মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কলারোয়ায় হঠাৎগঞ্জ ব্রিজ এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় হঠাৎগঞ্জ ব্রিজ এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

কেড়াগাছি (কলারোয়া) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের হঠাৎগঞ্জ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি এখন স্থানীয়দের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতায় জরাজীর্ণ ব্রিজটির রেলিং ভেঙে পড়েছে, ঢালাই উঠে গিয়ে দেখা দিয়েছে বড় ফাটল। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের ওপর দিয়ে কোনো ছোট যানবাহন গেলেও পুরো কাঠামো থরথর করে কাঁপতে থাকে। ব্রিজের দুপাশের নিরাপত্তা রেলিংয়ের বড় একটি অংশ ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। রাতের অন্ধকারে এই পথ দিয়ে যাতায়াত করা আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্রিজটি এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে এটি এতটাই নড়বড়ে যে, ভারী কোনো যান উঠলে মনে হয় এই বুঝি ধসে পড়বে।
হঠাৎগঞ্জ ও এর আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন এই ব্রিজের ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষক বলেন, “বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় থাকি। ব্রিজটা পার হওয়ার সময় যে কাঁপুনি হয়, তাতে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। আমাদের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়।”
ভারী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া এবং জরুরি চিকিৎসায় অ্যাম্বুলেন্স চলাচলেও মারাত্মক বিঘœ ঘটছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজের এই বেহাল দশা সম্পর্কে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ বা টেকসই সংস্কার করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে প্রাণহানির মতো বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন। সংশ্লিষ্ট এলজিইডি অফিসের পক্ষ থেকে দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ।

Ads small one

শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াত। ২৫ মে ২০২৬ শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি মহসিন আলম স্বাক্ষরিত একপত্রে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদ পত্রে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পুত্রসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি ও হামলার নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা। ২৫ মে (সোমবার) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা আমীর মাওঃ আব্দুর রহমান ও উপজেলা সেক্রেটারী মাওঃ গোলাম মোস্তফা এ প্রতিবাদ জানান।

 

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পুত্রসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি ও হামলার মামলাকে আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করেছি। প্রাপ্ত তথ্য, স্থানীয় জনগণের বক্তব্য এবং ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হচ্ছে যে, উক্ত মামলা বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়; বরং এটি একটি পরিকল্পিত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে।

 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনার সময় চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের বার্ষিক উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন- যেখানে স্থানীয় প্রশাসন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ বিদ্যমান থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

 

আমরা আরও লক্ষ্য করছি, জাইকা (JICA) অর্থায়নে চলমান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ভূমি ব্যবহার, ক্ষতিপূরণ ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ইজারাদার কর্তৃক অনুমোদিত চিংড়ি মহাল দখল, ভূমি ব্যবহারে অনিয়ম, পরিবেশের ক্ষতি এবং ভূমিহীন মানুষের উচ্ছেদের মতো বিষয়গুলো স্থানীয়ভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এসব বিষয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম জনস্বার্থে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে এলাকাবাসীর একাংশ জানিয়েছে।

 

আমাদের মতে, জনগণের ন্যায্য অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পরিবেশ রক্ষার দাবিকে ‘চাঁদাবাজি’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা কেবল বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে এবং প্রকৃত সমস্যার সমাধানকে বিলম্বিত করবে। একইসঙ্গে, এ ধরনের মামলা স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও জনস্বার্থে অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে নেতিবাচক বার্তা বহন করতে পারে।

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা শাখা মনে করে- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত অপরিহার্য। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত থেকে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি, চলমান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ভূমি, পরিবেশ ও ক্ষতিপূরণের বিষয়গুলোও গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

 

আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই-ঘটনার সকল দিক যাচাই-বাছাই করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধ এবং প্রকৃত দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক। একইসঙ্গে, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প যেন জনস্বার্থ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে বাস্তবায়িত হয়, সে বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। জনগণের মধ্যে সৃষ্ট ক্ষোভ ও উদ্বেগ নিরসনে দ্রুত ন্যায়সঙ্গত সমাধানই বর্তমান সময়ের প্রধান দাবি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

মেয়ের চিকিৎসায় কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত মরিয়মের মায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
মেয়ের চিকিৎসায় কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত মরিয়মের মায়ের

খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাঙ্গণে খুলনা শিপইয়ার্ড স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণী শিক্ষার্থী মরিয়ম ইসলাম ক্যান্সারে আক্রান্ত তার মা মেয়ের চিকিৎসার জন্য গত ১৯ মে সাহায্যের জন্য কাগজ পত্র জমা দেয়। ২৬ মে দুই মেয়েকে নিয়ে  খুলনা আর্ট একাডেমিতে সকাল ১০টার দিকে আসে  তখন তিনি চিকিৎসার এত টাকা কোথায় পাবে এমন কথার প্রসঙ্গে নিজের একটি কিডনি বিক্রি করে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

 

আগামী জুন মাসের ১৬ তারিখ মরিয়মকে নিয়ে ভেলোরে সিএমসিতে চিকিৎসা করাতে যাবেন। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা উপস্থিত সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের অর্থ আছে, কিন্তু সন্তান নেই অথচ সেই অর্থ ব্যয় করার মতো উপযুক্ত জায়গাও নেই। তাদের প্রতি চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের আন্তরিক অনুরোধ, আপনারা এই নবীন শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করুন।

 

