বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

তালায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
তালায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তালা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় সজেকা খুলনার আয়োজনে ও তালা উপজেলা প্রশাসন ও তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অচিন্ত্য কুমার সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সকলকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আজকের এই নতুন প্রজন্মকে সততার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশন সজেকা খুলনার উপসহকারী পরিচালক মোঃ রুবেল হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি বিএম জুলফিকার রায়হান, উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য রহিমা খাতুন ও এস এম নাহিদ হাসান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাষ কুমার দাস, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জিএম শাওন ও ইউআরসি ইন্সটাক্টর ইমান উদ্দীন প্রমুখ। ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল- দেশের সার্বিক উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ হওয়ার মূল কারণই দুর্নীতি। ফাইনালে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পক্ষে অংশ নেয় সমকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিতর্কের বিপক্ষে অংশ নেয় কুমিরা পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে কুমিরা পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্কের ফাইনালে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার লাভ করেন বিজয়ী দলের বক্তা রিয়া ঘোষ।

রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তালা উপজেলার ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ তালা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Ads small one

ঐতিহ্যবাহি গুড়পুকুরের মেলা আজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যবাহি গুড়পুকুরের মেলা আজ শুরু

সংবাদদাতা: দুই বছর বন্ধ থাকার পর ফের শুরু হতে যাচ্ছে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা। আজ ১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে এই মেলা চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। এ অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় এই মেলা ঘিরে জেলাজুড়ে বাসিন্দাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসব-উদ্দীপনা।

পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এবার হয়তো মেলায় আগের মতো বিস্তীর্ণ পরিসর এবং সার্কাস, যাত্রা, হাউজি, যাদু, মৃত্যুকূপ কিংবা বিচিত্রা অনুষ্ঠানের মতো বিনোদনের হরেক অনুষঙ্গ থাকছে না। তবে শত বছরের ঐতিহ্য রক্ষার স্বার্থে মেলাটি পুনরায় আয়োজিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিশ্লেষকদের মতে, গুড়পুকুরের মেলা কেবল পণ্য কেনাবেচার বাণিজ্যিক আয়োজন নয়; এটি স্থানীয় সামাজিক সকল শ্রীনির মানুষের ও গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি বড় উপাদান। দীর্ঘদিন ধরে এটি বিনোদন, কেনাকাটা ও পারস্পরিক সামাজিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। মেলার দিনগুলোতে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত আত্মীয়স্বজনেরা সাতক্ষীরায় সমবেত হন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে মেলায় ঘোরাঘুরি ও কেনাকাটার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্যবাহী লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরার বড় সুযোগ তৈরি হয়।

দীর্ঘ বিরতির পর এবার উৎসবমুখর পরিবেশে মেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন মেলা আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। মেলা প্রাঙ্গণে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা, চাঁদা আদায় ইভটিজিং বা মব প্রতিরোধে নেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্য, স্কুলশিক্ষক আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্য, স্কুলশিক্ষক আটক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শ্রেণিকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করার অভিযোগে গোলাম কিবরিয়া লালন নামের এক স্কুলশিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ভেড়ামারা-প্রাগপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক গোলাম কিবরিয়া লালন দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষার্থীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বাংলা ক্লাস নিচ্ছিলেন শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালন। ক্লাসে তিনি সম্প্রতি জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাংলা ভাষণের প্রসঙ্গ তোলেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। বুধবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিএনপির নেতাকর্মীসহ একদল লোক জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল জানান, বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ওই শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষক লালন কটূক্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেছেন—দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে—এমন কথা ক্লাসে বলেছিলেন।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‌‘প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ উত্তপ্ত করার অভিযোগে ওই শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

রাত ৯টা পর্যন্ত শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া দৌলতপুর থানায় আটক আছেন। এখনও তার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানালেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দৌলতপুর সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন।

হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ঢাবির ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ হল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ঢাবির ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ হল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা হলেও প্রশাসনিকভাবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই হলের নামফলক থেকে ওসমান হাদির নাম মুছে আগের নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হল প্রশাসন।

গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে হলের মূল ফটকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা একটি ব্যানার টানানো হয়। তখন হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক আল সাবাহ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অধিকাংশ শিক্ষার্থী নাম পরিবর্তনের দাবির পক্ষে মত দিয়েছেন।

হলের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. জবান আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামটি সরিয়ে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখা হচ্ছে।

লিখিত আবেদন করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লিখিত আবেদন আমাদের কাছে নেই। মৌখিকভাবে বারবার এসে তারা আমাদের বিরক্ত করছে। অভিভাবকরা বিভ্রান্ত হন। তাদের সার্টিফিকেটে এক নাম, আর বলা হচ্ছে আরেক নাম। এখন শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হল লেখা হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ‘গত সিনেটে আগের সব নাম আগের মতো রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন সেটাই করা হচ্ছে।’

এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর রাতে হলের মূল ফটক থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা ওই নাম পরিবর্তন করেন।

শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তনের দাবিতে এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছিলেন ডাকসুর নেতারা। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ করা হয়।

একই সভায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ করারও সুপারিশ করা হয়।

তবে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ঘটনায় ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন। পরে প্রস্তাবটি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামটি মুছে ফেলার কাজ শুরু হয়। পরে সেখানে পুরোনো নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

হল প্রশাসনের পক্ষ থেকেই নামটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হল সংসদের বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নামফলক সরানোর একটি ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হলের সামনে এসে অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে যায় হল চিনতে। আজ থেকে আর সেই বিভ্রান্তি থাকবে না। আগের নামটি ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে।’

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে হলটির নাম বর্তমানে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ হিসেবেই উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল-সংক্রান্ত তথ্যে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এ হলটির নাম শেখ মুজিবুর রহমানের নামে করা হয়।