সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ভালো খেলেও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে পিছিয়ে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
ভালো খেলেও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে পিছিয়ে বাংলাদেশ

মালয়েশিয়ার কাছে হারের পর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ছিল বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্যেই একাদশে চার পরিবর্তন এনে শুরু থেকেই আগ্রাসী ও গোছানো ফুটবল খেলেছে থমাস ডুলির দল। বল দখল ও আক্রমণে আশাজাগানিয়া পারফরম্যান্সের পরও শেষ হাসি হাসতে পারেনি বাংলাদেশ। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিয়ে বিরতির আগে এক গোলে পিছিয়ে গেছে লাল-সবুজের দল।

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে সোহেল রানাসহ বাংলাদেশ দলে চার পরিবর্তনসিঙ্গাপুরের বিপক্ষে সোহেল রানাসহ বাংলাদেশ দলে চার পরিবর্তন
গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে জায়গা হয়নি মিডফিল্ডার সোহেল রানার। তার সঙ্গে একাদশের বাইরে রাখা হয়েছে ফারহান আলী ওয়াহিদ, ফাহমিদুল ইসলাম ও শাকিল আহাদ তপুকে। তাদের পরিবর্তে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, জিদান ইউসুফ, শুকি ইতোফুসা ও শেখ মোরসালিন।

পরিবর্তিত একাদশ নিয়ে শুরু থেকেই আগের ম্যাচের চেয়ে গোছানো ফুটবল উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ। ৪-৪-২ ছকে খেলা ডুলির দল শুরু থেকেই আগ্রাসী মনোভাব দেখিয়েছে। বিল্ডআপ ফুটবলের মাধ্যমে সমন্বয় করে আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টাও ছিল। কিন্তু আক্রমণভাগে গিয়ে সেই ধারটা দেখা যায়নি। অবস্থা এমন ছিল যে বিরতির আগে বাংলাদেশের কোনো শটই লক্ষ্যে থাকেনি।

রাকিব হোসেন ও শেখ মোরসালিন কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কার্যকর শট নিতে পারেননি। বিপরীতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে গেছে সিঙ্গাপুর। প্রথমার্ধে তিনটি শট লক্ষ্যে রেখে একটি থেকে গোল পেয়েছে তারা।

শুরুর দিকেই হলুদ কার্ড দেখেন শমিত সোম। এরপর ১৭ মিনিটে বাংলাদেশকে বড় বিপদ থেকে বাঁচান গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। আব্দুল্লাহ নূরের ক্রস থেকে ইলহান ফান্দির প্লেসিং ডান দিকে ঝাঁপিয়ে এক হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি।

কুলিং ব্রেকের পর কিছুটা পিছিয়ে গিয়ে খেলতে শুরু করে বাংলাদেশ। আর তাতেই সিঙ্গাপুরের আক্রমণের চাপ বাড়ে। ৩২ মিনিটে হ্যারিস স্টুয়ার্টকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন জিদান ইউসুফ। সেই ফ্রি-কিক থেকেই গোলের খুব কাছে চলে এসেছিল সিঙ্গাপুর।

জ্যাকব উইলিয়ামের হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে আবারও বাংলাদেশকে বাঁচান শ্রাবণ। পরে বক্সের ভেতর থেকে ফিরতি শটও প্রতিহত করেন তারিক কাজী।

তবে বাংলাদেশের প্রতিরোধ বেশিক্ষণ টেকেনি। ৩৫ মিনিটে গোল পেয়ে যায় সিঙ্গাপুর। ডান দিক থেকে নূর আব্দুল্লাহর ক্রসে ফাঁকায় থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট জোরালো হেডে বল জালে পাঠান। এবার আর কিছুই করার ছিল না শ্রাবণের।

দুই মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল সিঙ্গাপুর। ইলহান ফান্দির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল হজম থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ।

এরপর বল নিজেদের দখলে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু আক্রমণের শেষ মুহূর্তে গিয়ে সেই কার্যকারিতা দেখা যায়নি। ফলে সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষককে আর তেমন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি ডুলির শিষ্যরা।

