সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে নির্মাণকরা অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে -ইকবল কবির জাহিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১২, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে নির্মাণকরা অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে -ইকবল কবির জাহিদ

কপোতাক্ষ অঞ্চল প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির পলিট বুরে‌্যার সদস্য ও কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা ইকবল কবির জাহিদ বলেছেন, কপোতাক্ষ নদীর বুকে বাঁধ ১৫ লাখ মানুষের মরণ ফাঁদে পরিনত হবে। সম্প্রতি হাইকোর্টের রীট আবেদনের পরও সংশ্লিষ্টরা কপোতাক্ষের মাঝ দিয়ে অবৈধ ভাবে যে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে তা এখনও অপসারণ করেনি। ভেড়িবাঁধের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে নিজ খরচে বাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, কপোতাক্ষ খননে বর্তমান সরকারের প্রায় ২৬২ কোটি টাকার মহাপরিকল্পনাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে অপরিকল্পিত এই ভেড়িবাঁধ দেওয়া হয়েছে। ভূমিদস্যুদের দখল ও অপিরিকল্পিত বাঁধের কারণে কপোতাক্ষ নদ আজ ধ্বংসের দার প্রান্তে পৌঁছেছে। এভাবেই চলতে থাকলে মানচিত্র থেকে কপোতাক্ষ নদ ও জনপদ একদিন হারিয়ে যাবে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে তালায় কপোতাক্ষ নদের উপর অবৈধ বাঁধ অপসারণ, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, বরাদ্ধকৃত ২৬২ কোটি টাকার কাজের স্বচ্ছতাসহ দ্রুত খননের দাবীতে তালা উপজেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তালা ডাকবাংলো চত্বরে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তালা উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির আয়োজনে ও উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রভাষক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল¬াহ, জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলির সদস্য কমরেড মহিবুল¬াহ মোড়ল প্রমুখ।

এদিকে কপোতাক্ষ নদ পূনঃ খননের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় জেলা প্রশাসক তালা ও কলারোয়া উপজেলাধীন নদীর সীমানা নির্ধারণের জন্য ২১ মার্চ নির্দেশ দিয়েছে। এই লক্ষ্যে কলারোয়া উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো’কে আহবায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে উক্ত কমিটিকে নদীর সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত. অবৈধ ভাবে সম্প্রতি কাবিখা প্রকল্পের টাকা দিয়ে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারী সংস্থা কারিতাস খলিলনগর ইউনিয়নে কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে। এ ব্যাপারে পত্রদূতসহ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর একটি মানবাধিকার সংগঠন ওই অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসরণের জন্য হাইকোর্টে রীট করে। বিচারক ওই অবৈধ ভেড়িবাঁধ নিজ খরচে অপসরন করে নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ১৫ মাসে ২১২০ আবেদন, আদায় প্রায় কোটি টাকা, উপকারভোগী ২১৬৫জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১৫ মাসে ২১২০ আবেদন, আদায় প্রায় কোটি টাকা, উপকারভোগী ২১৬৫জন