নিজেদের সন্তানের মতো মনে করে মরিয়মের মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে দিন।চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস বলেন, “আমি একটি ছোট্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করি, যেখানে অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়ে পথচলা। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নিজ অর্থায়নে মরিয়মের চিকিৎসার জন্য বড় ধরনের সহযোগিতা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”তাই খুলনা আর্ট একাডেমির অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতায় সংগ্রহ করা ৬,৩২০ টাকা এবং বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির পক্ষ থেকে বাবু ধনঞ্জয় রায়ের প্রদান করা ১,১০০ টাকা মরিয়মের মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অক্ষর শিল্পী বাবু ধনঞ্জয় রায়, এস ও এস হারম্যান মেইনার স্কুল খুলনার চারু ও কারুকলার শিক্ষক চিত্রশিল্পী কাকন সরকার, খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, সহকারী পরিচালক শিলা বিশ্বাস, মরিয়ম, তার মা ও ছোট বোন হুমায়রা, ১৭তম ব্যাচের নবীন চারুশিল্পী চিরঞ্জিত মন্ডল, মিলন দাস, নুসরাত জাহান জান্নাত এবং খুলনা আর্ট একাডেমির প্রচার সম্পাদক সৌহার্দ্য বিশ্বাস।অর্থ হাতে নিয়ে মরিয়মের মা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

তিনি জানান, দীর্ঘ নয় মাস ধরে মেয়ের অসুস্থতার কারণে তাদের পরিবারে হাসি-আনন্দ যেন হারিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করতে পারেননি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “যদি মেয়ের চিকিৎসার জন্য অর্থ জোগাড় করতে না পারি, তাহলে শেষ পর্যন্ত আমার একটি কিডনি বিক্রি করে হলেও চিকিৎসা চালিয়ে যাবো।”এই সময় মরিয়মের ছোট বোন, প্লে-শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমায়রা, নিজের ইচ্ছায় কিছু বলার অনুমতি চায়। সে সকলকে সালাম দিয়ে বলে, “আমার আপু অনেকদিন ধরে অসুস্থ। আপনারা সবাই আমার আপুর জন্য দোয়া করবেন। যারা আমার আপুর জন্য সাহায্য করেছেন, আল্লাহ যেন তাদের সবাইকে ভালো রাখেন।”

 

শিশুটির নিষ্পাপ কথা, মরিয়মের মায়ের কান্না এবং মরিয়মের নীরব অনুভূতি সব মিলিয়ে একাডেমির প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন ও নিস্তব্ধ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।পরিসংখ্যান অনুযায়ী খুলনা সিটিতে বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ ১৯ হাজার ৫৫৭ জন মানুষের বসবাস। চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস বলেন, “আমরা যদি সবাই মাত্র ১ টাকা করে সাহায্য করি, তাহলেই একটি পরিবারের মুখে আবার হাসি ফুটতে পারে। ঈদের বন্ধ চলছে তাই”তিনি আরও ঘোষণা দেন, আগামী ১ জুন থেকে ৭জুন পর্যন্ত খুলনা আর্ট একাডেমিতে ছবি আঁকা, আবৃত্তি, সঙ্গীত , হাতের লেখা এবং চারুকলায় ভর্তি হলে ভর্তি ফি মরিয়ম ইসলামের চিকিৎসার জন্য প্রদান করা হবে।চিত্রশিল্পী কাকন সরকার মিলন বিশ্বাসের এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সাধুবাদ জানান।

 

পাশাপাশি বাবু ধনঞ্জয় রায় ও চিত্রশিল্পী কাকন সরকার তাদের আলোচনায় মরিয়মের চিকিৎসার জন্য ভবিষ্যতেও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।পরবর্তীতে যারা সাহায্য করতে ইচ্ছুক, তারা মরিয়মের মায়ের বিকাশ বা নগদ নম্বরে সরাসরি অর্থ পাঠাতে পারবেন। মরিয়ামের মায়ের নম্বর 01994991393 সবশেষে মরিয়ম ইসলামের সুস্থতা কামনা করে এবং সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করে আজকের এই সাহায্য ও আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবে কবি সাহিত্যিক ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদের বই উপহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবে কবি সাহিত্যিক ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদের বই উপহার

জি এম আমিনুল হক: বিশিষ্ট লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও ছড়াকার ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদ তাঁর স্বরচিত তিনটি কবিতা ও গল্পের বই বি.ডি.এফ প্রেসক্লাব কর্মকর্তাদের নিকট উপহার প্রদান করেছেন।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের সংক্ষিপ্ত পরিসরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বই উপহার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন বাবু এবং সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান শিমুল।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরশাদ আলী, সাবেক সভাপতি আব্দুল হাকিম, সহ-সভাপতি জি.এম. আমিনুল হক, রবিউল ইসলাম, ইমরান হোসেন, শরিফুল আলম রানা, এম.এম. জয়নাল, আছাদুল ইসলাম, সুজন ঘোষ, হাফিজুল ইসলাম হাফিজসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদ বলেন, “বই পড়লে মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে অনলাইন নির্ভরতার কারণে অনেকেই বই পড়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। অথচ বই মানুষের মনন ও চিন্তার জগতকে সমৃদ্ধ করে।”

 

তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “জ্ঞান অর্জনের জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের চারপাশের প্রকৃতি, ধানক্ষেতের শিশির ভেজা দৃশ্য থেকেও মানুষ অনেক কিছু শিখতে পারে।”

 

এসময় তিনি সকলকে বই পড়ার আহ্বান জানান এবং তাঁর রচিত তিনটি বই— “ছড়ার দেশে ঘুরে আসি”, “আলো যখন অন্ধকারে” ও “সপ্তসুরের মোহনায়” প্রেসক্লাব কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন।

 

ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদ ব্যক্তিগত জীবনে সাতক্ষীরা ডি.বি খান হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক এবং সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সাবেক প্রধান সহকারী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কবিতা, ছড়া, গল্প ও উপন্যাস রচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষে বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।