শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সমান অধিকার/ নাসরিন সুলতানা ডেইজি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
সমান অধিকার/ নাসরিন সুলতানা ডেইজি

মুক্তমত

“নারীর সমান অধিকার” নিয়ে অনেকেই লিখেছেন বা লিখেন- বাবার সম্পত্তিতে সমান অধিকার পেলেই নাকি নারী তার সকল অধিকার পাবে। কিন্তু আদৌ কি সেটাই! সমান অধিকারের সংজ্ঞা কি সম্পত্তি দিয়ে নিষ্পত্তি হওয়াকেই কেবল বোঝায়! একজন নারী যেদিন জন্ম নেয় সেদিন থেকেই তার জন্মগ্রহণটাই তো বৈষম্যের স্বীকার হয়।যখন একটা মেয়ে সন্তান এ পৃথিবীতে আসে তখন সংসার ও সমাজের কজন মানুষই আনন্দের সাথে স্বাগত জানায় তাকে!

 

এমনকি বাবা-মা ও কি একটু হলেও কষ্ট পায় না? মা! সেও মন খারাপ করে। কি অদ্ভুত তাই না! কেন বলুন তো? সে নিজেই তো একটা নারী। তাহলে! প্রশ্ন এখানেই। মা একজন নারী হলেও এ পৃথিবীর মানুষ তাকে এমন মানসিকতা দিয়ে গড়ে তোলে যে সে মনে করে মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়া মানে -সে কিছুই অর্জন করল না। মেয়ে মানে আমার মা হিসেবে গর্ব করার আর অধিকার থাকলো না। আর এখান থেকেই শুরু হয় বৈষম্য। মানসিক বৈষম্য থেকেই সৃষ্টি হয় একজন নারীকে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করা।

 

তিনবেলা খাবারের মধ্েয বৈষম্য, পড়াশুনায় বৈষম্য-ছেলে সন্তানকে লেখাপড়া করতে হবেই কিন্তু মেয়ে সন্তান কোন একটা ডিগ্রি নিলেই হবে, কোনমতে একটু স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে বিয়ে দিয়ে বেহেশতের দরজা বাবা মায়ের জন্য নিশ্চিত করা,এ পৃথিবীতে জন্ম নিয়েও নারী নাকি নিজের মতো করে এ পৃথিবী দেখতে পারবে না-তাকে সর্বদাই পর্দার আড়ালে থাকতে হবে( ধর্মীয় বৈষম্য), বেহেশতেও পুরুষদের মতো কোন সুযোগ দেয়া হয়নি যেমন হুর (মৃত্যুর পরেও বৈষম্য), নারীকে বিভিন্ন ফতোয়া দেয়া হয় বেহেশতবাসী হওয়ার জন্য। যেন জোর করে এ পৃথিবীর নারীকে বেহেশতে পাঠাতে হবে। অথচ নিজেরা জান্নাতে যেতে পারবে কিনা প্রশ্ন রয়ে যায়। নারীর জন্ম নাকি কেবল অন্েযর ভোগের জন্য।

 

নারীর শারীরিক চাহিদা অস্বীকার করার এই যে মানসিকতা,তাকে ভোগ্যপন্য করে তোলার এই যে বৈষম্য এমনকি ‘সতিত্ব’ নামক এক ভয়ঙ্কর শব্দ মেয়েদের ওপর চাপানো যা সবই মেয়েরা নিজেরাও মেনে নিয়েছে। নারীর সমান অধিকার তখনই আসবে যখন একটা মেয়ে সাহিত্য, দর্শন, ধম, সৃষ্টি নিয়ে নিজেরাই উপলব্ধি করতে শিখবে। অন্যের চাপিয়ে দেওয়া চিন্তাকে ধারণ না করবে তখন আসল মুক্তি মিলবে।

 

মনের যে দাসত্বের শৃঙ্খল আছে তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেই সব সমাধান। তার জন্য পড়াশুনা, নিজের জীবন যাপন নিজের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা, চিন্তাকে প্রসারিত করা, পৃথিবীকে পুরুষের মতো নিজের ও অধিকারের জায়গা মনে করা, এ ভুবনকে নিজের চোখে ও মনে উপলব্ধি করা তা যেন কোনভাবেই পুরুষের সৃষ্টি করা চোখে না হয়, সুখটাকে নিজে অর্জন করতে পারা।

 

সুখ বলতে মেয়েরা বোঝে কেবলই স্বামীর ভালবাসা কিন্তু আদৌ কি তা কারো কাছ থেকে পাওয়া যায়! এটা তো মন! মনের ওপর কি কারোর কোন নিয়ন্ত্রণ আছে? নারী চাইলেও স্বামীর কাছ থেকে সেটা পাবে না আর এই চাওয়াটাও বোকামি। অনেকে মনে করেন প্রভাবশালী ও ধনবান পিতার মেয়ে সন্তান হলে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ভয় করে চলে, অনেকে ভাবেন স্বামী নামকরা ব্যক্তিত্ব হলে সন্তানরা ও সমাজ তাকে মান্য করে। এটা ও এক ধরনের পরনির্ভরশীলতা।

