সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের কার্যকরী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অনলাইন গণমাধ্যমের পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে শ্যামনগরের সুন্দরবন পিকনিক কর্নারে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের সাবেক সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রহমান।

নবগঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটিতে গাজী নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক এবং সরদার আলামিনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন বশির উদ্দিন সাজু, মাসুম বেলাল কাইয়ুম ও আবু রায়হান।

সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং সদস্যদের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা গণমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে জনস্বার্থে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং শ্যামনগরে অনলাইন সাংবাদিকতার পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

Ads small one

সম্পাদকীয়/ প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার নিশ্চিত হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার নিশ্চিত হোক

উপকূলীয় লোনাঞ্চলের লাখো মানুষের দীর্ঘদিনে লালিত একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। বেতগ্রাম থেকে তালা-পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কটির উন্নয়ন ও বাঁক সরলীকরণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। ৫৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্প পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে খুলনা ও সাতক্ষীরার চার উপজেলার সড়ক যোগাযোগে এক নতুন দিগন্ত সূচিত হবে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, বিশাল বিশাল গর্ত আর ধূলিবালির নরকযন্ত্রণা সহ্য করা পথচারী ও এলাকাবাসীর জন্য এটি নিঃসন্দেহে স্বস্তির বার্তা।

প্রকল্পের সুফল নিয়ে কোনো দ্বিধা না থাকলেও এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া যেসব অভিজ্ঞতা ও প্রশ্ন রেখে যাচ্ছে, তা এড়ানো অসম্ভব। ২০২০ সালে ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালে এসে পৌঁছানো এবং ব্যয় প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা বেড়ে ৫৩৫ কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকার বিষয়টি আমাদের পরিকাঠামো খাতের এক পুরনো ও পরিচিত ব্যাধির কথাই স্মর করিয়ে দেয়Ñপ্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও সময়মতো জমি অধিগ্রহণে ব্যর্থতা।

সড়ক ও জনপথ দপ্তর (সওজ) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভাষ্যমতে, ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করার ক্ষেত্রে ১১.২৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং জেলা প্রশাসন ও ভূমি মালিকদের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণেই এই বিলম্ব। প্রয়োজনীয় অর্থ বা চেক প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও ভূমি মালিকরা সঠিক সময়ে ক্ষতিপূরণের টাকা না পাওয়ায় আন্দোলন-বিক্ষোভের মুখে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের মতো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকল্পের শুরুতেই সঠিকভাবে নিবৃতি ও সমন্বয় করা গেলে আজ চার বছরের বাড়তি বিলম্ব এবং জনগণের দীর্ঘ ভোগান্তি এড়ানো যেত।

যেকোনো অবকাঠামোগত প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ। এই অঞ্চলের মানুষের কৃষিজাত পণ্য সরবরাহ, জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ এবং দৈনিক যাতায়াত সহজ করতে সড়কটির অবদান হবে অনস্বীকার্য। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং কপিলমুনি ও গোলাবাটি মোড়সহ শেষদিকের বাকি কাজটি চলতি মাসের মধ্যেই শেষ করে বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

আমরা আশা করব, সওজ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট এই স্বল্প সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে সড়কটির অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করবে। একই সাথে, জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত যেসব জটিলতা এখনো বিক্ষিপ্তভাবে রয়ে গেছে, স্থানীয় জেলা প্রশাসন তা দ্রুত ও সঠিকভাবে নিষ্পত্তি করবে। উন্নয়নের মিষ্টি ফলের পাশাপাশি যেন সময় ও অর্থের অপচয়ের তেঁতো অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রকল্পে পুনরায় দেখতে না হয়Ñসে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীতিগত শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি

সুস্বাদু পেড়া-সন্দেশ ও খাঁটি ছানার মিষ্টিতে বিশ্বজয়ের গল্প

আসাদুজ্জামান সরদার: সাতক্ষীরার মিষ্টির নাম শুনলেই জিভে জল আসে না-এমন লোক খুঁজে পাওয়া দায়। জেলার সীমান্ত ছাড়িয়ে দেশের সীমানা পেরিয়ে এখন আন্তর্জাতিক বাজারে জায়গা করে নিয়েছে উপকূলীয় এই জেলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন। শতবছরের সুনাম, খামারিদের নিরলস শ্রম এবং খাঁটি ছানার সুস্বাদু ছোঁয়ায় সাতক্ষীরার মিষ্টির কদর ছড়িয়ে পড়েছে কানাডা, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে।

সাতক্ষীরার মিষ্টির ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সাতক্ষীরার মিষ্টির ইতিহাস শুরু ব্রিটিশ আমলে হাজারি ময়রার হাত ধরে, যা সেসময়েও লন্ডনে যেতো। পরবর্তীতে সুশীল ময়রা, কেষ্ট ময়রা ও ফকির ময়রার হাত ধরে এ অঞ্চলের মিষ্টি শিল্প অনন্য উচ্চতায় পৌঁছায়। বিশেষ করে ফকির ময়রার হাত ধরেই খ্যাতি পায় বিশ্ববিখ্যাত ‘পেড়া সন্দেশ’।

