মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রকৃতির ভারসাম্য এবং উদ্ভিদকুল টিকিয়ে রাখতে মৌমাছির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃতির ভারসাম্য এবং উদ্ভিদকুল টিকিয়ে রাখতে মৌমাছির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

প্রকাশ ঘোষ বিধান
মৌমাছি চমৎকার একটি পতঙ্গ এবং পৃথিবী রক্ষায় অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। মৌমাছি ফুলের পরাগায়ন ঘটায়ে বৃক্ষ ও অন্যান্য উদ্ভিদের জীবনধারণ এবং প্রাণীদের খাদ্যশস্যে আহরণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় মৌমাছির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মৌমাছির মতো পতঙ্গ উদ্ভিদের পরাগায়ন বা প্রজননে ভূমিকা রাখে। মৌমাছি ফুল থেকে তাদের পরাগগুলো অন্য ফুলে ছড়িয়ে দেয়। মৌমাছি যখন এক ফুল থেকে আরেক ফুলে মধু আহরণ করে তখন মৌমাছির গায়ে লেগে যাওয়া প্রথম ফুলের পুরুষ পীঠের পরাগ রেণু অন্য ফুলের স্ত্রী গর্ভমুন্ডে স্থানান্তরিত হয়। তখনই ফুলের পরাগায়ন ঘটে এবং প্রায় সব ধরণের ফসল বংশবিস্তার করতে পারে।
২০১৬ সালে স্লোভেনিয়া সরকার জাতিসংঘের কাছে ২০মে বিশ্ব মৌমাছি দিবস পালনের প্রস্তাব করে এবং ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো দ্বারা দিবসটি অনুমোদিত হয়। ২০১৮ সালের ২০মে থেকে বিশ্ব মৌমাছি দিবস পালন করা হয়। অ্যান্টন জনসা হলেন স্লোভেনীয় মৌমাছি পালক। স্লোভেনীয় মৌমাছি পালক অ্যান্টন জনসাকে আধুনিক মৌমাছি পালনের জনক বলা হয়। ১৭৩৪ সালের ২০ মে হল অ্যান্টন জনসার জন্মদিন। তাই তার জন্মদিনেই পালিত হয় বিশ্ব মৌমাছি দিবস।
বৈশ্বিক কৃষির পরাগায়নের পেছনে ভূমিকা রাখছে মৌমাছি। এরা ৯০ শতাংশ বন্য উদ্ভিদ এবং ৭০ শতাংশ কৃষি ফসলের পরাগায়নে প্রধান ভূমিকা রাখে, যা ফলন ২৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। পরিবেশের সবচেয়ে পরিশ্রমী এই পতঙ্গটির অনুপস্থিতিতে পুরো মানবজাতি ও প্রাণীকুল এক মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে। মৌমাছির অবদানে টিকে থাকা সবুজ উদ্ভিদ পৃথিবীর কার্বন শোষণ করে আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ সচল রাখে। কখনও যদি মৌমাছি বিলুপ্ত হয়ে পড়ে তাহলে মানুষসহ পুরো প্রাণীকুল নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে।
বিশ্বে মৌমাছির প্রায় আড়াইশ প্রজাতি রয়েছে। কিন্তু এরমধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ প্রজাতির মৌমাছি মধু সংগ্রহ আর পরাগায়নের কাজ করে। সাত ধরণের প্রজাতি মহা বিপন্নের তালিকায় রয়েছে। গত এক দশকে মৌমাছির সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশ কমে গিয়েছে। যার মূল কারণ, জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ন, ফুল কমে যাওয়া এবং মৌচাক গড়ার মতো ঝোপঝাড় বা গাছ কমে যাওয়া। বৈরি আবহাওয়ায় অনেক মৌচাক ভাইরাসসহ নানা রোগে দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। আবার ফসল ক্ষেত পোকামাকড় থেকে রক্ষা করতে যে কীটনাশক ব্যবহার করা হয় এতেও মৌমাছি আক্রান্ত হয়ে প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
মৌমাছি একটি সামাজিক পতঙ্গ। এরা দলবদ্ধভাবে চাক বানিয়ে বাস করে। মৌমাছিদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাধর হল রানি মৌমাছি। মৌচাকের ডিম পাড়ার দায়িত্ব পালন করে রানি মৌমাছি। এর বাইরে আর কোন কাজ করে না। রানি মৌমাছি আকারে সবার থেকে বড় এবং তার সম্পূর্ণরূপে বিকশিত ডিম্বাশয় থাকে। একটি রানি মৌমাছি দিনে দুই হাজারের বেশি ডিম পাড়তে পারে। এজন্য প্রতিদিন একাধিকবার পুরুষ মৌমাছিদের সাথে মিলিত হয়। অনেক সময় পুরুষ মৌমাছি মিলিত হওয়ার পর পর মারা যায়।
রানি মৌমাছির ডিম থেকে স্ত্রী মৌমাছি জন্মায় যারা ভবিষ্যতের দায়িত্ব বণ্টনে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে কর্মী বা স্ত্রী মৌমাছিরা কিছু বিরল ক্ষেত্রে ডিম পাড়লেও সেটা অনুর্বর হয় যা থেকে পুরুষ মৌমাছি বা ড্রোন জন্মায়। যারা মৌচাক টিকিয়ে রাখতে তেমন কাজে লাগে না। রানি মৌমাছির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি ফেরোমোন বা রাসায়নিক গন্ধ ছড়ায় যা মৌচাকে তার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সাহায্য করে। এমনিতে রানি মৌমাছির মগজ কর্মী মৌমাছিদের চাইতে ছোট।
মৌমাছির মস্তিষ্কের আকার তিলের সমান হলেও তারা মানুষের মতো একে অপরের মুখ দেখেই চিনতে পারে, মনে রাখতে পারে। এই পতঙ্গ সেকেন্ডে দুইশ বার পাখা ঝাপটায় এবং ২০ মাইল গতিতে ছুটে অসংখ্য ফুলের নেকটার বা পুষ্পমধু সংগ্রহ করে। মৌমাছি কোন ভাল নেকটার বা পুষ্পমধু পেলে নেচে নেচে অন্য মৌমাছিদের সংকেত দেয়। মৌমাছির মোট পাঁচটি চোখ রয়েছে। দুই পাশে দুটি এবং মাখায় তিনটি। কিন্তু তারা লাল রং দেখতে পারে না। তীব্র ঘ্রাণশক্তির কারণে মৌমাছি পুদিনা পাতা সহ্য করতে পারে না। তার সামনের শুঁড় দিয়ে গন্ধ শোকে আর অন্য মৌমাছিদের সাথে যোগাযোগ করে। মৌমাছির দুটো পাকস্থলী রয়েছে। একটি খাবার হজমের জন্য এবং আরেকটি ফুলের রস সংরক্ষণের জন্য যা তারা মৌচাকে বয়ে আনে।
মৌমাছি ফল, সবজি ও তৈলবীজ ফসলের পরাগায়ন করে, যা মানুষের খাদ্য সরবরাহের জন্য অত্যাবশ্যক। বনের গাছপালা ও বন্যফুলের বংশবৃদ্ধিতে মৌমাছি সহায়তা করে, যা প্রকৃতির খাদ্যকৃঙ্খল সচল রাখে। মধু, মোম, এবং রয়্যাল জেলি উৎপাদনের মাধ্যমে মৌমাছি পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতিতে মৌমাছির উপস্থিতি মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং ক্ষতিকারক কীটনাশক কম ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করে।
মৌমাছি প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং অসময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফুল ফোটার সময় ও মৌমাছির জীবনচক্রে অমিল দেখা দিচ্ছে। কৃষিজমিতে অনিয়ন্ত্রিত ও মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক প্রয়োগের ফলে মৌমাছি মারা যাচ্ছে। কৃষিকাজে ক্ষতিকর রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বনভূমি ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কৃষিজমিতে মাত্রাতিরিক্ত বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মৌমাছির প্রাকৃতিক আবাসস্থল নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে মৌমাছির সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাস্তুতন্ত্রের জন্য এটি চরম হুমকি। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মৌমাছি সংরক্ষণ অপরিহার্য। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কুরবানির বাজারের চমক ‘লাল বাহাদুর’