 

এসব মানসিক বদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসলেই সবকিছু আপনাতেই নিজের অধিকারে চলে আসবে-তা বাবার সম্পত্তি হোক, সুখ হোক, সম্মান হোক এমনকি ধর্মের অধিকারসহ এ জগতের সবই জীবনে এমনিতেই পেয়ে যাবে একজন নারী। আগে আমরা নারীকে অন্েযর ওপর থেকে মানসিক ও আর্থিকসহ সকল নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসার মানসিকতা সৃষ্টি করি তখন কারোরই কোন ক্ষমতা থাকবে না তাকে অনৈতিক ও অন্যায় শাসন, শোষণ বা আধিপত্য বিস্তার করার।মোটকথা নিজের পরিচিতি তৈরীই একজন নারীর সকল অধিকার করায়ত্ত করার একমাত্র উপায়।

Ads small one

ফের চাঙা স্বর্ণের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
ফের চাঙা স্বর্ণের বাজার

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধি এবং কঠোর মুদ্রানীতির বার্তা পাশ কাটিয়ে এবং তেলের দাম হ্রাসের ফলে টানা দ্বিতীয় সেশনে স্বর্ণের দাম এক সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৭৮ দশমিক ৯৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার্স মূল্য শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪১৮ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে।

বাইবিটের চিফ মার্কেট অ্যানালিস্ট হান টান বলেছেন, ফেডের কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিতকে খুব একটা পাত্তা দেয়নি মূল্যবান এই ধাতু। বরং ফেডের সুদের হার বাড়ানোর চক্রটি সীমিত হতে পারে এমন আশার পাশাপাশি তেলের দাম হ্রাসের কারণে স্বর্ণ তাৎক্ষণিক স্বস্তি খুঁজে পেয়েছে। যদিও মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে ঐতিহ্যগত হেজ বা সুরক্ষাকবচ হিসেবে স্বর্ণকে দেখা হয়, তবে উচ্চ সুদের হার ফলনশীল সম্পদের আকর্ষণ বাড়িয়ে স্বর্ণের চাহিদা কমিয়ে দিতে পারে।

গত বুধবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সামনের মাসগুলোতে আরও সুদের হার বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল। গোল্ডম্যান স্যাকস এক নোটে জানিয়েছে, তারা আশা করছে কঠোর মুদ্রানীতির প্রভাব স্বর্ণের চূড়ান্ত দাম কমার চেয়ে স্বল্পমেয়াদি বৃদ্ধির গতি শ্লথ করার মাধ্যমেই মূলত অনুভূত হবে।

এদিকে স্পট রুপার দাম ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৭ দশমিক ০৩ ডলারে উঠেছে। প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৮১৪ দশমিক ৫৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৩১ দশমিক ৯৫ ডলারে। এ ছাড়া সপ্তাহের ব্যবধানে সব মূল্যবান ধাতুর দামই বাড়ার পথে রয়েছে।

কলারোয়ায় রাজনগর মাদ্রাসায় অবৈধ নিয়োগ বোর্ড বাতিলের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় রাজনগর মাদ্রাসায় অবৈধ নিয়োগ বোর্ড বাতিলের দাবি

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার ছোট রাজানগর দাখিল মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরী ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। নির্দিষ্ট প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ বোর্ড আয়োজনের চেষ্টার অভিযোগ তুলে কথিত অবৈধ নিয়োগ বোর্ড বাতিল করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন এক প্রার্থীর স্বামী।

১৭ সেপ্টেম্বর রাতে কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অফিস সহায়ক পদে আবেদনকারী জাকিয়া সুলতানার স্বামী মো. ফিরোজ আলম এসব অভিযোগ করেন।

তিনি দাবি করেন, ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট বজলুল করিম জানান, এসব বক্তব্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নোটিশের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে নিয়ম অনুযায়ী প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদও অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন।

আশাশুনির কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলে রাতের আঁধারে মাছ চুরি, ঘের মালিকদের উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলে রাতের আঁধারে মাছ চুরি, ঘের মালিকদের উদ্বেগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলের বিভিন্ন চিংড়ি ঘের থেকে রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে।

১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা একাধিক ঘেরে প্রবেশ করে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে ঘের মালিক আব্দুল মান্নান ও মাসুদ রেজাসহ অন্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দা রাখেদুল ইসলাম ও মাহমুদ আলী খান জানান, প্রতি বছরই এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকায় রাতের পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।