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান দিবস আজ
বদিউজ্জামান: আজ ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের চিত্র উঠে এসেছে। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ২১২০টি আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৫২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ১৩৩টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) ব্যবস্থার আওতায় ১৬০০টি আবেদন দায়ের করা হয়, যার মধ্যে ১৪৮১টি নিষ্পত্তি হয়েছে—যা দ্রুত ও কার্যকর বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ সময়কালে ১১০৬ জন নারী ও ৩৭৬ জন পুরুষকে আইনগত পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। মোট উপকারভোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৬৫ জনে। এছাড়া এডিআরের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৯৯ লক্ষ ৭৮হাজার টাকা, যা অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বড় সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালত হতে ১৭টি, জেলা কারাগার হতে ৬৭টি এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি হতে ৩০টি আবেদন পাওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে রেফার করা আবেদন এসেছে ১০০টি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জেলা লিগ্যাল এইড অফিস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে এ অর্জনগুলো বিচারপ্রাপ্তির অধিকারকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শ্যামনগরে বাঘ বিধবা, প্রতিবন্ধী ও দলিত নারীদের আর্থিক সহায়তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে বাঘ বিধবা, প্রতিবন্ধী ও দলিত নারীদের আর্থিক সহায়তা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় সোমবার(২৭ এপ্রিল) বিকালে আকাশলীনা ইকোট্যুরিজম সেন্টারে নকশীকাঁথা ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে বাঘের আক্রমনে নিহত ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী, প্রতিবন্ধী,আদিবাসী ও দলিত নারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২৫জন এসকল নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষে মাথাপিছু দুইহাজার করে মোট পঞ্চাশ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন নকশীকাঁথার পরিচালক চন্দ্রিকা ব্যানার্জী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নকশীকাঁথার সমন্বয়কারী তপন কর্মকার, কম্পিউটার প্রশিক্ষক আবু হাসান প্রমুখ।

তালায় শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
তালায় শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 99.4615; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

মুজিবুর রহমান, পাটকেলঘাটা: শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধানকাটা ও সংগ্রহের কাজে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন তালা উপজেলার কৃষকরা। এতে সময়মতো ধান কেটে ঘরে তোলা নিয়ে যেমন শঙ্কা বাড়ছে, তেমনি বাড়তি খরচে শ্রমিক সংগ্রহের কারণে আর্থিক সংকটে পড়ছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, স্থানীয় অনেক বোরোচাষি অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার দক্ষিন বিল ঘুরে দেখা যায়, প্রায় জমিতেই বাইরের শ্রমিক দিয়ে ধান কাটছেন কৃষকরা। তবে এতে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। ফলে অনেকেই নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটতে শুরু করেছেন।
কৃষকদের ভাষ্যমতে, শ্রমিক সংকট চরমে সংকটে দিন পার করছে কৃষকেরা। বাড়তি টাকা দিয়েও ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এলাকার বাইরে থেকে অতিরিক্ত মুজুরি দিয়ে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে। তাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা গ্রামের কৃষক আজিবার রহমান জানান, প্রতিদিন মাথাপিছু ৬০০টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া গেলেও এবার ৮০০/১০০০ টাকা দিয়েও লোক পাওয়া যাচ্ছে না। চোমরখালী গ্রামের আসাদুল ইসলাম জানান, এবার বোরো মৌসুমে প্রায় ৮বিঘা জমি চাষ করেছেন। শ্রমিক না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চার দিন ধরে ধান কাটছেন। বাকি জমির ধান কাটতে আরও দু’দিন সময় লাগবে। কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শরিফুল, কুদ্দুস আলীর মতো অনেক কৃষক বলেছেন, অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে ধানকাটা হচ্ছে। তিনি বলেন ঝড়-বৃষ্টি পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে ধান কেটে শেষ করা না গেলে চরম বিপদে পড়বেন তাঁরা। রাত দিন কাজ করে বোরো সংগ্রহের কাজ করে যাচ্ছে কৃষক। তবে অধিকাংশ বিলে নারী শ্রমিকের উপস্থিতি অনেকাংশে চোখে পড়ার মত।
খলিষখালী ইউনিয়নের টিকারামপুর গ্রামের কৃষক ইয়াছিন আলী জানান কয়রা উপজেলা থেকে শ্রমিক সংগ্রহ করে সপ্তাহে (৬ দিন) ৭০০০ হাজার টাকা দিয়ে ধান কাটা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকের। বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাড়াতাড়ি ধান সংগ্রহ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কৃষক। কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান তালা উপজেলায় রেকর্ড পরিমান জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদ হওয়ার কারনে কৃষককে এক সাথে ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে খাচ্ছে। যদি আবহাওয়া অনুকুলে থাকে তাহলে কৃষকের তেমন ক্ষতি হবে না।