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটি বিশাল আকৃতির গরু-‘লাল বাহাদুর’। ব্যতিক্রমী আকার ও দৃষ্টিনন্দন গড়নে ইতোমধ্যেই ক্রেতাদের নজর কেড়েছে এই গরুটি।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার কোমরপুর খামারবাড়িতে লালন-পালন করা হয়েছে ‘লাল বাহাদুর’ নামের এই গরুটি। কয়েক বছর ধরে যতœ আর বিশেষ খাবারে বড় করা হয়েছে তাকে।

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস আলফার প্রচেষ্টায় কোমরপুর এলাকায় গড়ে তোলা হয় এই খামারটি। যেখানে ৪টি পরিবারের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। খামারে কর্মরত এসব ব্যক্তিরা গরু দেখভাল করে তাদের পরিবার নির্বাহ করে আসছেন কয়েকবছর ধরে।

খামারে নিয়োজিত কর্মচারীরা জানালেন, প্রাকৃতিক খাবার ও যতেœই বড় করা হয়েছে এই খামারের সকলগরু। এখানে কোনো ধরনের ক্ষতিকর খাবার বা কোন কিছু ব্যবহার করা হয়নি। খড়, খাস, গমের ভূসি, ভুট্টা খাওয়ানো হয় এই খামারের গরুকে। ফলে এসব গরু দেখতে অনেকটা দেশীয় গরুর মত।

