বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

চৈত্র সংক্রান্তি ও কৃষিজীবনের নারীর লোকায়ত সংস্কৃতি: গ্রামীণ বাংলার অন্তর্লীন উৎসবচেতনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
চৈত্র সংক্রান্তি ও কৃষিজীবনের নারীর লোকায়ত সংস্কৃতি: গ্রামীণ বাংলার অন্তর্লীন উৎসবচেতনা

সচ্চিদানন্দ দে সদয়
চৈত্র সংক্রান্তি বাংলা বর্ষপঞ্জির শেষ দিন। এটি শুধু একটি ক্যালেন্ডারিক সমাপ্তি নয়, বরং গ্রামীণ বাংলার কৃষিনির্ভর জীবনের এক গভীর সাংস্কৃতিক উপলক্ষ। পুরোনো বছরের ক্লান্তি, অর্জন, ব্যর্থতা ও স্মৃতিকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের সম্ভাবনাকে বরণ করার এক অনন্য সামাজিক আচার এই দিনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে কৃষিজীবী সমাজে, যেখানে প্রকৃতি ও জীবিকার সম্পর্ক অটুট, সেখানে চৈত্র সংক্রান্তি এক ধরনের মানসিক পুনর্জাগরণ। এই উৎসবের কেন্দ্রে রয়েছে কৃষিজীবনের নারী-যিনি ঘর, পরিবার, কৃষি এবং প্রকৃতির মধ্যে এক নীরব সেতুবন্ধন তৈরি করেন।বাংলা বছরের শেষ মাস চৈত্র। গ্রীষ্মের প্রচ- দাবদাহে প্রকৃতি যখন শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে, তখন কৃষক সমাজ নতুন বর্ষার অপেক্ষায় থাকে। এই সময়েই চৈত্র সংক্রান্তি পালিত হয়, যা ঋতুচক্রের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন চিহ্নিত করে। কৃষিজীবী মানুষের কাছে এই সময় মানে হলো-জমির প্রস্তুতি, বীজ সংরক্ষণ, এবং নতুন চাষের পরিকল্পনা। প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এই সমাজে চৈত্র সংক্রান্তি তাই এক গভীর অর্থ বহন করে। চৈত্র সংক্রান্তির সবচেয়ে গভীর দিকটি হলো কৃষিজীবনের নারীর ভূমিকা। তারা শুধু গৃহিণী নন, বরং কৃষিভিত্তিক সমাজের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই সময়ে নারীরা বিভিন্ন ব্রত পালন করেন, যা পরিবারের কল্যাণ, স্বামীর কৃষিকাজের সফলতা এবং সন্তানের সুস্থতার জন্য নিবেদিত। তাদের ব্রতকর্মের মধ্যে রয়েছে-নিরামিষ আহার, উপবাস, ঘর পরিষ্কার এবং বিশেষ শাক-সবজি সংগ্রহ। বিশেষভাবে ‘চৌদ্দ শাক’ আহারের ঐতিহ্য এই সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই চৌদ্দ শাকের মধ্যে একটি অবশ্যই তিতা স্বাদের হতে হয়, যেমন গিমা শাক। বিশ্বাস করা হয়, এই শাক শরীরকে শুদ্ধ করে এবং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের ভারসাম্য বজায় রাখে। গ্রামীণ সমাজে চৈত্র সংক্রান্তি শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের এক লোকজ পদ্ধতি। কুড়িয়ে পাওয়া শাক, বৃষ্টির পূর্বাভাস, গাছপালার অবস্থা-সবকিছুই ভবিষ্যৎ কৃষির ইঙ্গিত বহন করে বলে বিশ্বাস করা হয়। এই বিশ্বাস কৃষি সমাজকে প্রকৃতির প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে। প্রকৃতিকে শোষণ নয়, বরং সহাবস্থানের দৃষ্টিতে দেখা-এই দর্শনই চৈত্র সংক্রান্তির অন্তর্নিহিত শিক্ষা। চৈত্র সংক্রান্তির সঙ্গে যুক্ত গাজন ও চড়ক উৎসব গ্রামীণ বাংলার লোকসংস্কৃতির এক শক্তিশালী প্রকাশ। শিব ও গৌরী কেন্দ্রিক এই উৎসবে নৃত্য, কীর্তন এবং শোভাযাত্রা গ্রামজীবনে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে। চড়ক উৎসবে ভক্তদের আত্মত্যাগমূলক আচার-অনুষ্ঠান হলেও এর মূল উদ্দেশ্য ভক্তির প্রতীকী প্রকাশ। আধুনিক সময়ে অনেক ক্ষেত্রে এই আচার প্রতীকী রূপে সীমাবদ্ধ হলেও এর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ন।
চৈত্র সংক্রান্তির প্রস্তুতিতে নারীর ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তারা সকাল থেকে ঘর পরিষ্কার, উঠান গোছানো, গোয়ালঘর পরিচ্ছন্ন করা এবং পশুপালনের কাজে সক্রিয় থাকেন। দুপুরের বিশেষ নিরামিষ ভোজ-ছাতু, চিড়া, দই, মুড়ি, খই, তিল ও নারিকেলের নাড়ু-সবকিছুর প্রস্তুতিও তাদের হাতেই সম্পন্ন হয়। এই শ্রম সাধারণত অদৃশ্য থেকে যায়, কিন্তু উৎসবের প্রাণশক্তি গড়ে তোলে এই নারীরাই। চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অনুষঙ্গ হলো হালখাতা। পুরোনো হিসাব শেষ করে নতুন খাতা খোলার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা নতুন বছরের সূচনা করেন। এই সময়ে দোকান পরিষ্কার, মিষ্টি বিতরণ, এবং গ্রাহকদের আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে এক সামাজিক সম্পর্ক পুনর্গঠিত হয়। এটি শুধু অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া নয়; এটি বিশ্বাস ও সম্পর্কের পুনর্নবীকরণ। চড়ক উৎসবের ইতিহাস বহু পুরোনো। কিছু লোককথা অনুযায়ী, ১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুর এই উৎসবের প্রচলন করেন বলে বিশ্বাস করা হয়। তবে এর ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ সরকার কিছু কঠোর আচার নিষিদ্ধ করলেও লোকজ সংস্কৃতিতে এর উপস্থিতি এখনও রয়ে গেছে। এটি গ্রামীণ মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ হয়ে আছে। চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বসা মেলা গ্রামীণ সমাজের মিলনকেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন বয়স, শ্রেণি ও পেশার মানুষ একত্রিত হন। এটি শুধু বিনোদন নয়; এটি সামাজিক যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্র। আগে এই মেলায় আত্মীয়-স্বজনদের আমন্ত্রণ জানানো হতো, নতুন পোশাক দেওয়া হতো এবং বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হতো। আজও সেই ঐতিহ্যের কিছু অংশ টিকে আছে। শহুরে সংস্কৃতির প্রভাব গ্রামীণ চৈত্র সংক্রান্তিকেও পরিবর্তিত করেছে। অনেক আচার সংক্ষিপ্ত হয়েছে, কিছু রীতি প্রতীকী রূপ নিয়েছে। তবে মূল চেতনা-নবজীবনের আহ্বান ও প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা-এখনও অক্ষুণ্ন। এই পরিবর্তন একদিকে যেমন ঐতিহ্যের রূপান্তর, অন্যদিকে তেমনি সংস্কৃতির অভিযোজন। চৈত্র সংক্রান্তি কেবল একটি উৎসব নয়; এটি কৃষিজীবী মানুষের জীবনদর্শন। কৃষিজীবনের নারীর ব্রত, লোকবিশ্বাস, প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক এবং সামাজিক সংহতির এক অনন্য সমন্বয় এই উৎসব। এই সংস্কৃতি যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন গ্রামীণ বাংলার শিকড়ও অটুট থাকবে। চৈত্র সংক্রান্তি তাই শুধু অতীতের স্মৃতি নয়-এটি ভবিষ্যতের সাংস্কৃতিক সম্ভাবনাও বটে। লেখক: সংবাদ কর্মী