মূলত খাঁটি ছানার পেড়া সন্দেশ ও সন্দেশই সাতক্ষীরার প্রধান ঐতিহ্য। এই মিষ্টি শিল্পের মূল ভিত্তি হলো জেলার উদ্বৃত্ত দুধ।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৩০ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে ২ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৪১.১৩ মেট্রিক টন। তালার জিয়ালা ও খলিশখালিসহ সদর ও কালিগঞ্জের বিপুল উদ্বৃত্ত দুধ ও উন্নত ফ্যাটের কারণে এ অঞ্চলের মিষ্টির স্বাদ অতুলনীয়।

জানা যায়, সাধারণ মিষ্টির মেয়াদ কম হলেও নলেন গুড়ের পেড়া সন্দেশ তাপমাত্রায় ১০-১৫ দিন এবং ফ্রিজে মাসের পর মাস ভালো থাকে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২০২২ সাল থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে কানাডায় নিয়মিত যাচ্ছে নলেন গুড়ের প্যাড়া সন্দেশ, সন্দেশ, ল্যাংচা ও কাঁচাগোল্লা। বছরে গড়ে প্রায় এক টন মিষ্টি মাইনাস ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফ্রোজেন করে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর হয়ে কানাডায় পাঠানো হচ্ছে।

‘দই সন্দেশ’-এর ম্যানেজার সাদ বলেন, আমাদের এখান থেকে বিদেশগামী ক্রেতাদের মাধ্যমে বিশেষ করে রসগোল্লা এবং পেড়া সন্দেশ-এই দুটি মিষ্টি সবচেয়ে বেশি সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হয়।

‘সাগর সুইটস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান তাজ বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির পাশাপাশি সাতক্ষীরার নলেন গুড়ের পেড়া-সন্দেশ বিদেশে নিয়মিত সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০২২ সাল থেকে ভেন্ডর হিসেবে আমরা কানাডায় গড়ে প্রতি বছর এক টনের মতো মিষ্টি পাঠাচ্ছি। নলেন গুড়ের বিশেষ ফ্লেভারের কারণে আমাদের এই মিষ্টিটি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয় এবং এটি সাতক্ষীরার জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পূর্ণ দাবি রাখে। সাতক্ষীরায় ফ্রোজেন আইটেমের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রসেসিং ইউনিট না থাকায় জেলাভিত্তিক কেন্দ্র স্থাপন ও সরাসরি পণ্য বিক্রির সহজ আন্তর্জাতিক মাধ্যম চালুর দাবি জানাচ্ছি।

প্রবীণ সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি বলেন, সাতক্ষীরার মিষ্টির মূল ইতিহাস ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু। সে সময় হাজারি ময়রার মিষ্টির দোকান এতটাই খ্যাতনামা ছিল যে, তাঁর তৈরি মিষ্টি ইংল্যান্ড পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতো। পরবর্তীতে সুশীল ময়রা ও কেষ্ট ময়রা মিষ্টির বাজার নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাঁদের পর ফকির ময়রার হাত ধরে বিশেষ করে ‘পেড়া সন্দেশ’ দেশজুড়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করে। এ ছাড়া কেষ্টা ময়রার সন্দেশও তাঁর নিজস্ব ফ্লেভারের জন্য দারুণ জনপ্রিয়। পরবর্তীতে পূর্ণ সাহা ও বর্তমানে তাঁর ছেলে কীর্তি সাহারা ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির ধারা ধরে রেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, সাতক্ষীরার আসল ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি বলতে মূলত খাঁটি ছানার সন্দেশ এবং নলেন গুড়ের পেড়া সন্দেশকেই বোঝায়। এর পাশাপাশি একসময় প্রতাপনগর ও নয়াবেকি হাটে ছানার তৈরি লাল রঙের ‘মালফো’ নামের বিশেষ একটি বড় মিষ্টি খুব নাম করেছিল, যা এখন আর তেমন দেখা যায় না। অন্যদিকে বর্তমানে বাজারে থাকা ‘ভাগ্যকূল’ বা ‘সাগর’ সাধারণ মিষ্টি তৈরি করে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ এম মান্নান কবির বলেন, “আমাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উৎপাদন অনেক বেশি। ২ লক্ষ ২৫ হাজার মেট্রিক টনের জায়গায় প্রায় ২ লক্ষ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন দুধ উৎপাদিত হয়েছে। চাহিদার তুলনায় দুধ উদ্বৃত্ত থাকায় এবং গুণগত মান ভালো হওয়ায় সাতক্ষীরার মিষ্টির সুনাম আজ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম বলেন, “উৎপাদনে দুগ্ধ খাতে সাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্রতিদিন রাতে ঢাকার গাড়িতে বিপুল পরিমাণ মিষ্টি দেশের নানা প্রান্ত চলে যায়। তবে মিষ্টি শিল্পে ব্যাংক লোন বা সরকারি সহায়তার সুযোগ নেই। আমাদের দাবি, এখানকার ঐতিহ্যবাহী প্যাড়া সন্দেশকে দ্রুত জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ

আশাশুনি প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষ্টমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ। তিনি আশাশুনি সদরসহ বিভিন্ন এলাকার পূজাম-প ঘুরে দেখেন এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নাকতাড়া কালিবাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, সব্দালপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, মহেশ্বরকাটি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির ও বুধহাটা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার তিন দিন ছুটি ঘোষণা করেছে। সরকার চায় দেশের সব মানুষ উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদ্যাপন করুক।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি নীলকণ্ঠ সোম এবং সাবেক ইউপি সদস্যসহ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।