বাংলাদেশ একাদশ: মেহেদী হাসান শ্রাবণ, সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ, জায়ান আহমেদ, হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া, শমিত সোম, শুকি ইতোফুসা, শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন।

Ads small one

চৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
চৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

মিলন বিশ্বাস: জ্যোৎস্নামাখা রাত। নীরব আকাশের নিচে চারদিকে সুরের আবেশ। কখনো প্রেম, কখনো বিরহ, কখনো পুরোনো দিনের স্মৃতির মায়া-কণ্ঠশিল্পী চৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে একের পর এক কালজয়ী গান যেন ছুঁয়ে যায় শ্রোতাদের হৃদয়। তাঁর কণ্ঠের মাধুর্যে শনিবার রাতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ছাদ হয়ে ওঠে এক মায়াবী সংগীতমঞ্চ।

২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে ঐতিহ্যবাহী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দক্ষিণ পাশের ছাদে ‘আলোর ইশকুল-চৈতন্যের আলোকযাত্রা’র বিশেষ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় কণ্ঠশিল্পী চৈতালী মুখার্জির একক সংগীত সন্ধ্যা। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সদস্যবৃন্দের আয়োজনে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এই সংগীতের আয়োজন।

তিন ঘণ্টার এই সুরেলা সন্ধ্যায় চৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে প্রাণ পায় বাংলা গানের বহু জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান। ‘এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়’, ‘এ শুধু গানের দিন’, ‘এ লগন গান শোনাবার’, ‘ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা’, ‘মরমী গো, আজি মনের কথাটি বলোনা’, ‘আর দেখো না সেই মধু নামে’, ‘এই মন জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে’ এবং ‘অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে’-এমন সব গানে ভরে ওঠে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ছাদ।

এরপর একে একে পরিবেশন করেন ‘আমায় প্রশ্ন করে নীল ধ্রুবতারা’, ‘তারা ঝিলমিল স্বপ্ন মিছিল’, ‘তখন তোমার একুশ বছর বোধহয়’, ‘নিশি রাত বাঁকা চাঁদ’, ‘ও চাঁদ সামলে রাখো জোছনাকে’, ‘যদি কাগজে লেখ নাম মুছে যাবে’, ‘নদীর যেমন ঝরনা আছে, আমার আছে তুমি’ এবং ‘আমার সন্ধ্যায় প্রান্ত পাখিরা’সহ আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় গান।

চৈতালীর কণ্ঠে কখনো ছিল নরম প্রেমের আবেশ, কখনো বিরহের বিষণœতা, আবার কখনো ছিল পুরোনো দিনের স্মৃতিমেদুরতা। গানের সঙ্গে তাঁর কণ্ঠের আবেগ আর জ্যোৎস্নামাখা রাতের পরিবেশ মিলে তৈরি করে এক অনন্য অনুভূতি। উপস্থিত শ্রোতারা গভীর মনোযোগে উপভোগ করেন প্রতিটি পরিবেশনা। গান শেষে করতালি আর ভালোবাসায় শিল্পীকে অভিবাদন জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন অঙ্গনের গুণীজনসহ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি এবং শ্রোতাদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সংগীতসন্ধ্যাটি হয়ে ওঠে আরও প্রাণময়।

চৈতালী মুখার্জির সংগীত পরিবেশনে মুগ্ধ হয়ে অবসরপ্রাপ্ত সচিব, লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ আলী খান শিল্পীর হাতে তাঁর সংকলন ও সম্পাদনায় প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ এবং তাঁর নিজের লেখা ‘৫০১ টাকা ও অন্যান্য গল্প’-এই দুটি বই উপহার দেন। সংগীতের প্রতি ভালোবাসা ও শিল্পীর পরিবেশনার প্রতি সম্মান হিসেবে দেওয়া এই উপহার মুহূর্তটি অনুষ্ঠানে ভিন্ন আবেগের জন্ম দেয়।