Ads small one

সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী সিপিজি কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে সাতক্ষীরা সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (সিএমসি) ও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ।

সিএমসি সভাপতি মাহামুদা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বনভিবাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) এরফান উদ্দিন। সিএমসি সদস্য আবু ফরিদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী, কলাগাছিয়া বনবিভাগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সুলজ কুমার দ্বীপ, ফরেস্ট জামে মসজিদের ইমাম রেজাউল করিম, সিপিজি সদস্য পঞ্চি রানী ও রুহুল আমিন, সিএমসি সদস্য আব্দুর রশিদ এবং উপকূল প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম।

বক্তারা বলেছেন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধু বাংলাদেশের জাতীয় গর্ব নয়, সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার আয়োজনে ও দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আলিম,
সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মুহা: মুনিরুদ্দীন, দেবহাটা সরকারি বি. বি. এম.পি ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেবহাটা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আকবর আলী, দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোঃ শাহজাহান আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জয়দেব কুমার পাল, দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মির্জা মুহসিন আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল আজাদ প্রমুখ।

 

ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল- দুর্নীতি দমনের জন্য আইন ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিক দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন এবং বিতর্কের বিপক্ষ দল হিসাবে অংশ নেয় পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার লাভ করেন আফরিনা আলম পাপড়ি

রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা উপজেলার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান।

 

 

 

দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, দেবহাটা বিজিবির নায়েব সুবেদার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ আব্দুস সাত্তার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান ফরহাদ, জুলাই যোদ্ধা মুজাহিদ বিন ফিরোজসহ বিজিবি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবিকে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে জানানো হয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিলন সাহা বলেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।