ট্রেনিং সেন্টারে ৪টি ক্লাস্টারের এই পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, ঝংকর ঢালী, সোহাগ আলম ও আশেকুজ্জামান।
আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, চম্পাখালী ও বুধহাটা ক্লাস্টারের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, জুন ক্লোজিংয়ের বিবিধ ভাউচার জমা এবং বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।