অনুষ্ঠান শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে চৈতালী মুখার্জি বলেন, “এটি আমার সংগীত জীবনের একটি বড় অর্জন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মতো একটি জায়গায় একক সংগীত অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। এমন একটি আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননশীলতার চর্চার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছে। ‘আলোকিত মানুষ চাই’-এই দর্শনকে ধারণ করে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির আঙিনায় সংগীতের এমন আয়োজন যেন সাহিত্য ও সংস্কৃতির সেই আলোর সঙ্গে সুরেরও এক সুন্দর সংযোগ তৈরি করে।

রাত যত গভীর হয়েছে, আকাশের জ্যোৎস্না ততই মিশে গেছে চৈতালীর কণ্ঠের সুরে। তিন ঘণ্টার পরিবেশনা শেষে অনুষ্ঠান শেষ হলেও শ্রোতাদের মনে থেকে যায় গানের রেশ। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ছাদে সেই রাত যেন হয়ে ওঠে এমন এক স্মরণীয় সন্ধ্যা-যেখানে জ্যোৎস্নার সঙ্গে মিশে ছিল সুর, আর সুরের সঙ্গে মিশে ছিল চৈতালীর কণ্ঠের মায়া।

সাতক্ষীরা জেলা ডিবি কার্যালয় বার্ষিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ডিবি কার্যালয় বার্ষিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কার্যালয় বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কার্যালয়ে এলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার ডিবি কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক রেজিস্টার, নথিপত্র ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেন। একই সঙ্গে দাপ্তরিক কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পাটকেলঘাটার স্বাগতা ক্লিনিকে সিভিল সার্জনের অভিযান: ওটি ও প্যাথলজি সিলগালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটার স্বাগতা ক্লিনিকে সিভিল সার্জনের অভিযান: ওটি ও প্যাথলজি সিলগালা

শাহিন আলম, খলিষখালী (পাটকেলঘাটা): সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটায় অবস্থিত স্বাগতা ক্লিনিকে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্যাথলজিস্ট না থাকা, অপারেশন থিয়েটারে অব্যবস্থাপনা ও লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
অভিযানে ক্লিনিকটির অপারেশন থিয়েটার (ওটি) ও প্যাথলজি বিভাগ বন্ধ ঘোষণা করে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান, মেডিকেল অফিসার (সিএস) ইসমত জাহান সুমনা এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান সহকারী আশিক নেওয়াজ।

অভিযানের সময় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা দেখতে পান, ক্লিনিকটির হালনাগাদ কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। এমনকি সরেজমিনে কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক বা ডিপ্লোমাধারী নার্সকেও সেখানে পাওয়া যায়নি।

অভিযান শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান জানান, ক্লিনিকটির ল্যাবে কোনো অনুমোদিত প্যাথলজি টেকনিশিয়ান ছিলেন না। এছাড়া অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) ভেতরের অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। ওটি রুমের নির্দিষ্ট পরিমাপ ছিল না, ছিল না কোনো অ্যানাস্থেসিয়া। নিয়ম অনুযায়ী অস্ত্রোপচারের সময় প্রধান চিকিৎসকের সঙ্গে একজন সহকারী চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও সেখানে নন-মেডিকেল কর্মীদের দিয়ে অপারেশনের কাজ চালানো হতো।

অস্ত্রোপচার পরবর্তী নবজাতক বা রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখার কোনো আলাদা কক্ষ ছিল না এবং ওটি রেজিস্টারও মেইনটেইন করা হতো না। এমনকি অপারেশনের পর রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে চিকিৎসকের কোনো স্বাক্ষর পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

এসব কারনে ক্লিনিকের প্যাথলজি ও অপারেশন থিয়েটারের যাবতীয় কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে রুমে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এখন থেকে ওই ক্লিনিকে কেবল বহির্বিভাগের (আউটডোর) রোগী দেখা ছাড়া অন্য সব ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম জানান, ক্লিনিকটিতে স্বাস্থ্যসেবার নামে রোগীদের সাথে চরম প্রতারণা ও জীবনঝুঁকি তৈরি করা হচ্ছিল। আমরা ওটি ও প্যাথলজি বিভাগের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছি। রোগীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগে ক্লিনিকের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসিকে) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।