কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে নির্মাণকরা অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে -ইকবল কবির জাহিদ
কপোতাক্ষ অঞ্চল প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির পলিট বুরে্যার সদস্য ও কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা ইকবল কবির জাহিদ বলেছেন, কপোতাক্ষ নদীর বুকে বাঁধ ১৫ লাখ মানুষের মরণ ফাঁদে পরিনত হবে। সম্প্রতি হাইকোর্টের রীট আবেদনের পরও সংশ্লিষ্টরা কপোতাক্ষের মাঝ দিয়ে অবৈধ ভাবে যে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে তা এখনও অপসারণ করেনি। ভেড়িবাঁধের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে নিজ খরচে বাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, কপোতাক্ষ খননে বর্তমান সরকারের প্রায় ২৬২ কোটি টাকার মহাপরিকল্পনাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে অপরিকল্পিত এই ভেড়িবাঁধ দেওয়া হয়েছে। ভূমিদস্যুদের দখল ও অপিরিকল্পিত বাঁধের কারণে কপোতাক্ষ নদ আজ ধ্বংসের দার প্রান্তে পৌঁছেছে। এভাবেই চলতে থাকলে মানচিত্র থেকে কপোতাক্ষ নদ ও জনপদ একদিন হারিয়ে যাবে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে তালায় কপোতাক্ষ নদের উপর অবৈধ বাঁধ অপসারণ, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, বরাদ্ধকৃত ২৬২ কোটি টাকার কাজের স্বচ্ছতাসহ দ্রুত খননের দাবীতে তালা উপজেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তালা ডাকবাংলো চত্বরে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তালা উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির আয়োজনে ও উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রভাষক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল¬াহ, জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলির সদস্য কমরেড মহিবুল¬াহ মোড়ল প্রমুখ।
এদিকে কপোতাক্ষ নদ পূনঃ খননের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় জেলা প্রশাসক তালা ও কলারোয়া উপজেলাধীন নদীর সীমানা নির্ধারণের জন্য ২১ মার্চ নির্দেশ দিয়েছে। এই লক্ষ্যে কলারোয়া উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো’কে আহবায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে উক্ত কমিটিকে নদীর সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত. অবৈধ ভাবে সম্প্রতি কাবিখা প্রকল্পের টাকা দিয়ে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারী সংস্থা কারিতাস খলিলনগর ইউনিয়নে কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে। এ ব্যাপারে পত্রদূতসহ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর একটি মানবাধিকার সংগঠন ওই অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসরণের জন্য হাইকোর্টে রীট করে। বিচারক ওই অবৈধ ভেড়িবাঁধ নিজ খরচে অপসরন করে নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।












