শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় ভিডিও কনফারেন্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় ভিডিও কনফারেন্স

পত্রদূত ডেস্ক: শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রচার সফল করতে সাতক্ষীরায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাওছার আজিজ। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ আশরাফুল আলম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিপন বিশ্বাস, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হাসেম, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাব্লু, সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুখ, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মিনি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুল নাহার এবং সাবেক পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সভায় বক্তারা বলেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস তরুণদের মেধা ও ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়োজন। এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রচার নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান তাঁরা।

বক্তারা আরও বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের বিকল্প নেই। সভায় অনুষ্ঠান সম্প্রচারের কারিগরি প্রস্তুতি ও সমন্বয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক, ক্রীড়া সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

৭ নভেম্বর-বিপ্লব ও সংহতির অমর চেতনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বর-বিপ্লব ও সংহতির অমর চেতনা

অসীম কুমার সরকার
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দিনটি শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি জাতির ঘুরে দাঁড়ানোর দিন, একটি জাতির আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার হত্যার পর যখন দেশ এক গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত, যখন স্বাধীনতার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হওয়ার পথে, ঠিক তখনই সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অস্থিরতার মধ্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নেতৃত্ব দেন।

জিয়াউর রহমান শুধু একজন সেনাপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন বীর, একজন দেশপ্রেমিক, একজন রাষ্ট্রনায়ক। জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তিনি যুদ্ধ করেছেন বুক চিতিয়ে। তাঁর বীরত্বের জন্য জাতি তাঁকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করেছে। একজন সৈনিক থেকে রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার এই যাত্রা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।

১৫ আগস্ট থেকে ৩ নভেম্বর দেশ চলছিল চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে। চলছিল একের পর এক অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থান। শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিল সেনাবাহিনীতে। ৩ নভেম্বর ভোরে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে আরেকটি অভ্যুত্থান হয়। সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনরত মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে গৃহবন্দি করা হয়। দেশ তখন চরম অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছিল। চারদিকে গুজব, আতঙ্ক আর ক্ষমতা দখলের লড়াই। সাধারণ সৈনিকদের মধ্যে জমে উঠেছিল প্রচ- ক্ষোভ। তারা দেখছিল, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনাপতি, যিনি তাঁদের কাছে সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয়, তাঁকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে দেশ চলে যাচ্ছিল একদলীয় শাসনের দিকে। এই ক্ষোভ থেকে সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিক এবং জনগণের মধ্যে এক ঐক্য তৈরি হয়। সবার একটাই দাবি ছিলÑজিয়াকে মুক্ত করতে হবে, দেশকে বাঁচাতে হবে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ভোররাত থেকেই ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সিপাহিরা রাস্তায় নেমে আসেন। ‘সিপাহী-জনতা ভাই ভাই’Ñএই স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ঢাকা। জনগণও রাস্তায় নেমে সৈনিকদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে। এই বিপ্লব কোনো সাধারণ ক্ষমতা দখলের চেষ্টা ছিল না, এটি ছিল জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লব। সেই রাতেই সিপাহিরা জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন। ৭ নভেম্বর তিনি বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে দেশে শৃঙ্খলা ও স্থিতি ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তাঁর নেতৃত্বে দেশে ফিরে এসেছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র, ফিরে এসেছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ফিরে এসেছিল মানুষের বাক্স্বাধীনতা। তিনি বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে একটি স্বনির্ভর, আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা বাংলাদেশি’Ñএই পরিচয়ই ছিল জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে এক পতাকার নিচে এনে তিনি জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল গ্রামের মানুষের উন্নয়নের কর্মসূচি, ছিল কৃষকের হাসি ফোটানোর কর্মসূচি। খাল খনন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তিনি গ্রামবাংলার চেহারা বদলে দিয়েছিলেন।

আজ ৭ নভেম্বর আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জাতি যখনই সংকটে পড়বে, তখনই একজন জিয়াউর রহমানের আদর্শ আমাদের পথ দেখাবে। তাঁর সততা, দেশপ্রেম, সাহসিকতা আজকের প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। শহীদ জিয়া নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ মরে যায়নি। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, যত দিন লাল-সবুজের পতাকা উড়বে, তত দিন ৭ নভেম্বর আর জিয়াউর রহমানের বীরত্বগাথা বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে। লেখক: অসীম কুমার সরকার, ইউপিইও, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা

আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলার আসামি ও আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আশাশুনি থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বুধহাটা গ্রামের নজু গাইনের ছেলে মো. মহিদুল গাইন (৩৬) এবং চেউটিয়া গ্রামের মৃত হামেদ সরদারের ছেলে মো. কামরুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, মহিদুল গাইন আশাশুনি থানার ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের ৮ নম্বর মামলার আসামি। পেনাল কোডের ৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২)/১১৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। অপরদিকে কামরুল ইসলাম সিআর মামলা নম্বর ৪০/২২ (আশাঃ)-এর সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তার দুজনকে শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালায় নারী নেতৃত্ব উন্নয়নে প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
তালায় নারী নেতৃত্ব উন্নয়নে প্রশিক্ষণ

তালা প্রতিনিধি: নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সাতক্ষীরার তালায় নারী নেতৃত্ব উন্নয়নবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার শাহাপুরে নব দিগন্ত নারী উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। সংস্থাটির উদ্যোগে এবং এজেন্স ফ্রঁসেজ দ্য ডেভেলপমঁর অর্থায়নে ঢাকা উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির বাস্তবায়নে সুবিচার-২ প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোসা. রেখার সভাপতিত্বে এবং উপদেষ্টা শেখ বায়েজীদ হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক বি এম জুলফিকার রায়হান, যুগের যাত্রী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এমদাদুল হক, দলিত আন্দোলনের নেতা দিলীপ দাস, সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আফজাল হোসেন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক জান্নাতুল ফেরদৌস সুপ্তি, হিরা খাতুনসহ অন্যরা।

প্রশিক্ষণে গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে হস্তশিল্প, পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ, নেতৃত্বের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এতে এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও উপকারভোগী নারী সদস্যরা অংশ নেন।