বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় অপার সম্ভাবনাময় শুঁটকি শিল্প, দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে রপ্তানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অপার সম্ভাবনাময় শুঁটকি শিল্প, দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে রপ্তানি

এম শফিকুল ইসলাম: সাতক্ষীরায় মিঠাপানির মাছের শুঁটকি শিল্পে নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। খেতে সুস্বাদু হওয়ায় সামুদ্রিক মাছের পাশাপাশি এখন কার্পজাতীয় ও অন্যান্য মিঠাপানির মাছের শুঁটকির চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। এখানে উৎপাদিত শুঁটকি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চাহিদা মিটিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও রপ্তানি হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সঠিক তদারকি ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই এলাকার শুঁটকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
প্রতিবছর সাতক্ষীরায় কী পরিমাণ শুঁটকি উৎপাদিত হয়, তার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান জেলা মৎস্য অধিদপ্তরে নেই। তবে স্থানীয় শুঁটকি উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীদের হিসাবমতে, বছরে প্রায় ১ হাজার মেট্রিক টন শুঁটকি তৈরি হয়। এসবের মধ্যে সিলভার কার্প, মৃগেল, বাটা, তেলাপিয়া ও পুঁটি মাছ উল্লেখযোগ্য। প্রতি মণ শুঁটকির পাইকারি বাজারমূল্য ১৯ থেকে ২০ হাজার টাকা। সে হিসাবে জেলায় উৎপাদিত শুঁটকির আনুমানিক বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা। ভারতের পাশাপাশি কার্পজাতীয় এসব মাছের শুঁটকি দেশের উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা এবং চট্টগ্রামে সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে একদিকে মাছচাষিরা যেমন ভালো দাম পাচ্ছেন, অন্যদিকে লাভবান হচ্ছেন শুঁটকি ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মজীবীরা।
সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলার সাতটি উপজেলার ৬০ হাজার হেক্টর জমির প্রায় ৬৩ হাজার জলাশয়ে (পুকুর, ঘের, খাল ইত্যাদি) মিঠাপানির মাছ চাষ করা হচ্ছে। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। প্রতি কেজি ২০০ টাকা হিসাবে যার আনুমানিক বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি এম সেলিম জানান, কার্পজাতীয় মাছের শুঁটকি উৎপাদনে সাতক্ষীরায় বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। জেলায় প্রতিবছর প্রচুর মিঠাপানির মাছ উৎপাদিত হয়, যা ব্যবহার করে বড় পরিসরে শুঁটকি তৈরি ও বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব।
তালা উপজেলার ত্রিশমাইল এলাকার শুঁটকি ব্যবসায়ী নিপেন দাস ও খামার মালিক রমেশ চন্দ্র খা জানান, তাঁরা দুই বছরের বেশি সময় ধরে শুঁটকির আড়ত পরিচালনা করছেন। তাঁরা প্রতি মাসে প্রায় চার হাজার কেজি শুঁটকি তৈরি করেন।
অন্যদিকে বিনেরপোতা এলাকার স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী কম দামের ছোট তেলাপিয়া মাছ দিয়ে শুঁটকি তৈরি করেন। এসব শুঁটকি ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন পোলট্রি ও মৎস্য ফিড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়।
বিনেরপোতা এলাকার আরেক শুঁটকি উৎপাদনকারী সাধন চন্দ্র রায় জানান, চার বছর ধরে তিনি এ পেশায় আছেন এবং বেতনা নদীর তীরে তাঁর খামারে প্রতি মাসে প্রায় আট হাজার কেজি শুঁটকি উৎপাদন করেন। বাজার থেকে সিলভার কার্প, মৃগেল, বাটা, তেলাপিয়া ও পুঁটি কিনে শুকানো হয়। এসব শুঁটকি মূলত চট্টগ্রাম ও উত্তরবঙ্গের সৈয়দপুরে পাঠানো হয়।
শুঁটকির আড়তদার সাহাবুদ্দিন জানান, সাতক্ষীরার বিভিন্ন খামার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র থেকে শুঁটকি সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারি বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন তাঁরা।

Ads small one

কয়রায় সার পাচারের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় সার পাচারের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলায় সার ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনের অপরাধে এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

বেদকাশী কাছারি বাড়ি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস। কয়রা উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম মামলা পরিচালনা করেন।

সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারা লঙ্ঘনের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত প্রভাষ চন্দ্র অধিকারীকে এই জরিমানা করা হয়। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

ফিংড়ীতে নির্মাণাধীন রাস্তার ওপর বিদ্যুতের খুঁটি, দুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ২:০০ পূর্বাহ্ণ
ফিংড়ীতে নির্মাণাধীন রাস্তার ওপর বিদ্যুতের খুঁটি, দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী গ্রামে নির্মাণাধীন সড়কের মাঝখানে দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে কাজ চলায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ফিংড়ী কাছারিবাড়ি হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রীন পার্ক পর্যন্ত ইটের সোলিং রাস্তাটিকে পাকা করার কাজ চলছে। তবে মাঝরাস্তায় দুটি খুঁটি থাকার কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে বিঘœ ঘটছে।

 

ডারার খাল, নাটানা, বিদুখালী ও চর ফিংড়ীর বাসিন্দারা প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। স্থানীয় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহফুজ সরদার খুঁটি দুটি দ্রুত সরানোর তাগিদ দিয়েছেন।

 

সাতক্ষীরা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির ব্রজরাজপুর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যথাযথ নিয়ম মেনে আবেদন করা হলে প্রকৌশলীদের পর্যবেক্ষণের পর খুঁটি অপসারণ সম্ভব।

আনুলিয়ায় জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
আনুলিয়ায় জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস প্রশিক্ষণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়ায় কিশোর-কিশোরীদের জন্য জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এবং ব্র্যাকের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্পের ৩০ জন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়। প্রশিক্ষণে নারী ও শিশুদের অধিকার, সামাজিক সচেতনতা এবং দুর্যোগকালে নিরাপদ থাকার বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. আবু সাঈদ। সেশন পরিচালনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম, ব্র্যাকের জেলা ব্যবস্থাপক রেখা ইয়াসমিন ও জেন্ডার প্রমোটার এস কে হাসান।