খামারে নিয়োজিত দায়িত্বপ্রাপ্ত আরেক কর্মচারী জানালেন, এখানে ২শ টি গরুর জন্য খামার তৈরী করা হয়েছে। বর্তমানে ৪০টি কুরবানির জন্য বিক্রি উপযোগী গরু রয়েছে। যার মধ্য আকর্ষণীয় লাল বাহাদুর। যার দাম ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২/৩ লাখ টাকার মধ্যে দাম চাওয়া হচ্ছে বাকি গরুর।

এদিকে, কুরবানির ঈদ ঘিরে বিশাল আকৃতি আর আকর্ষণীয় গড়নের কারণে ‘লাল বাহাদুর’ এখন সাতক্ষীরার কুরবানির বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দাম নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন এর ক্রেতা-সেদিকেই নজর সবার।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: এফ.এম. মান্নান কবীর বলছেন, জেলায় ১২ হাজার ৮৯৪টি খামারে পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এসব খামারে ৪৯ হাজারের বেশি গরু, ৪৪ হাজারের বেশি ছাগল এবং ৬ হাজারের বেশি ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু লালন-পালন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও কুরবানির বাজারে বড় গরু নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ। ‘লাল বাহাদুর’ কত দামে বিক্রি হয়-এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

 

শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ঘের দখলকে কেন্দ্র করে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক চিংড়ি ঘেরে হামলা চালিয়ে চার নারীসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। সোমবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর পল্লীতে নৃশংস এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো মেহেরুন্নেছা বেগম (৪০), মরিয়ম বিবি (৪৫), পারভীন আক্তার (২৪), খাদিজা আক্তার (২৬), গোলাম বারী (৫২), মনিরুল ইসলাম (৪৪), রবিউল ইসলাম (৩০) ও আলমগীর হোসেন (৩৩)।

চিংড়িঘেরের মাছ লুটে বাঁধা পেয়ে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল এবং তার ভাই সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তোভোগীদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মনিরুল ইসলামের ভাষ্য রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিগত সরকারের সময়ে তাদের স্বত্ত্ব দখলীয় জমি আনারুলের পরিবার দখল করে নেয়। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর আনারুলসহ তার সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে গেলে নিজেদের ফিরে পাওয়া সে জমিতে তারা চিংড়ি চাষ করে।

 

সম্প্রতি আনারুল ও তার পরিবারের পুরুষ সদস্যরা এলাকায় ফিরে উক্ত চিংড়িঘের দখলের হুমকি দিয়ে আসছিল।
মনিরুল জানায়, সোমবার রাতে আনারুল, সিরাজুল ও শাহিনের নেতৃত্বে আজিজুল, রাশিদুল, আলামিন, দেলওয়ার, ইদ্রিস, সিরাজুল, মাজেদ, ময়নুদ্দীন, আব্দুল্লাহ, সাইদুলসহ ২২/২৩ জন তাদের চিংড়িঘেরে হামলা চালিয়ে মাছ লুটের চেষ্টা করে। এসময় ঘের পাহারার দায়িত্বে থাকা গোলাম বারী ও রবিউল বাঁধা দিতে গেলে তাদের দু’জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের নারী সদস্যসহ অন্যরা এগিয়ে এলে হামলায় জড়িতরা ধারালো দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাদেরও রক্তাক্ত করে। একপর্যায়ে খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গ্রামবাসীদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি পৌছে দেয়।

অভিযুক্ত আনারুল জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রতিপক্ষ তাদের অনুকুলে রেকর্ড হওয়া উক্ত জমি দখল করে নিয়ে মাছ ছাড়ে। নিজেদের মালিকানাধীন জমি উদ্ধার করতে যেয়ে বাঁধার মুখে পড়লে দু’পক্ষ সংঘর্ষ হয়। নিজেরা শরীরে জখম তৈরী করে মনিরুল ও তার লোকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলেও তার দাবি।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান, পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌছে দিয়েছিল। এঘটনায় আহত মনিরুল সোমবার রাতে থানায় এজাহার জমা দিয়েছে। হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনাসহ মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে ব্যবসায়ী ও স্বত্বাধিকারীদের নিয়ে সভা

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী শিশু ও কিশোরদের দক্ষতাবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘দক্ষতা প্রশিক্ষণ পরিষেবা প্রদানকারীদের’ সাথে এক অ্যাডভোকেসি (সুপারিশ) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে আশাশুনি ‘পাথেয় ট্রেনিং সেন্টারে’ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’ এই সভার আয়োজন করে। নেদারল্যান্ডসের ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে এবং ‘সেন্টার ফর ডিজেবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট’ (সিডিডি)-এর সহযোগিতায় ‘ম্যাপিং সিবিআর’ প্রকল্পের আওতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা জানান, প্রকল্পের আওতাধীন উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৯০০ প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর রয়েছে। এদের পরিবার বা সমাজের বোঝা না ভেবে ন্যূনতম কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে আইডিয়াল। প্রকল্পের ইউসুফ আলীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মো. সাইজুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন।