রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পাকিস্তান থেকে আসা ২৮ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি আফগানিস্তানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
পাকিস্তান থেকে আসা ২৮ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি আফগানিস্তানের

পাকিস্তান সীমান্ত পার হয়ে আসা অন্তত ২৮ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রবিবার এক বিবৃতিতে তারা জানায়, পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশে আইসিস (ইসলামিক স্টেট) সদস্যসহ একদল সশস্ত্র যোদ্ধা প্রবেশ করলে আফগান বাহিনীর হামলায় ২৮ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, এই যোদ্ধাদের মধ্যে অধিকাংশই আফগানিস্তানের সাবেক সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং তাদের এই অনুপ্রবেশে পাকিস্তানের মিলিশিয়ার সমর্থন ছিল। তবে আফগান সরকারের এই দাবি বা হতাহতের সংখ্যা নিরপেক্ষ কোনও সূত্রে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও তথ্য মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত শনিবার হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে নুরিস্তানের কামদেশ সীমান্ত দিয়ে আফগানিস্তানে অনুপ্রবেশ করে সশস্ত্র দলটি। আফগান বাহিনী তাৎক্ষণিক অভিযান চালালে তারা হতাহতদের নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে আবার পাকিস্তানি মিলিশিয়া ফাঁড়ির দিকে পালিয়ে যায়। কাবুলের দাবি, পাকিস্তানি গোয়েন্দারা সাবেক আফগান নিরাপত্তা কর্মীদের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের নুরিস্তানে হামলার জন্য পাঠায়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালিয়ে ২৮ জন চরমপন্থিকে হত্যার দাবি করেছিল। যদিও আফগান কর্মকর্তারা এতে বেসামরিক নাগরিক নিহতের অভিযোগ তুলেছিলেন এবং জাতিসংঘ মিশন অন্তত তিন জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছিল।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে আফগানিস্তান তাদের মাটিতে পাকিস্তানি তালেবান বা সশস্ত্র যোদ্ধাদের আশ্রয় দিচ্ছে, যা কাবুল বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি অনুপ্রবেশের সহায়তার অভিযোগ আনলো আফগান সরকার।

Ads small one

সুন্দরবনের বড় অংশ কয়রায়, তবুও মিলেনি পর্যটনের স্বীকৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনের বড় অংশ কয়রায়, তবুও মিলেনি পর্যটনের স্বীকৃতি

জিএম রিয়াজুল আকবর, কয়রা (খুলনা): তিন পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কয়রা নদী, ওপারে ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। নদীর তীরে দাঁড়ালেই ভেসে আসে পাখির কলতান, বন্য প্রাণীর ডাক কিংবা নদীর পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দ। খুলনার কয়রা উপজেলার সুন্দরবনঘেঁষা মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলার চর গ্রামটি যেন প্রকৃতিপ্রদত্ত এক পর্যটনকেন্দ্র। শুধু এই গ্রামই নয়, পুরো কয়রা জেড়েই রয়েছে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা। অথচ দেশের পর্যটন মানচিত্রে এখনও অলক্ষিত রয়ে গেছে এই জনপদ।

কয়রা উপজেলায় সুন্দরবনের সবচেয়ে বড় অংশ যুক্ত থাকলেও এখানে গড়ে ওঠেনি পর্যটনকেন্দ্রিক মৌলিক অবকাঠামো। মানসম্মত আবাসন, কটেজ বা পর্যাপ্ত রেস্তোরাঁ না থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের দিনশেষে ফিরে যেতে হয় খুলনা শহর বা অন্যান্য এলাকায়।

অথচ সুন্দরবনের পাশাপাশি কয়রায় ছড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। সুলতানি আমলের বিখ্যাত ‘মসজিদকুঁড় মসজিদ’, রাজা প্রতাপাদিত্যের স্মৃতিচিহ্ন, প্রাচীন দিঘি ও নানা ঐতিহাসিক স্থান এ অঞ্চলের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে। প্রতিবেশী পাইকগাছার রাড়ুলিতে অবস্থিত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন যুক্ত করে এখানে একটি আকর্ষণীয় ‘ট্যুরিজম সার্কিট’ গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও অধিকারকর্মীদের মতে, পরিকল্পিত ইকোট্যুরিজম চালু করা গেলে সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় নদীভাঙনকবলিত মানুষের জন্য আয়ের নতুন পথ উন্মোচিত হবে।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ২০২১ সালে দক্ষিণ বেদকাশীর গোলখালী এলাকায় পর্যটনকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু বনাঞ্চলের আইনি জটিলতায় পরবর্তীতে কয়রা সদর ইউনিয়নের কেওড়াকাটা এলাকায় স্থান পরিবর্তন করা হয়। তবে তিন বছর পেরিয়ে গেলেও কাজ থমকে আছে।

কয়রা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আফজাল হোসেন জানান, স্থান পরিবর্তনের জটিলতা কাটিয়ে পাইলিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। তবে ঠিকাদারের বকেয়া বিল না পাওয়ায় বর্তমানে নির্মাণকাজ সাময়িক বন্ধ রয়েছে।

 

সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলুর ৫৫তম জন্মবার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলুর ৫৫তম জন্মবার্ষিকী পালন

সহকর্মীদের ভালোবাসায় সাতক্ষীরা জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলুর ৫৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি পালন করা হয়।

শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু ১৯৭১ সালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শেখ আবদুল বারীর মেজ ছেলে। বর্তমানে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক খবর বাংলাদেশ’-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অন্যতম সদস্য। অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম খান মামুনসহ সহ-সভাপতি, সংগঠনিক সম্পাদক ও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সহকর্মীরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত জীবনের সাফল্য কামনা করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

কালিগঞ্জে সাংবাদিকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে সাংবাদিকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ধারাবাহিক হামলা ও হুমকির অভিযোগের মধ্যে সংবাদকর্মী ও ব্যবসায়ী শেখ ফিরোজ আহমেদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে নেট, পলিথিন ও জিও শিটসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

২৭ সেপ্টেম্বর ভোরে উপজেলার রতনপুর বাজারে অবস্থিত ‘এস কে এন্টারপ্রাইজ’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানে এই অগ্নিসংযোগ ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শেখ ফিরোজ আহমেদ স্থানীয় দৈনিক সাতনদী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার।
ফিরোজ আহমেদের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো একসময় দোকানের পেছনের অংশ দিয়ে দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিপুল মালামাল পুড়ে যায়। তাঁর দাবি, এলাকায় মাদকবিরোধী সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কিছুদিন ধরে হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে আসছেন। এর আগে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল।

এর আগে গত আগস্টে একই উপজেলায় সংবাদকর্মী ফেরদৌস আহমেদ ও শেখ ফিরোজ আহমেদের ওপর পৃথক হামলার ঘটনা ঘটে। ফিরোজ আহমেদ জানান, এসব ঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় এজাহার দেওয়া হলেও পুলিশ তদন্তের নামে দীর্ঘসূত্রতা করেছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এতে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, সাংবাদিক ফিরোজ আহমেদের ওপর আগের হামলার ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।